আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৩০ জুন ২০২৬ মঙ্গলবার: আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে ইরানের দীর্ঘদিনের প্রভাব কমাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ওমানের যৌথ উদ্যোগে একটি বিকল্প নৌপথ চালু হওয়ায় নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওমানের উপকূল ঘেঁষে গড়ে তোলা এই দক্ষিণাঞ্চলীয় নৌরুটটি এমনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে, যাতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলো ইরানের নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিরাপদে চলাচল করতে পারে।
সাবেক মার্কিন নৌবাহিনীর রিয়ার অ্যাডমিরাল মার্ক মন্টগোমারির দাবি, নতুন এই করিডোরে ইরান কোনো ধরনের টোল বা নিয়ন্ত্রণ আরোপ করতে পারবে না। তার মতে, এ কারণেই তেহরান এই রুট ব্যবহারকারী জাহাজে হামলা চালিয়েছে।
মেরিটাইম গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান উইন্ডওয়ার্ডের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী প্রায় অর্ধেক বাণিজ্যিক জাহাজ ইতোমধ্যে নতুন দক্ষিণ রুট ব্যবহার শুরু করেছে। এতে হরমুজ প্রণালী বন্ধের হুমকি দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরান যে কৌশলগত সুবিধা পেত, তা অনেকটাই কমে যেতে পারে।
মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিটের সাবেক কমান্ডার ভাইস অ্যাডমিরাল কেভিন ডনেগান বলেন, ইরানের লক্ষ্য পুরোপুরি জাহাজ চলাচল বন্ধ করা নয়; বরং হামলার মাধ্যমে সামুদ্রিক বীমা ব্যয় বাড়িয়ে রুটটিকে বাণিজ্যিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলা এবং যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পরীক্ষা করা।
সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালায়। জবাবে ইরানও মার্কিন স্থাপনায় আঘাত হানে। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাময়িক যুদ্ধবিরতি এবং কাতারের দোহায় আলোচনার ঘোষণা দিলেও, মঙ্গলবার (৩০ জুন) তেহরান মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসার বিষয়টি অস্বীকার করে।
যুদ্ধবিরতির সমঝোতা অনুযায়ী আগামী ৬০ দিন এই রুটে কোনো টোল ছাড়াই জাহাজ চলাচলের কথা রয়েছে। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সতর্ক করে বলেছেন, এই সময়ের পরও কোনো টোল আরোপ করতে দেওয়া হবে না এবং প্রয়োজন হলে মার্কিন সামরিক শক্তি তা নিশ্চিত করবে। তবে ইরান এই সমঝোতাকে নিজেদের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছে এবং ভবিষ্যতের নৌ-ব্যবস্থাপনায় অংশীদারিত্ব দাবি করছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরতা কমাতে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত বিকল্প অবকাঠামো গড়ে তুলছে। সৌদি আরব ‘ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন’-এ বড় বিনিয়োগ করেছে, আর সংযুক্ত আরব আমিরাত ফুজাইরাহ বন্দর দিয়ে তেল রপ্তানির সক্ষমতা বাড়িয়েছে, যাতে হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে বাণিজ্য পরিচালনা করা যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, যত বেশি তেল ও পণ্য বিকল্প পথে পরিবহন হবে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ইরানের চাপ সৃষ্টি বা প্রভাব বিস্তারের সক্ষমতা ততই কমবে। ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডোরে একক প্রভাব ধরে রাখার লড়াইয়ে তেহরান ক্রমেই চাপে পড়ছে।
সংস্কার/ইএমই
ফিলিস্তিন সংকটের স্থায়ী সমাধান এবং মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র কার্যকর পথ হলো স্বাধীন দ্বি-রাষ্ট্র ব্যবস্থা বাস্তবায়ন, এমন মন্তব্য করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ন্যাটোর এক বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে এরদোয়ান বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যুই মধ্যপ্রাচ্যের চলমান
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান হামলায় নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ৬৬ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে আহত হয়েছেন অন্তত ১ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৪ জন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত অক্টোবরে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পরও হামলা অব্যাহত রয়েছে। ওই
হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমাতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনার টেবিলে বসতে যাচ্ছে। মার্কিন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, উভয় দেশ সাময়িকভাবে পারস্পরিক হামলা ও পাল্টা হামলা বন্ধ রাখতে সম্মত হয়েছে। সংকট নিরসনের লক্ষ্যে আগামী মঙ্গলবার কাতারের রাজধানী দোহায় দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের
দখলকৃত পশ্চিম তীরে ২০২৫ সালে অন্তত ৫৪ জন ফিলিস্তিনি শিশু ও কিশোরকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা ‘বি’সেলেম’ জানিয়েছে, ১৯৬৭ সালে পশ্চিম তীর দখলের পর এক বছরে শিশু নিহতের এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যা। অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যবেক্ষণকারী সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়,