আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিতকৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ছবি, শব্দ এবং লেখা ব্যবহার করে মানুষের শিক্ষা এবং ভাবনা অনুকরণ করে। এবার ত্বকের
ক্যান্সার শনাক্ত করতে সহায়তা করছে মোবাইল অ্যাপ। এ ক্ষেত্রে এক চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ
কী ভাববেন সেটা যাচাই করা হয়। কয়েক হাজার ছবি দিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রশিক্ষণ
দেয়া হয়েছে।
আঁচিল এবং বয়সের দাগ,
অর্থাৎ বলিরেখার ছবি তুলে অ্যাপের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে যে সেগুলো ক্যান্সারের কোনো
লক্ষণ কিনা। এবং তারপর প্রয়োজন মনে হলে রোগীকে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে বলা হয়।
এই অ্যাপ বিশেষভাবে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে সহায়ক, যাদের শরীরে অনেক আঁচিল
রয়েছে।
আপনার ত্বকের দিকে খেয়াল
রাখতে বেশ কয়েক ডজন অ্যাপ রয়েছে। টিলো এরকম একটি পরীক্ষা করছেন। তার ত্বকের ক্যান্সারের
ঝুঁকি রয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমার ত্বক ফর্সা এবং ছোটবেলা থেকেই আমার অনেক আঁচিল রয়েছে।
আমি তখনই একশ'টির বেশি গুনেছিলাম। এবং আমার পরিবারের দুই সদস্যের ত্বকের ক্যান্সার
রয়েছে। সুতরাং এই অ্যাপটি চিকিৎসকের অ্যাপয়েন্টমেন্টের মাঝের সময়ে নিজে যাচাইয়ের
জন্য ভালো।’
অ্যাপগুলো ব্যবহারও
সহজ। আপনার সেলফোনের ক্যামেরা দিয়ে একটি ছবি তুলুন। যদি ছবির মান ভালো হয়, তাহলে
অ্যাপ তা যাচাই করে কয়েক সেকেন্ডেই পরামর্শ দেবে। টিলো বলেন, ‘অ্যাপ বলছে মাঝারি ঝুঁকি।
এই আঁচিলটা চিকিৎসককে পরীক্ষা করতে হবে।’
মিশায়েল ট্রিপোল্টের
মাথা থেকে অ্যাপের আইডিয়াটি এসেছে। তিনি বৃদ্ধিমত্তাযুক্ত প্রযুক্তি এবং স্টার ট্র্যাকের
ভক্ত। গ্রাৎস ইউনিভার্সিটি হসপিটালের মিশায়েল ট্রিপোল্ট বলেন, ‘স্টার ট্র্যাকে ট্রাইকর্ডার
নামে একটা ডিভাইস ছিল যা সব স্ক্যান করতে পারতো এবং রোগীর কী হয়েছে জানাতো। ওটা অনেকটা
জাদুর মেশিনের
মতো ছিল, যা সব চিকিৎসকই পেতে চাইতো। তারপর স্মার্টফোন এলো এবং সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ, যা আগেভাগে ত্বকের টিউমার শনাক্তে সক্ষম।’
থমাস আইগেন্টলারও একমত পোষণ করেন যে চর্মরোগ শনাক্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রশিক্ষণ দেয়া সহজ। তিনি জার্মান ক্যান্সার সোসাইটির জন্য অ্যাপ বানাচ্ছেন। শ্যারিটের স্কিন টিউমার সেন্টারের এই প্রধান বলেন, ‘এই ধরনের অ্যাপ প্রাথমিক মূল্যায়ন করতে পারে। এবং এটি যদি পরামর্শ দেয়, তাহলে আপনার সত্যিই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত। এটা প্রায়ই ভুয়া সতর্কতাও জারি করে, কারণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে সামান্য ক্ষতও মারাত্মক মনে হতে পারে। তবে গত কয়েকবছরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক ব্যবস্থার নির্ভুলতার হার উল্লেখযোগ্যহারে বেড়েছে।মার্কিন এক গবেষণায় দেখা গেছে সাধারণ চিকিৎসকরা ২৪ থেকে ৭০ শতাংশ ক্ষেত্রে ম্যালিগন্যান্ট মেলানোমা শনাক্ত করতে পারে। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের ক্ষেত্রে সাফল্যের হার ৭৭ থেকে ৯৬ শতাংশ। আর অ্যাপের অ্যালগরিদমের সাফল্য সবচেয়ে বেশি— ৯৩ থেকে ৯৮ শতাংশ। প্রফেসর ডক্টর টমাস আইগেন্টলার বলেন, ‘এটা অনেকটা পকেটে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়ে ঘোরার মতো ব্যাপার। তবে সবচেয়ে বড় ব্যবধান হচ্ছে অ্যাপ আপনার চিকিৎসা করতে পারে না। এটা শুধুমাত্র চিকিৎসকের কাছে যেতে বলতে পারে। এবং আমরা চাই রোগীরা দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের কাছে যাক। টিলো কখ্সও চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ অ্যাপের ফলাফল যাচাই করেছেন। পটসডামের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ড. তানিয়া ফিশার বলেন, ‘এটা ঠিক যে, অ্যাপ একটি সতর্কতা জারি করেছে। তবে আমি মনে করি, এটি ক্ষতিকর নয ‘। এই চিকিৎসকের চেম্বারে বেশ কিছুদিন ধরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহৃত হচ্ছে। যেমন, এই ডিভাইস, যা তার ভুল হওয়ার হার নাটকীয়ভাবে কমিয়েছে। তানিয়া ফিশার ছয় বছর ধরে ফটোফাইন্ডার বডি স্ক্যানার ব্যবহার করছেন। এটি একজন রোগীর পা থেকে মাথা অবধি আঁচিল খোঁজে, অনেকটা স্মার্টফোনের বড় ভাইয়ের মতো। (সূত্র: ডয়চে ভেলে।)
ইউরোপের অনেক তরুণ এখন ব্যক্তিগত ও মানসিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) চ্যাটবটকে ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হিসেবে দেখছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত ইপসোস বিভিএ-এর এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। জরিপে অংশ নেওয়া ৩ হাজার ৮০০ তরুণের মধ্যে ৫১ শতাংশ জানিয়েছেন, মানসিক স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়ে
বাংলাদেশ পাওয়ার অ্যান্ড লাইটিং এক্সপো (বিপিএলএক্স) ২০২৬-এ দেশের শীর্ষ বিদ্যুৎ প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান এনার্জিপ্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড তাদের সর্বাধুনিক বিদ্যুৎ প্রযুক্তি পণ্য প্রদর্শন করেছে। এ প্রদর্শনীতে জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকেরা আলোচনা ও বিশ্লেষণ করেন।
প্রযুক্তি খাতে শীর্ষে থাকা পাঁচ জায়ান্টের ব্যক্তিগত জীবন, সংগ্রাম ও ভবিষ্যৎ ভাবনা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা। ইলন মাস্ক: ব্যর্থতা পেরিয়ে শীর্ষে, পরিবারে বিশেষ গুরুত্ব: বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবেরদের একজন ইলন মাস্ক ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তিতে পারদর্শী; ১৩ বছর বয়সে সফটওয়্যার তৈরি করেন এবং ১৭ বছর
মাত্র ১২ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্র ঘরে বসেই একটি নিউক্লিয়ার ফিউশন রিঅ্যাক্টর তৈরি করে সাড়া ফেলেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি গভীর আগ্রহ থেকেই সে নিজ উদ্যোগে এ প্রকল্প হাতে নেয়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ ও গবেষণার মাধ্যমে ছোট পরিসরে