অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি : সাবেক গভর্নরসহ ৬৪ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান শনাক্ত

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ১৮ জুন ২০২৬ বৃহস্পতিবার: বাংলাদেশ ব্যাংকের বহুল আলোচিত রিজার্ভ চুরির ঘটনায় সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমানসহ দেশি-বিদেশি মোট ৬৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। দীর্ঘ তদন্ত শেষে প্রায় ১০ হাজার পৃষ্ঠার খসড়া অভিযোগপত্র (চার্জশিট) প্রস্তুত করে চূড়ান্ত আইনি মতামতের জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ১৮ জুন ২০২৬ সিআইডির মুখপাত্র জসীমউদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, তদন্তে ঘটনার অর্থনৈতিক লেনদেন, সাইবার হামলার ধরন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অজ্ঞাতনামা হ্যাকাররা নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে ১০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার চুরি করে। এর মধ্যে ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি)-এর চারটি ভুয়া হিসাবে পাঠানো হয়। বাকি ২০ মিলিয়ন ডলার শ্রীলঙ্কার একটি ব্যাংকে পাঠানোর চেষ্টা হলেও ভুল তথ্য ও বানানের কারণে সেই লেনদেন ব্যর্থ হয়।

পরে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ফিলিপাইন থেকে প্রায় ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তবে অবশিষ্ট অর্থ ফেরত আনার কার্যক্রম এখনো চলমান।

ঘটনার পর ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন উপ-পরিচালক (হিসাব ও বাজেটিং) জোবায়ের বিন হুদা মতিঝিল থানায় মামলা করেন। পরে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় সিআইডিকে।

সিআইডি জানিয়েছে, তদন্তে সাইবার হামলার প্রযুক্তিগত দিক, আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তরের প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। অ্যাটর্নি জেনারেলের মতামত পাওয়ার পর চার্জশিট চূড়ান্ত করা হবে।

এর আগে সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মো. ছিবগাত উল্লাহ জানান, ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংকে থাকা ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ইতোমধ্যে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত সেই অর্থ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ চলছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এটি দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় আন্তর্জাতিক সাইবার আর্থিক অপরাধের মামলা, যা এখন বিচারিক প্রক্রিয়ার নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছে।

সংস্কার/ইএমই

সর্বশেষ - বিনোদন

সম্পর্কিত খবর

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের নতুনসহ আমানত ১২৬৭৮ কোটি টাকা

সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের শেষে সুইস ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের মোট আমানত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ কোটি ৪১ লাখ সুইস ফ্রাঁ, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা। ২০২৫ সালেই এই আমানতে ৩ হাজার ৬০০ কোটির বেশি টাকা

লোকসানে দেশের ব্যাংক খাত : ক্ষতি ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা

দীর্ঘদিনের অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব, নিয়ন্ত্রণহীন ঋণ বিতরণ ও দুর্বল সুশাসনের প্রভাবে দেশের ব্যাংক খাত স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সম্মিলিতভাবে বড় ধরনের লোকসানে পড়েছে। ২০২৫ সালে ব্যাংকিং খাতের মোট নিট লোকসান দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি

ইসলামী ব্যাংককে ৬ হাজার ৫০০ কোটির সহায়তা বাংলাদেশ ব্যাংকের

তারল্য সংকট মোকাবিলা এবং গ্রাহকদের স্বাভাবিক ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে আরও ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার দেওয়া এই সহায়তাসহ গত তিন দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে মোট ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ পেয়েছে দেশের বৃহত্তম শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকটি।

ইসলামী ব্যাংকে আস্থা ফিরছে : কমছে টাকা উত্তোলনের চাপ

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পুরো পরিচালনা পর্ষদ বাতিলের পর ব্যাংকটির কার্যক্রম ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। কয়েক দিন ধরে গ্রাহকদের মধ্যে থাকা উদ্বেগ অনেকটাই কমেছে। ফলে নগদ অর্থ উত্তোলনের চাপ কমার পাশাপাশি আবারও মেয়াদি আমানত (এফডিআর/এমটিডিআর) হিসাব চালু করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন