আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৪ জুলাই ২০২৬ শনিবার: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় শোষণ, লুটপাট করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সভার প্রতিপাদ্য ছিল, ‘আত্মোপলব্ধি ও আত্মপর্যালোচনায় অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের দীপ্ত শপথ’। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় নেতা, জুলাই অভ্যুত্থানের সংগঠক ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য দেন।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুর সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আলতাফ হোসাইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, জুলাই শহীদ জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগম, প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, শহীদ আরাফাত হোসেনের বড় ভাই হাসান আলী, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. আব্দুল ওহাব মিনার, নারী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফারাহ নাজ সাত্তার এবং সাংবাদিক সালাহউদ্দিন লাভলুসহ অন্যরা।
ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো রাজনৈতিক বাস্তবতা নেই এবং বিশ্বের কোনো দেশও তাকে গ্রহণে আগ্রহী নয়। তিনি দাবি করেন, গণভবন দখলের ঘটনা জনগণের চূড়ান্ত অনাস্থার বহিঃপ্রকাশ। তার ভাষ্য, রাষ্ট্র ও রাজনীতির পরিবর্তন ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বাংলাদেশও সেই পথেই এগোচ্ছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফ্যাসিবাদী আমলে দুর্নীতির তদন্ত বাধাগ্রস্ত করতে আপিল বিভাগকে ব্যবহার করা হয়েছিল। পাশাপাশি তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের হাতে আর কখনো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা বা অস্ত্র তুলে দেওয়া যাবে না এবং বিরোধী দলীয় নেতা নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা হচ্ছে। তিনি জুলাইয়ের চেতনা, স্বাধীনতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, জুলাই অন্যায় ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে বিজয়ের প্রতীক। গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও সেই জনম্যান্ডেট উপেক্ষিত হচ্ছে। তিনি বিচারহীনতার অবসান, মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়ন এবং জনগণের মতামতের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার আহ্বান জানান। মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, জুলাই সনদের কোনো সংস্কারই বাস্তবায়িত হয়নি। রাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিবর্তন ছাড়া ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি ঠেকানো সম্ভব নয় এবং প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু সরকার পতনের ঘটনা নয়, এটি রাষ্ট্র পুনর্গঠন, ন্যায়বিচার ও জনগণের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক অঙ্গীকার। তিনি অভিযোগ করেন, পরাজিত শক্তি পরিকল্পিতভাবে জুলাইকে হেয় করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ‘জুলাই জুলাই করবো, জুলাই ধারণ করেই মরবো। শেখ হাসিনা আসবে না, দেশের মানুষ হাসবে; বরং শেখ হাসিনা ফাঁসবে, বাংলাদেশ হাসবে।’
শহীদ জননী রোকেয়া বেগম বলেন, সাংবাদিকদের সাহসী ভূমিকা না থাকলে জুলাই আন্দোলন সফল হতো না। তিনি শহীদদের আত্মত্যাগের লক্ষ্য বাস্তবায়নে দ্রুত জুলাই সনদ কার্যকর করার আহ্বান জানান। আখতার হোসেন বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন জনগণের অংশগ্রহণে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং জনগণের দেওয়া সংস্কারের ম্যান্ডেট বাস্তবায়ন করতে হবে।
শফিকুল আলম বলেন, গণহত্যা, গুম, আয়নাঘর ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং জুলাইয়ের শক্তিকেই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়তে হবে। অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, এই আন্দোলন ছিল বিচার, সংস্কার ও রাষ্ট্র পুনর্গঠনের জন্য। তিনি বাতিল হওয়া গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার অধ্যাদেশ পুনরায় আইনে পরিণত করা, জুলাই জাদুঘর চালু করা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাইয়ের ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানান।
ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে শক্তিশালী গণঅভ্যুত্থান, যার নেতৃত্ব দিয়েছে দেশের তরুণরা। তিনি জুলাইয়ের অর্জনকে রাজনৈতিক ও সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে ভবিষ্যতে আর ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান না ঘটে।
অনুষ্ঠানে এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমদ ভূঁইয়া, মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খানসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
সংস্কার/ইএমই
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মজলিসে শূরার অধিবেশনে অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়েছে। নেতারা বলেন, জাতীয় ঐকমত্য, গণতান্ত্রিক সংস্কার, সুশাসন, ন্যায়বিচার এবং জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় জুলাই সনদের কার্যকর বা
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। একই সঙ্গে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার এক
লন্ডনের গ্র্যান্ড রসুই রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে নতুন সংগঠন ‘ইনকিলাব মঞ্চ ইউকে’-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর থেকে আসা প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি ও দায়িত্বশীলদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। বক্তারা ন্যায়বিচার প্রতি
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজনৈতিক দলগুলো জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেছে। তাদের মতে, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলন স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, ভোটাধিকার এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার এক ঐতিহাসিক অধ্যায়। তারা বলছে, দেড় দশকের