আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১ মার্চ ২০২৬: ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার কঠোর প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুট হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। ইরানি নৌবাহিনীর আকস্মিক এ সিদ্ধান্তের ফলে বর্তমানে এই সরু জলপথ দিয়ে সব ধরনের জাহাজ চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের সংযোগস্থলে অবস্থিত হরমুজ প্রণালী বিশ্ব জ্বালানি বাজারের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বৈশ্বিক তেলের বাজারের লাইফলাইন বলা হয় এই পথকে। এটি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধস নামতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
রুশ সংবাদমাধ্যমের বরাতে ক্যাস্পিয়ান পোস্ট জানিয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮০ ডলারের কাছাকাছি। তবে এ অচলাবস্থা দীর্ঘ হলে দাম লাফিয়ে ২৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী : ভারত মহাসাগরের এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের একপাশে ইরান এবং অন্যপাশে ওমান। ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কুয়েত, বাহরাইন ও কাতারসহ বিভিন্ন দেশ তাদের উৎপাদিত জ্বালানি তেল এই পথ দিয়েই বিশ্ববাজারে পাঠায়। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্যের প্রায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ৩০ শতাংশের বেশি এই সরু পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
এশিয়ার ওপর বড় প্রভাব : এই রুট দিয়ে যাওয়া জ্বালানির প্রায় ৮২ শতাংশই যায় এশিয়ার দেশগুলোতে। বিশেষ করে চীনের মোট এলএনজি আমদানির ২৪ শতাংশ এই পথের ওপর নির্ভরশীল। প্রতিদিন গড়ে ২০০ থেকে ৩০০টি জাহাজ এই প্রণালী দিয়ে চলাচল করে, যা ব্যস্ত সময়ে প্রতি ছয় মিনিটে একটি জাহাজের সমান।
ইরানি সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রুট বন্ধ হলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ হঠাৎ কমে যাবে। জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেলে তার প্রভাব পড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, পরিবহন খরচ ও সামগ্রিক জীবনযাত্রার ব্যয়ে। ফলে বিশ্বজুড়ে সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হতে পারে।
ইসরায়েলি হামলার পর ইতোমধ্যে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ১৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৮ দশমিক ৫ ডলারে পৌঁছেছে। জেপি মরগানের মতো আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান তেলের দাম ১৩০ ডলার পর্যন্ত যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে। আর ইরান জানিয়েছে, অবরোধ দীর্ঘস্থায়ী হলে ব্যারেলপ্রতি দাম ২৫০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।
সংস্কার/ইএমই
কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ‘আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি’ লক্ষ্য করে বড় ধরনের সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের এলিট বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তেহরান বলেছে, কুয়েতে থাকা মার্কিন সামরিক অবস্থান ধ্বংস করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। আইআরজিসির এক বিবৃতিতে
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে দেশজুড়ে অভিযান জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ ১৮টি স্থানে একযোগে চালানো অভিযানে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২৯০ বাংলাদেশিসহ ৫০৩ বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসীদের মালিকানাধীন অননুমোদিত ব্যবসা
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলার জবাবে সোমবার (১৩ জুলাই, ২০২৬) ওমান, বাহরাইন, জর্ডান ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্প
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ২৩১ জনে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান