অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

ভেনেজুয়েলায় ও মাদুরোকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক : চাপের মুখে ট্রাম্প

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ৪ জানুয়ারী ২০২৬: ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে কথিত গ্রেপ্তার করার ঘটনাকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। দুই দেশের মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই এই ঘটনা ঘটে। ওয়াশিংটন ডিসিতে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের মধ্যে এ নিয়ে স্পষ্ট বিভাজন তৈরি হয়েছে।

শনিবার ডেমোক্র্যাট দলের আইনপ্রণেতারা দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা ও এর প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেওয়া পদক্ষেপের কঠোর নিন্দা জানান। তাদের দাবি, এসব পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান লঙ্ঘন করেছে এবং কংগ্রেসের প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির সদস্যরা এই হামলাকে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচার ঠেকাতে প্রশাসনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সমর্থন জানিয়েছেন।

ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান রাশিদা তালিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ট্রাম্পের উসকানি ছাড়াই ভেনেজুয়েলায় বোমা হামলা এবং দেশটির প্রেসিডেন্টকে অপহরণ আন্তর্জাতিক আইন ও যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের গুরুতর লঙ্ঘন। তিনি এসব পদক্ষেপকে একটি বেপরোয়া রাষ্ট্রের কাজ বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, আমেরিকান জনগণ বিদেশে আরেকটি সরকার পরিবর্তনের যুদ্ধ চায় না।

ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যান্ডি কিম অভিযোগ করেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ গত মাসে সিনেট ব্রিফিংয়ে আইনপ্রণেতাদের কাছে মিথ্যা বলেছিলেন। তখন তারা বলেছিলেন, ভেনেজুয়েলার ওপর চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্য সরকার পরিবর্তন নয়। কিম বলেন, তিনি তখনই এই বক্তব্য বিশ্বাস করেন নি এবং এখন স্পষ্ট হয়েছে যে কংগ্রেসের কাছে মিথ্যা বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সংবিধান অনুযায়ী সশস্ত্র সংঘাতে জড়াতে যে অনুমোদন প্রয়োজন, ট্রাম্প তা এড়িয়ে গেছেন, কারণ প্রশাসন জানে, আমেরিকান জনগণ আরেকটি যুদ্ধে জড়াতে চায় না। কিমের মতে, এই হামলা শক্তির পরিচয় নয় এবং এটি কোনো সুস্থ পররাষ্ট্রনীতিও নয়। তিনি সতর্ক করেন, এতে ভেনেজুয়েলা ও গোটা অঞ্চলে থাকা আমেরিকানদের ঝুঁকি বাড়বে এবং বিশ্বনেতাদের কাছে ভয়ংকর বার্তা যাবে।

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের প্রতিরক্ষা বিষয়ক অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস সাবকমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান বেটি ম্যাককলাম ট্রাম্পকে অবিলম্বে ভেনেজুয়েলায় হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া পদক্ষেপগুলো স্পষ্টতই অবৈধ। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলা যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য কোনো তাৎক্ষণিক হুমকি নয় এবং কংগ্রেস এই অঞ্চলে শক্তি প্রয়োগের অনুমোদন দেয় নি। তিনি রিপাবলিকান হাউস স্পিকার মাইক জনসনকে এই নিয়ন্ত্রণহীন প্রেসিডেন্টকে লাগাম পরাতে প্রতিনিধি পরিষদের অধিবেশন পুনরায় ডাকার আহ্বান জানান।

ডেমোক্র্যাট সিনেটর রুবেন গালেগো বলেন, এই যুদ্ধ অবৈধ। তার মতে, এক বছরেরও কম সময়ে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব পুলিশের ভূমিকা থেকে বিশ্ব মস্তানে পরিণত হয়েছে, যা লজ্জাজনক। তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর কোনো কারণ নেই। ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান জিম ম্যাকগভর্ন কংগ্রেসের নজরদারির অভাব নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই এবং অধিকাংশ আমেরিকানের বিরোধিতা সত্ত্বেও ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার ওপর অযৌক্তিক ও অবৈধ হামলা চালিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি লেখেন, স্বাস্থ্যসেবার জন্য অর্থ নেই বলা হলেও যুদ্ধের জন্য নাকি সীমাহীন অর্থ রয়েছে।

রিপাবলিকান হাউস স্পিকার মাইক জনসন ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলাকে আমেরিকান জীবন রক্ষার জন্য একটি সিদ্ধান্তমূলক ও ন্যায্য অভিযান বলে মন্তব্য করেন। রিপাবলিকান সিনেটর মাইক লি, যিনি আগে ভেনেজুয়েলা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির সমালোচনা করেছিলেন, জানান যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাকে বলেছেন, মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে ফৌজদারি অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করার জন্য গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার করার অভিযান প্রমাণ করে যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার কথা বাস্তবে রূপ দেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশেষজ্ঞ, বিশ্বনেতা ও মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সমালোচনার জবাবে বলেন, যারা এই পদক্ষেপকে অবৈধ বলছেন তাদের উদ্দেশে একটি বার্তা, মাদুরোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে নার্কো-সন্ত্রাসবাদের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। কারাকাসের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে থাকলেই যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারের অভিযোগ থেকে কেউ রেহাই পেতে পারে না। উল্লেখ্য, শনিবারের হামলার আগে ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন, ভেনেজুয়েলার তেল ওয়াশিংটনের সম্পত্তি। তারা দেশটির তেল শিল্প জাতীয়করণকে চুরি হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। (আল-জাজিরা)

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

কেরালায় ইসলাম গ্রহণ বেড়েছে : হিন্দু ধর্ম ত্যাগও ঊর্ধ্বমুখী

ভারতের কেরালা রাজ্যের সরকারি গেজেটের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে ইসলাম গ্রহণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ও খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণের প্রবণতাও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে পরিসংখ্যানে দেখা গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে কেরালায় ৪০ জন ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করলেও ১৪৪ জন

দুর্নীতির অভিযোগে চীনের আইনসভা থেকে ১৩ সদস্য অপসারণ

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দেশটির সর্বোচ্চ আইনসভা ‘ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস’ (এনপিসি) থেকে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ৬ জন শীর্ষ জেনারেলসহ মোট ১৩ জন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া একজন সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার রাতে এনপিসির স্থায়ী কমিটির

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্প : মৃত ৯২০ নিখোঁজ ৫১০০০ এর বেশি

লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়ে আছেন এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৫১ হাজার ছাড়িয়েছে। উদ্ধার অভিযান ধীরগতিতে চলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

যাবজ্জীবন রায়ের পর হুমকির মুখে মধ্যপ্রদেশের নারী বিচারক

ভারতের মধ্যপ্রদেশে ২০২২ সালের এক গণপিটুনি হত্যা মামলায় ১৪ জন তথাকথিত ‘গো-রক্ষক’কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান প্রাণনাশের হুমকি ও সাম্প্রদায়িক আক্রমণের মুখে পড়েছেন। ঘটনাটি দেশজুড়ে বিচারকদের নিরাপত্তা ও বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা