আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৬ মে ২০২৬ শনিবার: আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থায়ন সহজ করতে একক গ্রাহক ও বৃহৎ ঋণ এক্সপোজার নীতিমালায় সাময়িক শিথিলতা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে ব্যাংকগুলো এখন একজন গ্রাহক বা গ্রুপকে আগের তুলনায় বেশি ঋণ সুবিধা দিতে পারবে।
বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত কোনো একক ব্যক্তি, গ্রুপ বা কাউন্টারপার্টির অনুকূলে ব্যাংকের মোট তহবিলভিত্তিক (ফান্ডেড) ও তহবিল-বহির্ভূত (নন-ফান্ডেড) ঋণ এক্সপোজার ব্যাংকের মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারবে। আগে এই সীমা ছিল ১৫ শতাংশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যবসা ও শিল্প খাতের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য অর্থায়ন সহজ করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন সার্কুলারে নন-ফান্ডেড এক্সপোজারের ক্ষেত্রে কনভার্সন ফ্যাক্টরও কমানো হয়েছে। আগে এ ধরনের দায়ের ৫০ শতাংশ হিসাবের আওতায় আনা হলেও এখন তা ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ কোনো গ্রাহকের মোট এক্সপোজার হিসাবের ক্ষেত্রে নন-ফান্ডেড দায়ের মাত্র এক-চতুর্থাংশ বিবেচনায় নেওয়া হবে। একইভাবে বৃহৎ ঋণ পোর্টফোলিও নির্ধারণেও নন-ফান্ডেড এক্সপোজারের ২৫ শতাংশ গণনায় আসবে।
তবে এ সুবিধা স্থায়ী নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ২৫ শতাংশ কনভার্সন ফ্যাক্টর কার্যকর থাকবে। এরপর ধাপে ধাপে তা বাড়ানো হবে। ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ এটি ৩০ শতাংশ, ২০২৮ সালের শেষ নাগাদ ৪০ শতাংশ এবং ২০২৯ সালের শেষ নাগাদ ৫০ শতাংশে উন্নীত করা হবে। ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আগের বিধান পুরোপুরি কার্যকর হবে।
বৃহৎ ঋণ পোর্টফোলিওর সীমাও নতুনভাবে নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণের হার যত কম হবে, তত বেশি বড় ঋণ দেওয়ার সুযোগ পাবে সেই ব্যাংক।
উদাহরণ হিসেবে বলা হয়েছে, কোনো ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণ যদি মোট বৃহৎ ঋণ পোর্টফোলিওর ১০ শতাংশ বা তার কম হয়, তাহলে বড় ঋণের সীমা হবে মোট ঋণ ও অগ্রিমের ৫০ শতাংশ। অন্যদিকে শ্রেণীকৃত ঋণের হার ৩০ শতাংশের বেশি হলে বড় ঋণের সীমা হবে ৩০ শতাংশ। তবে কোনো অবস্থাতেই বৃহৎ ঋণ এক্সপোজারের মোট পরিমাণ ব্যাংকের মূলধনের ৬০০ শতাংশের বেশি হতে পারবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, বৃহৎ ঋণসীমা সংক্রান্ত সংশোধিত এ বিধান ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এরপর ২০২২ সালে জারি করা মূল সার্কুলারের বিধান পুনরায় কার্যকর হবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ২৬(খ) ও ৪৫ ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা এ নির্দেশনা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রিমিয়ার সিমেন্ট ও সিকম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় শিল্প গ্রুপগুলোর জন্য এটি স্বস্তিদায়ক সিদ্ধান্ত। বিশেষ করে কাঁচামাল আমদানিতে প্রয়োজনীয় নন-ফান্ডেড ক্রেডিট বা এলসির ক্ষেত্রে কনভার্সন ফ্যাক্টর ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ করাকে তিনি সময়োপযোগী ও যৌক্তিক বলে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, ব্যবসা পরিচালনা বর্তমানে কঠিন হয়ে পড়েছে। এ সিদ্ধান্ত উৎপাদনশীল খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে ২০৩০ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার রূপরেখা ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সাজাতেও সহায়তা করবে।
এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য তিনি অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সংস্কার/ইএমই
রাজধানীর লা মেরিডিয়ান ঢাকায় “লার্নিং প্রেজেন্টস লিডিং উইথ এআই: ইনোভেশন, স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড গ্রোথ” শীর্ষক একটি বিশেষ ওয়ার্কশপ আয়োজন করেছে ইও বাংলাদেশ। চার ঘণ্টাব্যাপী এ আয়োজনে অংশ নেন প্রায় ৩০০ উদ্যোক্তা, কর্পোরেট নির্বাহী ও শিল্পখাতের নেতারা। ওয়ার্কশপের মূল বক্তা ছিলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশেষজ্ঞ এবং
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ করেছে সরকার। বুধবার সচিবালয়ে কোরবানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সভা শেষে এ তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। নতুন নির্ধারিত দামে রাজধানী ঢাকায় গরুর কাঁচা চামড়ার প্রতি বর্গফুট ৬২ থেকে ৬৭ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৫৭ থেকে ৬২ টাকা রাখা হয়েছে।
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদী পুনরুজ্জীবন, লবণাক্ততা কমানো এবং সেচ সুবিধা বাড়াতে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘পদ্মা ব্যারাজ (প্রথম পর্যায়)’ নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে সরকার। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় বুধবার প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়। চলতি বছরের জুলাই থেকে প্রকল্পের
দেশের পাঁচটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বন্ধ বা অবসায়নের প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। আগামী জুলাই মাস থেকে এসব প্রতিষ্ঠানের অবসায়ন কার্যক্রম শুরু হবে। মঙ্গলবার ১২ মে ২০২৬ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অবসায়নের তালিকায় থাকা