আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৮ জুন ২০২৬ বৃহস্পতিবার: সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের শেষে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের মোট আমানত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ কোটি ৪১ লাখ সুইস ফ্রাঁ, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা। ২০২৫ সালেই এই আমানতে ৩ হাজার ৬০০ কোটির বেশি টাকা যুক্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ১৮ জুন ২০২৬ প্রকাশিত এসএনবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের মোট আমানত ছিল প্রায় ৫৯ কোটি সুইস ফ্রাঁ। এক বছরের ব্যবধানে এ আমানতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী প্রতি সুইস ফ্রাঁর মূল্য প্রায় ১৫২ থেকে ১৫৩ টাকা। প্রতি সুইস ফ্রাঁ ১৫২ টাকা ধরে হিসাব করলে, ২০২৫ সালের শেষে বাংলাদেশিদের মোট আমানতের পরিমাণ প্রায় ১২ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।
এসএনবির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, আমানত বৃদ্ধির প্রায় পুরো অংশই এসেছে বাংলাদেশের ব্যাংকগুলোর জমা রাখা অর্থ থেকে। ২০২৫ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশি ব্যাংকগুলোর আমানত বেড়ে হয়েছে ৮২২ দশমিক ৭ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ, যা ২০২৪ সালের ৫৭৬ দশমিক ৬ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁর তুলনায় প্রায় ৪৩ শতাংশ বেশি।
এর ফলে সুইস ব্যাংকে থাকা মোট বাংলাদেশি আমানতের ৯৮ দশমিক ৬ শতাংশই এখন বিভিন্ন ব্যাংকের নামে রাখা অর্থ। ২০২৪ সালে এই হার ছিল ৯৭ দশমিক ৮ শতাংশ। অথচ ২০২৩ সালে মোট আমানতের মাত্র ২০ শতাংশ এবং ২০২১ সালে ৩৫ শতাংশ ছিল ব্যাংকগুলোর নামে।
অন্যদিকে ব্যক্তি পর্যায়ের হিসাবে রাখা অর্থ কিছুটা কমেছে। ২০২৫ সালে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে জমা অর্থ ১২ দশমিক ৬ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ থেকে কমে ১১ দশমিক ৪ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁতে নেমে এসেছে।
সংস্কার/ইএমই
বাংলাদেশ ব্যাংকের বহুল আলোচিত রিজার্ভ চুরির ঘটনায় সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ দেশি-বিদেশি মোট ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। দীর্ঘ তদন্ত শেষে প্রায় ১০ হাজার পৃষ্ঠার খসড়া অভিযোগপত্র (চার্জশিট) প্রস্তুত করে চূড়ান্ত আইনি মতামতের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে
দীর্ঘদিনের অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব, নিয়ন্ত্রণহীন ঋণ বিতরণ ও দুর্বল সুশাসনের প্রভাবে দেশের ব্যাংক খাত স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সম্মিলিতভাবে বড় ধরনের লোকসানে পড়েছে। ২০২৫ সালে ব্যাংকিং খাতের মোট নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি
তারল্য সংকট মোকাবিলা এবং গ্রাহকদের স্বাভাবিক ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে আরও ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার দেওয়া এই সহায়তাসহ গত তিন দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে মোট ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ পেয়েছে দেশের বৃহত্তম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকটি।
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পরিচালনা পর্ষদ বাতিলের পর ব্যাংকটির কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। কয়েক দিন ধরে গ্রাহকদের মধ্যে থাকা উদ্বেগ অনেকটাই কমেছে। ফলে নগদ অর্থ উত্তোলনের চাপ কমার পাশাপাশি আবারও মেয়াদি আমানত (এফডিআর/এমটিডিআর) হিসাব চালু করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন