আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫: মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের নিখোঁজ ফ্লাইট এমএইচ ৩৭০ নিয়ে রহস্য ও বিতর্ক আজও থামেনি। প্রায় ১১ বছর আগে ২৩৯ জন যাত্রী ও ক্রু সদস্য নিয়ে উধাও হয়ে যাওয়া এই বিমানটির অন্তর্ধান এখনও বিশ্ববাসীর কাছে অমীমাংসিত। সেই রহস্যের জট খুলতে দীর্ঘ বিরতির পর আবারও শুরু হয়েছে নতুন তল্লাশি অভিযান। চলতি বছরের ৩০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার ভারত মহাসাগরের গভীর সমুদ্রে বিশেষ রোবোটিক যান নামানো হয়েছে। এই যানের মাধ্যমে সমুদ্রের তলদেশে বিমানের সম্ভাব্য ধ্বংসাবশেষ খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হবে। প্রায় ১১ বছর আগে নিখোঁজ হওয়া ফ্লাইটটির সন্ধান পেতেই এই অভিযান।
আমেরিকা ও ব্রিটেনের যৌথ সংস্থা ওশান ইনফিনিটি এই তল্লাশি অভিযানের দায়িত্ব নিয়েছে। এ বিষয়ে মালয়েশিয়া সরকার সংস্থাটির সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে। চুক্তি অনুযায়ী, যদি ফ্লাইট এমএইচ ৩৭০ এর ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়া যায়, তবে সংস্থাটিকে ৭০ মিলিয়ন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৫৭ কোটি টাকা) পারিশ্রমিক দেওয়া হবে। তবে কোনো হদিশ না মিললে কোনো অর্থ প্রদান করা হবে না। এর আগেও চলতি বছরের শুরুতে ফ্লাইট এমএইচ ৩৭০ এর খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছিল। কিন্তু প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এপ্রিল মাসে সেই অভিযান বন্ধ করতে হয়। পরে চলতি বছরের ডিসেম্বরে নতুন করে প্রায় ৫৫ দিন ধরে ভারত মহাসাগরের নিচে প্রায় ৫ হাজার ৮০০ বর্গমাইল এলাকা জুড়ে অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে।
২০১৪ সালের ৮ মার্চ কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেছিল ফ্লাইট এমএইচ ৩৭০। যাত্রাপথে হঠাৎ করেই বিমানটি রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ওই ফ্লাইটে ১৫৩ জন চীনা নাগরিক ছাড়াও মালয়েশিয়া, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স ও আমেরিকার মোট ৩৮ জন নাগরিক ছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে ভারত মহাসাগরের তলদেশে প্রায় ৪৬ হাজার বর্গমাইল এলাকায় তল্লাশি চালানো হলেও কোনো চূড়ান্ত ফল পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া ও চীন যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান বন্ধ করার ঘোষণা দেয়।
এর আগে অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, চীন, আমেরিকা ও ভারতের একাধিক সংস্থা ফ্লাইটটির খোঁজে অনুসন্ধান চালায়। তবে নিশ্চিত কোনো তথ্য মেলেনি। পরবর্তীতে আফ্রিকার উপকূল এবং ভারত মহাসাগরের বিভিন্ন দ্বীপে মাঝে মাঝে বিমানের ধ্বংসাবশেষ ভেসে আসতে দেখা যায়। গবেষকদের ধারণা, সেগুলো ফ্লাইট এমএইচ ৩৭০-এর অংশ হতে পারে। এসব কারণেই আবারও ভারত মহাসাগরে নতুন করে তল্লাশি শুরু করা হয়েছে।
ফ্লাইটটি কীভাবে এবং কেন নিখোঁজ হয়েছিল, সে প্রশ্নের উত্তর আজও অজানা। ফলে যাত্রীদের পরিবার এখনো অপেক্ষায় রয়েছেন প্রিয়জনদের শেষ পরিণতি জানার জন্য। মালয়েশিয়া সরকারের আশা, আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে এবার সমুদ্রের এমন সব এলাকায় অনুসন্ধান চালানো সম্ভব হবে, যেখানে আগে তল্লাশি করা যায়নি। নতুন এই অভিযান সফল হলে দীর্ঘদিনের এক রহস্যের অবসান হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংস্কার/ইএমই
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৯০ লাখ মানুষের নাম বাদ পড়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও মানবিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার ঘোষণা করেছে, ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গেছে, তারা সরকারি
ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং হিজবুল্লাহর নিরস্ত্রীকরণকে একই কাঠামোয় যুক্ত করে ওয়াশিংটনে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় রূপরেখা চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে লেবাননের দুটি প্রভাবশালী সুন্নি গোষ্ঠী। তাদের দাবি, এই চুক্তি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের শর্তের কাছে লেবাননের নিরাপত্তা সমর্পণের একটি ‘মলিন ও বিদ্বেষপূর্ণ প্রচেষ্টা’। বৈরুতে জরুরি বৈঠকের পর
দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। আগামী শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর হওয়ার কথা। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের সঙ্গে সমঝোতা
ইসরায়েলের কারাগার ও আটককেন্দ্রে ফিলিস্তিনি বন্দীদের ওপর পদ্ধতিগত নির্যাতন এবং যৌন সহিংসতার অভিযোগ উঠে এসেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার একটি অনুসন্ধানী তথ্যচিত্রে। ‘বডিজ অব এভিডেন্স: ইসরায়েলস ডার্কেস্ট ওয়েপন’ শিরোনামের ওই তথ্যচিত্রে সাবেক বন্দীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে দাবি করা হয়েছে,