অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবার প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ২১ জানুয়ারী ২০২৬: নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় কূটনীতিকদের জন্য নন-ফ্যামিলি পোস্টিং ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দিল্লি। এর ফলে ঢাকাস্থ ভারতীয় কূটনীতিকদের নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের আপাতত ভারতে ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটে অবস্থিত ভারতের পাঁচটি কূটনৈতিক মিশন পূর্ণ শক্তিতেই কার্যক্রম চালিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়, মঙ্গলবার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিরা জানান, চরমপন্থী ও উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য হুমকির কারণে কূটনীতিক ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে হাই কমিশন ও চারটি সহকারী হাই কমিশনে কর্মরত কর্মকর্তাদের পরিবারকে আপাতত দেশে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, কূটনীতিকদের পরিবার কবে আবার বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট সিদ্ধান্ত হয়নি। একই সঙ্গে নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় কূটনীতিকদের সংখ্যা সম্পর্কেও বিস্তারিত জানানো হয়নি।

নন-ফ্যামিলি পোস্টিং ভারতীয় কূটনীতিকদের জন্য অন্যতম কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত। বর্তমানে পাকিস্তানেও ভারতীয় কূটনীতিকদের জন্য নো-চিলড্রেন পোস্টিং কার্যকর রয়েছে, যেখানে স্ত্রীদের থাকার অনুমতি থাকলেও সন্তানদের নেই।

ভারত বারবার বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলেছে, যদিও ঢাকা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। একই সঙ্গে উগ্রপন্থী সংগঠনগুলোর কার্যকলাপের দিকেও চোখ বন্ধ করে থাকার অভিযোগ করেছে নয়াদিল্লি।

২০২৪ সালের আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বিক্ষোভের জেরে নয়াদিল্লি ও ঢাকায় উভয় দেশের কূটনৈতিক মিশনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। গত মাসে চট্টগ্রামে ভারতীয় মিশনের বাইরে বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে।

এদিকে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনে বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসতে পারে বলে ধারণা করা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে ভারত। সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নেন এবং দলের বর্তমান চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এসব পদক্ষেপ বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত দেয়।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

কেরালায় ইসলাম গ্রহণ বেড়েছে : হিন্দু ধর্ম ত্যাগও ঊর্ধ্বমুখী

ভারতের কেরালা রাজ্যের সরকারি গেজেটের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক বছরে ইসলাম গ্রহণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ও খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণের প্রবণতাও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে পরিসংখ্যানে দেখা গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে কেরালায় ৪০ জন ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করলেও ১৪৪ জন

দুর্নীতির অভিযোগে চীনের আইনসভা থেকে ১৩ সদস্য অপসারণ

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দেশটির সর্বোচ্চ আইনসভা ‘ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস’ (এনপিসি) থেকে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ৬ জন শীর্ষ জেনারেলসহ মোট ১৩ জন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া একজন সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার রাতে এনপিসির স্থায়ী কমিটির

ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্প : মৃত ৯২০ নিখোঁজ ৫১০০০ এর বেশি

লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়ে আছেন এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৫১ হাজার ছাড়িয়েছে। উদ্ধার অভিযান ধীরগতিতে চলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

যাবজ্জীবন রায়ের পর হুমকির মুখে মধ্যপ্রদেশের নারী বিচারক

ভারতের মধ্যপ্রদেশে ২০২২ সালের এক গণপিটুনি হত্যা মামলায় ১৪ জন তথাকথিত ‘গো-রক্ষক’কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান প্রাণনাশের হুমকি ও সাম্প্রদায়িক আক্রমণের মুখে পড়েছেন। ঘটনাটি দেশজুড়ে বিচারকদের নিরাপত্তা ও বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা