আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১ জুলাই ২০২৬ বুধবার: বিশ্বের বাণিজ্যিক মহাকাশ উৎক্ষেপণ বাজারে বর্তমানে ইলন মাস্কের পুনর্ব্যবহারযোগ্য রাসায়নিক রকেটের প্রাধান্য থাকলেও, চীন সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রযুক্তির দিকে এগোচ্ছে। ‘পৃথিবীর ছাদ’ নামে পরিচিত তিব্বত মালভূমির কাছাকাছি একটি শহরে গবেষকরা এমন একটি তড়িৎচৌম্বক বা বৈদ্যুতিক উৎক্ষেপণ প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন, যা রাসায়নিক ইঞ্জিন চালুর আগেই বিদ্যুৎশক্তির মাধ্যমে রকেটকে গতি দেবে। সফল হলে এটি জ্বালানি খরচ কমাবে, বহনক্ষমতা বাড়াবে, কক্ষপথে পৌঁছানোর ব্যয় কমাবে এবং চীনের দ্রুত বিকাশমান বাণিজ্যিক মহাকাশ শিল্পকে আরও শক্তিশালী করবে।
চীনের উৎক্ষেপণ প্রযুক্তি ও ভারী রকেট উন্নয়নের ধারাবাহিক অগ্রগতির অংশ হিসেবে গত মার্চের শেষ দিকে জিয়াং শহর সরকার জানায়, একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান উচ্চ-তাপমাত্রার অতিপরিবাহী নেভিগেশন ব্যবস্থা সফলভাবে পরীক্ষা করেছে। তাদের দাবি, এটি তড়িৎচৌম্বক রকেট উৎক্ষেপণ প্রযুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। এই পরীক্ষা জাতীয় গবেষণা কর্মসূচির অংশ, যেখানে শক্তিশালী তড়িৎচৌম্বক ব্যবস্থার মাধ্যমে উৎক্ষেপণের শুরুতেই রকেটকে অতিরিক্ত গতি দিয়ে রাসায়নিক প্রপালশনের ওপর নির্ভরতা কমানোর সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে।
গবেষকদের মতে, এ প্রযুক্তি উৎক্ষেপণের দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি আরও ঘন ঘন এবং পরিবেশবান্ধব মহাকাশ অভিযান পরিচালনায় সহায়ক হতে পারে। যদিও এটি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে, তবুও এটি উন্নত অতিপরিবাহী প্রকৌশল ও মহাকাশ প্রযুক্তিতে চীনের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের প্রতিফলন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেইজিংভিত্তিক এক মহাকাশ বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, চিংহাই-তিব্বত মালভূমির উচ্চতা ও পাতলা বায়ুমণ্ডল কাজে লাগিয়ে তড়িৎচুম্বকীয় উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা তৈরির ধারণা দুই দশকেরও বেশি আগে চীনের তরুণ মহাকাশ গবেষকেরা দিয়েছিলেন। তাঁর মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও প্রকৌশলগতভাবে এটি সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চিংহাই-তিব্বত মালভূমির উচ্চতা ও পাতলা বায়ুমণ্ডল বায়ুর বাধা কমিয়ে প্রচলিত ইঞ্জিন চালুর আগেই রকেটকে আরও কার্যকরভাবে গতি অর্জনে সহায়তা করতে পারে। তবে প্রকল্পটি এখনো গবেষণা পর্যায়ে রয়েছে এবং এ ধরনের উৎক্ষেপণ কেন্দ্র নির্মাণের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি চীন।
এদিকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য রকেট, বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ সেবা, চন্দ্র অভিযান এবং স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কে ধারাবাহিক বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে দেশটি। প্রচলিত উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার পাশাপাশি তড়িৎচুম্বকীয় প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা মহাকাশ খাতে উদ্ভাবনী প্রকৌশল সমাধান অনুসরণে চীনের আগ্রহেরই প্রমাণ। বিশ্লেষকদের মতে, এসব পরীক্ষামূলক প্রযুক্তি উৎক্ষেপণের দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরশীলতা জোরদার এবং আন্তর্জাতিক মহাকাশ শিল্পে নতুন সক্ষমতা গড়ে তোলার বৃহত্তর কৌশলের অংশ।
সংস্কার/ইএমই
ইরানের কাছে পারমাণবিক বোমা রয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এমন দাবিকে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সাবেক সেনাপ্রধান এবং বর্তমান বিরোধী দল ‘ইয়াশার’ পার্টির প্রধান গাদি আইজেনকোট। ইসরায়েলি দৈনিক ইয়েদিওথ আহরোনথ-এর তথ্য অনুযায়ী, মধ্য ইসরায়েলের এক সম্মেলনে তিনি বলেন,
ভারতের কেরালা রাজ্যের সরকারি গেজেটের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে ইসলাম গ্রহণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ও খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণের প্রবণতাও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে পরিসংখ্যানে দেখা গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে কেরালায় ৪০ জন ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করলেও ১৪৪ জন
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দেশটির সর্বোচ্চ আইনসভা ‘ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস’ (এনপিসি) থেকে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ৬ জন শীর্ষ জেনারেলসহ মোট ১৩ জন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া একজন সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার রাতে এনপিসির স্থায়ী কমিটির
লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়ে আছেন এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৫১ হাজার ছাড়িয়েছে। উদ্ধার অভিযান ধীরগতিতে চলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।