আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : ইন্টারনেট
সংস্কার ১২ নভেম্বর ২০২৫ : দক্ষিণ আমেরিকার তেলসমৃদ্ধ রাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় নতুন করে রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি তাঁর সরকারকে উৎখাতের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। সাম্প্রতিক মার্কিন বক্তব্য ও সমুদ্রপথে সামরিক উপস্থিতি ভেনেজুয়েলার মধ্যে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে। এরই প্রতিক্রিয়ায় দেশটির সরকার সর্বাত্মক প্রতিরক্ষা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যার অংশ হিসেবে গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতি ও অস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চলছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ঘটনার শুরু হয়, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেন, সমুদ্রের পর এবার ভূমি হবে পরবর্তী লক্ষ্য। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা এটিকে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। ট্রাম্প প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরেই মাদুরো সরকারকে অবৈধ শাসক বলে আখ্যা দিচ্ছে এবং বিরোধী নেতা হুয়ান গুইদোকে সমর্থন দিয়ে আসছে। পাশাপাশি তারা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও কূটনৈতিক চাপের মাধ্যমে মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরানোর চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
এই প্রেক্ষাপটে ভেনেজুয়েলা সরকার এখন সর্বাত্মক প্রস্তুতিতে নেমেছে। রাজধানী কারাকাস থেকে শুরু করে সীমান্তবর্তী প্রদেশগুলোতে সেনাবাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবী মিলিশিয়াদের গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি গুদাম থেকে পুরনো সোভিয়েত অস্ত্র, মর্টার, রাইফেল ও স্বল্প পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র বিতরণ শুরু হয়েছে। মাদুরো প্রশাসনের ঘোষণা, সম্ভাব্য বিদেশি আগ্রাসনের মুখে জনগণকেও “জনযুদ্ধ”-এর অংশ হতে প্রস্তুত থাকতে হবে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা ক্যারিবীয় অঞ্চলে মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে সামরিক তৎপরতা বাড়িয়েছে। মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও নজরদারি ড্রোন ভেনেজুয়েলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় রয়েছে বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করেন, এটি কেবল মাদকবিরোধী অভিযান নয় বরং ভেনেজুয়েলাকে সামরিকভাবে চাপে রাখার এক কৌশল। প্রেসিডেন্ট মাদুরো সরাসরি ট্রাম্প প্রশাসনকে অভিযুক্ত করে বলেন, ওরা আমাদের সম্পদ ও তেল দখল করতে চায়, আমাদের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে চায়। কিন্তু ভেনেজুয়েলার মানুষ জানে কীভাবে নিজেদের দেশ রক্ষা করতে হয়। তিনি সেনাবাহিনী ও সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে “দেশরক্ষার জনযুদ্ধ” নামের একটি জাতীয় প্রতিরোধ কর্মসূচি চালু করেছেন।
হোয়াইট হাউস অবশ্য দাবি করছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের লক্ষ্য কেবল অবৈধ মাদক চক্র ধ্বংস করা, এটি ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ নয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, মাদুরো সরকার দেশটিকে “দুর্নীতিগ্রস্ত ও ব্যর্থ রাষ্ট্রে” পরিণত করেছে এবং তাদের কার্যক্রমের লক্ষ্য গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ওয়াশিংটন লাতিন আমেরিকায় নিজেদের প্রভাব পুনঃস্থাপনের কৌশলগত প্রয়াস চালাচ্ছে, যার কেন্দ্রবিন্দু ভেনেজুয়েলার বিশাল তেলভাণ্ডার।
বর্তমানে মাদুরো প্রশাসন জাতীয়তাবাদী আবেগে জনগণকে সংগঠিত করছে। সেনা সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও অস্ত্র হাতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচার হচ্ছে দেশ রক্ষায় প্রস্তুত হও শিরোনামের প্রচারণা অনুষ্ঠান, যেখানে নাগরিকদের গেরিলা যুদ্ধের মৌলিক কৌশল শেখানো হচ্ছে। সরকারের বার্তা স্পষ্ট যদি যুক্তরাষ্ট্র ভূমিতে নামে, তবে প্রতিটি রাস্তা হবে প্রতিরোধের যুদ্ধক্ষেত্র। এই পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘ ও একাধিক লাতিন আমেরিকান দেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা উভয় পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে তা সমগ্র লাতিন আমেরিকায় নতুন এক স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা করতে পারে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অর্থনৈতিক সংকটের এই সময়ে যদি সংঘাত শুরু হয়, তাহলে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হবে সাধারণ মানুষেরই।
তথ্যসূত্র : রয়টার্স/সংস্কার/ইএফহ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৯০ লাখ মানুষের নাম বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও মানবিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার ঘোষণা করেছে, ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গেছে, তারা সরকারি
ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণকে একই কাঠামোয় যুক্ত করে ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় রূপরেখা চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে লেবাননের দুটি প্রভাবশালী সুন্নি গোষ্ঠী। তাদের দাবি, এই চুক্তি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের শর্তের কাছে লেবাননের নিরাপত্তা সমর্পণের একটি ‘মলিন ও বিদ্বেষপূর্ণ প্রচেষ্টা’। বৈরুতে জরুরি বৈঠকের পর
দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর হওয়ার কথা। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা
ইসরায়েলের কারাগার ও আটককেন্দ্রে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর পদ্ধতিগত নির্যাতন এবং যৌন সহিংসতার অভিযোগ উঠে এসেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার একটি অনুসন্ধানী তথ্যচিত্রে। ‘বডিজ অব এভিডেন্স: ইসরায়েলস ডার্কেস্ট ওয়েপন’ শিরোনামের ওই তথ্যচিত্রে সাবেক বন্দীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে দাবি করা হয়েছে,