আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৪ এপ্রিল ২০২৬ মঙ্গলবার: সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও বিপন্ন প্রজাতির অস্তিত্ব রক্ষায় আজ মধ্যরাত থেকে বঙ্গোপসাগরের ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ৫৮ দিনের জন্য সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ পদক্ষেপে দেশের মৎস্যসম্পদ আরও সমৃদ্ধ হবে।
নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড, র্যাব, নৌ ও জেলা পুলিশকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এ সময় ঢাকাসহ বরিশাল ও চট্টগ্রামে জেলে, মৎস্যজীবী ও গণমাধ্যমের সঙ্গে সমন্বয় রাখছে মৎস্য অধিদপ্তর।
নিষিদ্ধকালীন সময়ে উপকূলের ১৪ জেলার ৬৯ উপজেলার ৩ লাখ ১২ হাজার ৫০০ জেলে পরিবারকে সহায়তা হিসেবে মাসে ৪০ কেজি হারে মোট ৭৭.৩৩ কেজি করে চাল দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে মোট ২৪ হাজার ১৬৬ টন চাল বিনামূল্যে বিতরণ করবে সরকার, যা ৩১ মে’র মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা রয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৯ পরিবার পাবে ১১ হাজার ২৯২ টন চাল।
বাংলাদেশের ৭১০ কিলোমিটার উপকূল ও ২০০ নটিক্যাল মাইলের একান্ত অর্থনৈতিক এলাকায় প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৬০ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রজুড়ে ৪৭৫ প্রজাতির মাছসহ নানা জলজ সম্পদ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৩৬ প্রজাতির চিংড়ি, ৫ প্রজাতির লবস্টার, ১৫ প্রজাতির কাঁকড়া, ৫ প্রজাতির কচ্ছপ ও ১৩ প্রজাতির প্রবাল।
মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনের প্রায় ১৩ শতাংশ আসে সামুদ্রিক মাছ থেকে। প্রায় ৫.১৬ লাখ জেলে ২৫৫টি বাণিজ্যিক ট্রলার, ৩৩ হাজার ইঞ্জিনচালিত ও ৩৫ হাজার ইঞ্জিনবিহীন নৌকায় মাছ আহরণ করেন। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে উৎপাদিত ৫০.১৮ লাখ টন মাছের মধ্যে প্রায় ৬.৩০ লাখ টন ছিল সামুদ্রিক মাছ।
মৎস্য বিজ্ঞানীরা বলছেন, অতিরিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত আহরণের কারণে অনেক প্রজাতির মাছ বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। ফলি, চান্দা, সার্ডিন (চাপিলা), বস্তার পোয়া ও লক্ষা মাছ প্রায় নিঃশেষের পথে। তবে রূপচাঁদা, কলম্বো, মরিচ ও সাদা পোয়া এখনও টিকে আছে।
বিজ্ঞানীদের মতে, টেকসই উন্নয়নের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা বন্ধ রাখা জরুরি। তাই নতুন ট্রলারের লাইসেন্স বন্ধ রাখা হয়েছে এবং ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হচ্ছে।
বিশ্বব্যাপী অতিরিক্ত আহরণ, দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সামুদ্রিক সম্পদ হুমকির মুখে পড়েছে। ফলে প্রজাতির বৈচিত্র্য ও উৎপাদন কমছে এবং জেলেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ও আয় বৈষম্য বাড়ছে।
এদিকে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে নিষেধাজ্ঞার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ১৫ এপ্রিল থেকে ৪৫ দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকলেও মিয়ানমারে জুন-আগস্ট নিষেধাজ্ঞা থাকায় ওই সময় তাদের জেলেদের অনুপ্রবেশের আশঙ্কা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কঠোরভাবে এ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষা ও বৃদ্ধি সম্ভব হবে।
সংস্কার/ইএমই
ডাক বিভাগে অনিয়ম ও অর্থ লোপাটের অভিযোগ যেন থামছেই না। একের পর এক প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলেও এখনো পর্যন্ত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে তৈরি হয়েছে দায়মুক্তির সংস্কৃতি। ফলে ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানে নতুন নতুন পদ্ধতিতে অর্থ লুটপাটের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
দিনমজুরের সন্তান মো. বাবুল মিয়া, যিনি একসময় কাঁচাবাজারে কুলি ও পরে ভাতের হোটেলে রান্নার কাজ করতেন, বর্তমানে বিপুল সম্পদের মালিক, এমন অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। তিনি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বাসায় বাবুর্চি হিসেবে কাজ করতেন। জানা যায়, প্রায় এক যুগ আগে ঢাকার ফার্মগেটের
ঢাকার সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার অবাধ চলাচল এখন নগরবাসীর জন্য বড় উদ্বেগ ও বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে। ট্রাফিক জট, সড়ক নিরাপত্তা ঝুঁকি, বিদ্যুৎ চুরি এবং অনিয়ন্ত্রিত নগর ব্যবস্থাপনার কারণে এই যানবাহন উচ্ছেদের দাবি জোরালো হচ্ছে। রাজধানীর অলিগলি, আবাসিক এলাকা ও সংযোগ সড়কে
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার আকবর হোসেন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার ১০ এপ্রিল ২০২৬ রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক কারণে তার পক্ষে দায়িত্ব