আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : ইন্টারনেট
সংস্কার ১২ নভেম্বর ২০২৫ : বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান সাইবার হুমকির মধ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রস্তুত র্যানসমওয়্যার মোকাবিলায়-এমন তথ্য উঠে এসেছে সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা সফোস-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে। প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি প্রকাশ করেছে তাদের বার্ষিক গবেষণা প্রতিবেদন ‘স্টেট অব র্যানসমওয়্যার ইন এডুকেশন’- এর পঞ্চম সংস্করণ, যেখানে ৪৪১ জন আইটি ও সাইবার সুরক্ষা বিশেষজ্ঞের অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
গবেষণায় দেখা যায়, গত কয়েক বছরে শিক্ষাখাত র্যানসমওয়্যার প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। মুক্তিপণ পরিশোধের হার কমেছে, আর তথ্য পুনরুদ্ধারের সক্ষমতা বেড়েছে। একই সঙ্গে, হামলার পর আর্থিক ক্ষতিও তুলনামূলকভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে যে, র্যানসমওয়্যার এখনো শিক্ষাখাতের জন্য বড় হুমকি হয়ে আছে। ছোট ও মাঝারি আকারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো অপরাধীদের কাছে ‘সহজ লক্ষ্য’ হিসেবে থেকে যাচ্ছে। পর্যাপ্ত অর্থায়ন ও দক্ষ কর্মীর অভাবে এসব প্রতিষ্ঠান ঝুঁকির মুখে রয়েছে। সংবেদনশীল তথ্য হারানোর পাশাপাশি, শিক্ষাক্রম ব্যাহত হওয়া ও বাজেট সংকটের মতো সমস্যাও দেখা দিচ্ছে।
র্যানসমওয়্যার মোকাবিলায় পরিবর্তনশীল চিত্র: সফোস জানায়, এখনকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো আগের তুলনায় আরও সক্ষমভাবে সাইবার হামলা মোকাবিলা করছে, ফলে অপরাধীরাও নতুন কৌশল নিচ্ছে। অনেকে এখন আর তথ্য এনক্রিপ্ট না করে সরাসরি অর্থ দাবি করছে। প্রায় অর্ধেক হামলায় মুক্তিপণই প্রধান সমাধান হিসেবে দেখা গেছে, যদিও এর পরিমাণ অনেক কমেছে। আশার কথা, যেসব প্রতিষ্ঠানের তথ্য এনক্রিপ্ট করা হয়েছিল, তাদের প্রায় ৯৭ শতাংশই সফলভাবে ডেটা পুনরুদ্ধার করতে পেরেছে।
সফোসের পরামর্শ ও করণীয়: প্রতিবেদনে সফোস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাইবার সুরক্ষা জোরদারে চারটি মূল দিক তুলে ধরেছে,
প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ: র্যানসমওয়্যার আক্রমণ হওয়ার আগেই তা শনাক্ত ও প্রতিহত করা সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
বহুমাত্রিক নিরাপত্তা কৌশল: আইটি বিভাগকে সমন্বিত কৌশলে কাজ করতে হবে, যাতে ঝুঁকি চিহ্নিত করা ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হয়।
বিশেষজ্ঞদের সক্ষমতা বৃদ্ধি: ম্যানেজড ডিটেকশন অ্যান্ড রেসপন্স (MDR) সেবা ব্যবহার করলে আইটি পেশাজীবীদের দক্ষতা বাড়বে এবং তারা দ্রুত হুমকি মোকাবিলা করতে পারবেন।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা: উন্নত ইনসিডেন্ট রেসপন্স ও এমডিআর সিস্টেম থাকলে যেকোনো সাইবার হামলা তাৎক্ষণিকভাবে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
সফোসের বিশ্লেষণে আরও বলা হয়, সাইবার অপরাধীরা এখন আগের চেয়ে বেশি চতুর হয়ে উঠছে, তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোও প্রযুক্তিগতভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। সঠিক পরিকল্পনা ও সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে র্যানসমওয়্যার আর এতটা ভয়ংকর হয়ে উঠবে না, এমনই আশাবাদ ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
সংস্কার/ইএফহ
ইউরোপের অনেক তরুণ এখন ব্যক্তিগত ও মানসিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবটকে ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হিসেবে দেখছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত ইপসোস বিভিএ-এর এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৩ হাজার ৮০০ তরুণের মধ্যে ৫১ শতাংশ জানিয়েছেন, মানসিক স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে
বাংলাদেশ পাওয়ার অ্যান্ড লাইটিং এক্সপো (বিপিএলএক্স) ২০২৬-এ দেশের শীর্ষ বিদ্যুৎ প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান এনার্জিপ্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড তাদের সর্বাধুনিক বিদ্যুৎ প্রযুক্তি পণ্য প্রদর্শন করেছে। এ প্রদর্শনীতে জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকেরা আলোচনা ও বিশ্লেষণ করেন।
প্রযুক্তি খাতে শীর্ষে থাকা পাঁচ জায়ান্টের ব্যক্তিগত জীবন, সংগ্রাম ও ভবিষ্যৎ ভাবনা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা। ইলন মাস্ক: ব্যর্থতা পেরিয়ে শীর্ষে, পরিবারে বিশেষ গুরুত্ব: বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবেরদের একজন ইলন মাস্ক ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তিতে পারদর্শী; ১৩ বছর বয়সে সফটওয়্যার তৈরি করেন এবং ১৭ বছর
মাত্র ১২ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্র ঘরে বসেই একটি নিউক্লিয়ার ফিউশন রিঅ্যাক্টর তৈরি করে সাড়া ফেলেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি গভীর আগ্রহ থেকেই সে নিজ উদ্যোগে এ প্রকল্প হাতে নেয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ ও গবেষণার মাধ্যমে ছোট পরিসরে