আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৫ জুন ২০২৬ বৃহস্পতিবার: ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে প্রতি চার বছর পর বিশ্বজুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি হলেও ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি বিশাল অর্থনৈতিক পরিসরের কারণেও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আসরকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপ। এতে ম্যাচের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০৪টি। ফলে আয়োজন ব্যয়, দর্শকসংখ্যা, সম্প্রচার স্বত্ব এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রমও আগের সব আসরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবারের বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাব্য বাজেট প্রায় ১৬ দশমিক ৭৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ফিফার সরাসরি টুর্নামেন্ট পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা ও অপারেশনে ব্যয় হবে প্রায় ৩ দশমিক ৭৫৬ বিলিয়ন ডলার এবং স্টেডিয়াম সংস্কার, নিরাপত্তা, পরিবহন, ফ্যান ফেস্ট, প্রযুক্তি ও লজিস্টিকসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, প্রকৃত ব্যয় ১২ থেকে ১৪ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে থাকতে পারে।
ব্যয়ের দিক থেকে এখনো শীর্ষে রয়েছে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ, যেখানে প্রায় ২২০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছিল। তবে এর বড় অংশই ছিল দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামো উন্নয়ন, নতুন শহর নির্মাণ, মেট্রোরেল, বিমানবন্দর, সড়ক যোগাযোগ ও পর্যটন খাতে বিনিয়োগ। সেই আসরে ফিফার সরাসরি টুর্নামেন্ট পরিচালনার ব্যয় ছিল প্রায় ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার।
বিশ্বকাপ ফিফার সবচেয়ে বড় রাজস্ব আয়ের প্রকল্পও। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ থেকে সংস্থাটি প্রায় ৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার আয় করে, যার মধ্যে টেলিভিশন সম্প্রচার স্বত্ব থেকে আসে প্রায় ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার এবং স্পন্সরশিপ ও মার্কেটিং থেকে প্রায় ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। এছাড়া টিকিট বিক্রি, হসপিটালিটি, লাইসেন্সিং ও মার্চেন্ডাইজিং থেকেও উল্লেখযোগ্য আয় হয়েছে।
২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে প্রায় ৮ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে ফিফা। বেশি দল, বেশি ম্যাচ এবং উত্তর আমেরিকার বৃহৎ বাণিজ্যিক বাজারকে কাজে লাগিয়ে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি এবারের বিশ্বকাপের জন্য রেকর্ড ৬৫ কোটি ৫০ লাখ ডলারের পুরস্কার তহবিল ঘোষণা করা হয়েছে। চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫ কোটি ডলার, রানার্সআপ ৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দল পাবে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার।
বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ শুধু একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়; এটি বিশ্ব অর্থনীতি, পর্যটন, বিনিয়োগ, সম্প্রচার ব্যবসা ও ক্রীড়া বাণিজ্যের অন্যতম বৃহৎ আয়োজন হয়ে উঠবে। মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক পরিসরেও এই বিশ্বকাপ নতুন রেকর্ড গড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংস্কার/ইএমই
দেশের বাজারে আবারও রুপার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে তেজাবি রুপার (পিওর সিলভার) দাম বৃদ্ধির কারণে প্রতি ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। শনিবার ২৭ জুন ২০২৬ সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে
বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কৃষি উৎপাদন সচল রাখা, মানুষের জীবিকা রক্ষা এবং বৈশ্বিক সার ও জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলায় প্রায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা) জরুরি সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬ দুটি পৃথক প্রকল্পের আওতায় এই অর্থায়নের
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আগের সরকারের সময় নেওয়া প্রায় ১ হাজার ৩০০টি উন্নয়ন প্রকল্প বর্তমান সরকারের জন্য বড় দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি আয়োজিত ‘ডিবেটিং বাজেট অ্যান্ড বিয়ন্ড’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান
দেশে নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে আধুনিক, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তুলতে ‘বাংলা কিউআর’ চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান ও কবির আহম্মেদ ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার বিভিন্ন সুবিধা তুলে ধরেন।