আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১২ জানুয়ারী ২০২৬: সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় অস্থিরতার খবর থাকলেও ইরানের রাজধানী তেহরানে বর্তমানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। নগরজীবন স্বাভাবিকভাবে চলছে। ইরানি কর্মকর্তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল-সমর্থিত কিছু গোষ্ঠী দেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করে স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত করার চেষ্টা করলেও সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
ইরানি কর্মকর্তারা জানান, ১২ দিনের যুদ্ধে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে ব্যর্থ হওয়ার পর এবং ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়ে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ঘোষণা দেয়। এর ফলে মুদ্রার বিনিময় হারে অস্থিরতা তৈরি হয় এবং ব্যবসায়ীদের একটি অংশ বিক্ষোভে নামে। একই সময়ে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানি জনগণকে রাস্তায় নামার আহ্বান জানান, যা পশ্চিমাদের শাসনব্যবস্থা পতন- এজেন্ডার ইঙ্গিত বলে মনে করছে তেহরান।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি বলেন, সাম্প্রতিক দাঙ্গা ও সহিংসতার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের সরাসরি ভূমিকা স্পষ্ট। তিনি অভিযোগ করেন, বিদেশি হস্তক্ষেপের পরিবেশ তৈরি এবং দেশের ভেতরে গৃহযুদ্ধ উসকে দিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে এসব পক্ষ। তার দাবি, সশস্ত্র গোষ্ঠীর নেতারা ইরানের অভ্যন্তরে সহিংসতা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।
গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাতে তেহরানের কয়েকটি এলাকায় দাঙ্গাকারীরা সরকারি ও জনগণের সম্পত্তিতে অগ্নিসংযোগ করলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ ঘটনার পর সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এক বিবৃতিতে জানায়, গত জুনে যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের প্রতি শত্রুতা বন্ধ করেনি। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ১২ দিনের যুদ্ধের সময় ও পরবর্তী সময়ে ইসরাইল নানা ধরনের হাইব্রিড যুদ্ধের মাধ্যমে আগ্রাসী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে, কৌশল বদলালেও তাদের যুদ্ধংদেহী মনোভাব অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি সতর্ক করে বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার ঘটনা জবাববিহীন থাকবে না। রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, মার্কিন সরকার এসব অভিযোগকে ভ্রান্ত ধারণা বললেও বাস্তবতা ভিন্ন। তার দাবি, ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ের সাবেক সিআইএ পরিচালক প্রকাশ্যে মোসাদ ও যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর ভূমিকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি আরও বলেন, এই ধারণা ভুল যে অগ্নিসংযোগকারীরা শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, জনগণের ন্যায্য অর্থনৈতিক দাবিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল তাদের সামরিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। ১২ দিনের যুদ্ধে ব্যর্থ হওয়ার পর গত ছয় মাসে ইরানকে অস্থিতিশীল করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়, যার মধ্যে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোপনে দেশে প্রবেশ করানোও ছিল।
কর্মকর্তারা জানান, অর্থনৈতিক বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর অনুপ্রবেশকারী সন্ত্রাসীরা সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে হামলা চালায়। একই সঙ্গে বিভিন্ন শহরে সহিংসতা বাড়ে অপসারিত শাহের পুত্র রেজা পাহলভীর আহ্বানের পর, যা দাঙ্গা ও ধ্বংসযজ্ঞের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সরকার অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভ অনেকটাই কমেছে এবং তেহরানে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসছে।
সংস্কার/ইএমই
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী লোহিত সাগরে ইসরায়েলি জাহাজ চলাচলের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা জানায়, এ সমুদ্রপথে কোনো ইসরায়েলি জাহাজ দেখা গেলে তা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। গোষ্ঠীটির সশস্ত্র শাখা জানিয়েছে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তাদের সামরিক অভিযান আরও জোরদার
মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র সামরিক উত্তেজনার মধ্যে ইরান ইসরাইলের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে। একই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধে ইরানের ওপর পরিকল্পিত বড় ধরনের বিমান হামলা স্থগিত করেছে ইসরাইল, এমন দাবি করেছে দেশটির একটি গণমাধ্যম ও উচ্চপর্যায়ের সূত্র।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কুয়েত ও বাহরাইনের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে তাসনিম নিউজ জানিয়েছে। ইরান দাবি করেছে, পারস্য উপসাগরে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার একজন সামরিক উপদেষ্টা জানিয়েছেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্ভাব্য যেকোনো চুক্তি ট্রাম্প প্রশাসনের অবরুদ্ধ করে রাখা ২৪ বিলিয়ন ডলারের ইরানি সম্পদ মুক্তির ওপর নির্ভর করছে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, নতুন করে সংঘাতে জড়ালে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি “অন্ধকার করিডোরে” ঠেলে দেওয়া হবে।