আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে জোরপূর্বক আটক করার ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। গত ৩ জানুয়ারি ভোরে রাজধানী কারাকাসে বিস্ফোরণ ও সাইরেনের শব্দে নববর্ষের শান্ত পরিবেশ ভেঙে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্র বিশেষ সামরিক অভিযান এর নামে এ অভিযান চালায়।
৫ জানুয়ারি সকালে হাতকড়া পরানো অবস্থায় মাদুরোকে নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট ফেডারেল আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে অপহৃত বৈধ প্রেসিডেন্ট দাবি করেন। বিচারক তাঁর জামিন আবেদন নাকচ করে ১৭ মার্চ পুনরায় হাজিরার নির্দেশ দেন। এ ঘটনাকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নগ্ন হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান মন্তব্য করেছে, এটি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা নয়; বরং আন্তর্জাতিক আইনের ঊর্ধ্বে নিজেকে স্থাপন করার শামিল।
৪ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ সাংবাদিকদের বলেন, ভেনেজুয়েলা এখন যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে এবং দেশটির সম্পদের ওপর পূর্ণ প্রবেশাধিকার চায় ওয়াশিংটন। তিনি ভেনেজুয়েলার নতুন ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজকে হুমকি দিয়ে বলেন, সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে মাদুরোর চেয়েও ভয়াবহ পরিণতি হবে এবং দ্বিতীয় দফা হামলার হুঁশিয়ারি দেন। এতে সম্পদ লুণ্ঠনের আশঙ্কা ও লাতিন আমেরিকাজুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে।
মার্কিন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মহলে বিরল ঐক্য দেখা গেছে। জাতিসংঘ বলেছে, কোনো দেশ একতরফাভাবে সামরিক শক্তি ব্যবহার করে তথাকথিত বিচারিক রায় কার্যকর করতে পারে না; অবৈধ শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধ করাই আন্তর্জাতিক আইনের মূল ভিত্তি। কলম্বিয়া, ব্রাজিল ও মেক্সিকোসহ বহু লাতিন আমেরিকান দেশ রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে। এমনকি ভেনেজুয়েলা সরকারের কট্টর সমালোচকরাও সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করেছে।
চীন ও রাশিয়া ঘটনাটিকে আন্তর্জাতিক আইনের প্রকাশ্য লঙ্ঘন বলেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরীণ শাসন নিয়ে সতর্ক থাকলেও জাতিসংঘ সনদের মূলনীতি রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এতে সার্বভৌম সমতা ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতিই আন্তর্জাতিক সমাজের ন্যূনতম মানদণ্ড হিসেবে আবারও উঠে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘটনা আন্তর্জাতিক আইনের কর্তৃত্ব দুর্বল করার নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে। নিজ দেশের আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার অজুহাতে ভিনদেশে অভিযান চালিয়ে রাষ্ট্রপ্রধানকে আটক করা কার্যত আন্তর্জাতিক অপহরণ এর শামিল। এতে শক্তিশালী দেশ নিজেই বিচারক, পুলিশ ও শাস্তিদাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হচ্ছে।
এছাড়া, এই দক্ষ কিন্তু বিধ্বংসী মডেল কূটনীতি এড়িয়ে সামরিক শক্তি প্রয়োগের ঝুঁকিপূর্ণ প্রবণতা উসকে দিতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে এ পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের নৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি ভেনেজুয়েলার সংকটে আরও জড়িয়ে পড়া এবং লাতিন আমেরিকায় প্রভাব দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে।
সংস্কার/ইএমই
ভারতের কেরালা রাজ্যের সরকারি গেজেটের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে ইসলাম গ্রহণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ও খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণের প্রবণতাও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে পরিসংখ্যানে দেখা গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে কেরালায় ৪০ জন ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করলেও ১৪৪ জন
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দেশটির সর্বোচ্চ আইনসভা ‘ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস’ (এনপিসি) থেকে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ৬ জন শীর্ষ জেনারেলসহ মোট ১৩ জন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া একজন সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার রাতে এনপিসির স্থায়ী কমিটির
লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়ে আছেন এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৫১ হাজার ছাড়িয়েছে। উদ্ধার অভিযান ধীরগতিতে চলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
ভারতের মধ্যপ্রদেশে ২০২২ সালের এক গণপিটুনি হত্যা মামলায় ১৪ জন তথাকথিত ‘গো-রক্ষক’কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান প্রাণনাশের হুমকি ও সাম্প্রদায়িক আক্রমণের মুখে পড়েছেন। ঘটনাটি দেশজুড়ে বিচারকদের নিরাপত্তা ও বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা