আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৩০ জুন ২০২৬ মঙ্গলবার: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৯০ লাখ মানুষের নাম বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও মানবিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার ঘোষণা করেছে, ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গেছে, তারা সরকারি রেশন ও বিভিন্ন কল্যাণমূলক প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। এতে বিশেষ করে দরিদ্র ও মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে।
গত ৪ জুন রাজ্যের খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরের জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়, ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিদের রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করা হবে। একই সঙ্গে আগের সরকারের ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রকল্প, যা বর্তমান সরকার ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ নামে পরিচালনা করছে এবং যার আর্থিক সহায়তা ৩ হাজার রুপিতে উন্নীত করা হয়েছে, সেই প্রকল্পের সুবিধাভোগীদেরও ভোটার তালিকার ভিত্তিতে যাচাই করা হচ্ছে। ফলে তালিকা থেকে বাদ পড়া ব্যক্তিরা নগদ সহায়তাও হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন।
সরকার জানিয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আপিল করা প্রায় ২৩ লাখ মানুষ রায় না হওয়া পর্যন্ত রেশন পাবেন। তবে এজন্য তাদের নতুন করে বিভিন্ন কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।
মুর্শিদাবাদের দিনমজুর অন্তু শেখ জানান, আপিল বিচারাধীন থাকায় তিনি আপাতত রেশন পেলেও শুনানির কারণে অন্য রাজ্যে কাজে যেতে পারছেন না, ফলে তার আয় কমে গেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাকিনা বানু অভিযোগ করেন, সব বৈধ কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরও কোনো শুনানি ছাড়াই তার আবেদন খারিজ করা হয়েছে। হৃদরোগে আক্রান্ত স্বামীর চিকিৎসা ও পরিবারের খাদ্য সহায়তা নিয়েও তিনি অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।
হুগলি জেলার দুই সরকারি স্কুল শিক্ষক ইমতিয়াজ আহমেদ ও তার ভাই মুন্সি সিদ্দিক আহমেদও ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন। তাদের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত রাজনৈতিক পদক্ষেপ, যার মূল প্রভাব পড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর।
এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ‘পশ্চিমবঙ্গ খেতমজুর সমিতি’ সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করলেও আদালত বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টে উপস্থাপনের পরামর্শ দিয়েছে।
আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী সঞ্জয় হেগড়ে বলেন, ভারতের সংবিধানের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের দৃষ্টিতে সবাই সমান। তার মতে, ভোটার তালিকার সঙ্গে সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পের কোনো আইনি সম্পর্ক নেই এবং ভোটার তালিকায় নাম না থাকাকে রাষ্ট্রীয় সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা সাংবিধানিক প্রশ্ন তৈরি করে।
অর্থনীতিবিদ জঁ ড্রেজ এই প্রক্রিয়াকে ‘অগোছালো, অবিশ্বস্ত ও স্বৈরাচারী’ বলে মন্তব্য করেছেন। তার ভাষায়, ভুলভাবে মানুষকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর তাদের রেশন বন্ধ করা ‘ক্ষতে নুনের ছিটা দেওয়ার’ মতো।
তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য সাগরিকা ঘোষও এই সিদ্ধান্তকে অমানবিক বলে উল্লেখ করেছেন। তার বক্তব্য, ত্রুটিপূর্ণ ও তড়িঘড়ি করে তৈরি একটি তালিকার ভিত্তিতে মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা ও মৌলিক সামাজিক অধিকার কেড়ে নেওয়া উচিত নয়।
ভোটার তালিকা সংশোধনের এই প্রক্রিয়া এখন পশ্চিমবঙ্গের লাখ লাখ প্রান্তিক মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
সংস্কার/ইএমই
ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণকে একই কাঠামোয় যুক্ত করে ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় রূপরেখা চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে লেবাননের দুটি প্রভাবশালী সুন্নি গোষ্ঠী। তাদের দাবি, এই চুক্তি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের শর্তের কাছে লেবাননের নিরাপত্তা সমর্পণের একটি ‘মলিন ও বিদ্বেষপূর্ণ প্রচেষ্টা’। বৈরুতে জরুরি বৈঠকের পর
দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর হওয়ার কথা। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা
ইসরায়েলের কারাগার ও আটককেন্দ্রে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর পদ্ধতিগত নির্যাতন এবং যৌন সহিংসতার অভিযোগ উঠে এসেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার একটি অনুসন্ধানী তথ্যচিত্রে। ‘বডিজ অব এভিডেন্স: ইসরায়েলস ডার্কেস্ট ওয়েপন’ শিরোনামের ওই তথ্যচিত্রে সাবেক বন্দীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে দাবি করা হয়েছে,
ইরানের প্রয়াত জেনারেল কাসেম সোলেইমানির পরিবারের দুই সদস্যকে যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সোলেইমানির ভাতিজি হামিদা সোলেইমানি আফশার এবং তার মেয়ে (সোলেইমানির নাতনি)। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম শনিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।