অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

৮০০ কোটি ইউরো পাচার অভিযোগে সাইপ্রাসে এস আলমের বাড়ি জব্দ

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ২৯ মে ২০২৬ শুক্রবার: আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রায় ৮০০ কোটি ইউরো পাচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের শিল্পগোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার স্ত্রীর মালিকানাধীন একটি সম্পত্তি জব্দ করেছে সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষ। ব্যাংক জালিয়াতি, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চলমান আন্তর্জাতিক তদন্তের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সাইপ্রাসের নিকোসিয়া জেলা আদালত গত ১৯ মে সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেন। সাইপ্রাসের অর্থপাচার প্রতিরোধ ইউনিটের আবেদনের ভিত্তিতে এ আদেশ জারি করা হয়। বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে দুই দেশের পারস্পরিক আইনি সহায়তা চুক্তির আওতায় তদন্তে সহযোগিতা শুরু হয়েছে।

আদালতের নির্দেশে সাইপ্রাসের পারেক্লিশা এলাকায় অবস্থিত সাইফুল আলমের একটি বিলাসবহুল দোতলা বাড়ি জব্দ করা হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট নথিতে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে একটি জটিল প্রতিষ্ঠানিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশি তদন্তকারীদের তথ্যমতে, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এস আলম গ্রুপ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ নেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব ঋণের বড় অংশ খেলাপি হয়ে যায় এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ বিভিন্ন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পাচার করা হয়।

তদন্তের অংশ হিসেবে ২০১৬ সালে সাইফুল আলমের মালিকানাধীন সাইপ্রাসভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ, জার্সি ও সাইপ্রাসে নিবন্ধিত একাধিক ট্রাস্ট ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লেনদেন পরীক্ষা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক আর্থিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগও রয়েছে।

সম্পত্তি জব্দের আদেশের একদিন পর বাংলাদেশেও আইনি জটিলতায় পড়েন সাইফুল আলম। একটি মামলায় তাকে এবং তার ১০ জন আত্মীয় ও সহযোগীকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযোগ ছিল, ইসলামী ব্যাংক থেকে নেওয়া প্রায় ৬০ লাখ ইউরোর ঋণে ১৩৪টি বাস কেনার কথা থাকলেও বাস্তবে বাস কেনা হয়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সম্প্রতি জানিয়েছেন, এস আলম সংশ্লিষ্ট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশ থেকে প্রায় ৮ বিলিয়ন ইউরো বা ৮০০ কোটি ইউরোর বেশি অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এই অর্থের একটি অংশ সাইপ্রাস, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে সম্পত্তি ও বিনিয়োগে ব্যবহৃত হয়েছে।

তবে মোহাম্মদ সাইফুল আলম তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার পক্ষে আন্তর্জাতিক আইন সংস্থা কুইন ইমানুয়েল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তার সব আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বৈধ বৈদেশিক আয়ের মাধ্যমে পরিচালিত এবং সম্পত্তি জব্দের পদক্ষেপটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

এদিকে তিনি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ বিরোধ নিষ্পত্তি সংস্থায় আইনি লড়াই শুরু করেছেন। তার দাবি, সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তির পরিপন্থী।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সাইপ্রাসের গোল্ডেন পাসপোর্ট কর্মসূচির মাধ্যমে দেশটির নাগরিকত্ব পান সাইফুল আলম। পরে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে সমালোচনার মুখে কর্মসূচিটি বন্ধ করে দেয় সাইপ্রাস সরকার।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

রাজস্ব সংকট : টিনধারী ৭২ লাখ ব্যক্তি আয়কর জমা দেন না

দেশের ১ কোটি ২৮ লাখ টিনধারীর মধ্যে ৭২ লাখ ব্যক্তি আয়কর জমা দেন না এবং ৪৬ লাখ রিটার্নও দাখিল করেন না বলে জানিয়েছেন কানাডাভিত্তিক অর্থনীতিবিদ ড. খান জহিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, কর আদায়ের দুর্বলতা বাংলাদেশের রাজস্ব খাতের অন্যতম বড় সমস্যা।

ব্যাংক খাতের লুটপাট :  একটি গ্রুপই নিয়ে গেছে ১ লাখ ৯০০ হাজার কোটি টাকা

রাজনৈতিক প্রভাব ও দুর্নীতির কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত প্রায় ধ্বংসের মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন কানাডাভিত্তিক অর্থনীতিবিদ ড. খান জহিরুল ইসলাম। সম্প্রতি এক উচ্চপর্যায়ের সেমিনারে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত থেকে প্রায় ১৭ বিলিয়ন

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের এজিএমে ১৩ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ২৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনলাইন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ। সভায় ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক হিসাব ও নিরীক্ষা

গ্রাহক আন্দোলনের মধ্যেই ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ

গ্রাহকদের চলমান আন্দোলন ও নানা অস্থিরতার মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করেছেন। রোববার ২৪ মে ২০২৬ তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন। গত বছরের ২৩ জুলাই তিনি ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।