আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৭ মার্চ ২০২৬: হরমুজ প্রণালী দিয়ে ডলারে নয় চীনা ইউয়ানে করতে হবে জ্বালানি বাণিজ্যহরমুজ প্রণালী ঘিরে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান একটি নতুন শর্তসাপেক্ষ প্রস্তাব বিবেচনা করছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রণালী দিয়ে তেলের ট্যাঙ্কার চলাচল পুনরায় চালু করতে দেওয়া হবে, তবে তেলের মূল্য পরিশোধ করতে হবে মার্কিন ডলারে নয়, শুধুমাত্র চীনা ইউয়ানে। এ বিষয়ে এখনো জ্বালানি বাজারে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বৈশ্বিক তেল সরবরাহ হয়। প্রণালীতে বিঘ্ন ঘটায় বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় প্রভাব পড়েছে এবং তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৩০ ডলারে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক কঠোর সতর্কতা সত্ত্বেও ইরান এতদিন প্রণালী বন্ধ রাখার অবস্থানে ছিল, তবে এখন তারা শর্তসাপেক্ষে এটি খুলে দেওয়ার আগ্রহ দেখাচ্ছে, যার মূল শর্ত মুদ্রা পরিবর্তন।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রস্তাব কার্যকর হলে ১৯৭৪ সালের পর প্রতিষ্ঠিত ‘পেট্রোডলার’ ব্যবস্থার জন্য এটি হতে পারে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্ববাজারে তেলের লেনদেন ডলারে হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রভাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইউয়ান-ভিত্তিক লেনদেন চালু হলে সেই কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত তৃতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে। সামরিক চাপের পাশাপাশি ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার এই প্রস্তাবকে অনেকেই সংঘাতের মোড় ঘোরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। পেট্রোডলার ব্যবস্থার বিপরীতে ইউয়ান ব্যবহারের প্রস্তাব ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি বাণিজ্যে বড় ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে, যা আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বড় নৌ-সংকট হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য প্রণালী বন্ধ রাখলেও, রাশিয়া, চীন, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ভারতের মতো কিছু দেশের জাহাজ চলাচলে সীমিত অনুমতি দিয়েছে।
ডি-ডলারাইজেশন প্রবণতার অংশ হিসেবে চীনসহ ব্রিকস দেশগুলো বিকল্প আর্থিক ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকছে। ইতোমধ্যে চীনে পাঠানো ইরানের অধিকাংশ তেল ইউয়ান বা চীনের আন্তঃব্যাংক পেমেন্ট সিস্টেম (সিআইপিএস)-এর মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে। একই সঙ্গে আইআরজিসি-র তত্ত্বাবধানে ‘শ্যাডো ফ্লিট’ ব্যবহার করে গোপনে তেল পরিবহনও চলছে।
অন্যদিকে, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়তে থাকায় যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে প্রণালী খুলে দেওয়ার কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, প্রণালী চালু করার পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চলবে। তবে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এ ধরনের পদক্ষেপ ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া ডেকে এনে পরিস্থিতি আরও জটিল করতে পারে।
শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্র ইরানের খড়গ দ্বীপে তেল স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রণালী বন্ধ থাকলে আরও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা হতে পারে। এতে সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে যেখানে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার দুই ভাগে বিভক্ত হবে, চীন ও ব্রিকস দেশগুলোর জন্য ইউয়ান বা রুশ মুদ্রায় লেনদেন, আর পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য ডলারে বাণিজ্য।
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীনা ইউয়ান দ্রুত ডলারের বিকল্প হয়ে উঠবে না। ডলারের শক্ত অবস্থান গভীর পুঁজিবাজার, উচ্চ তারল্য ও দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ওপর নির্ভরশীল।
বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইরান নিজেকে শক্ত অবস্থানে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। আগামী ২ থেকে ৩ দিন পরিস্থিতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, যা সংঘাতের ভবিষ্যৎ গতি নির্ধারণ করতে পারে।
সংস্কার/ইএমই
কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ‘আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি’ লক্ষ্য করে বড় ধরনের সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের এলিট বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তেহরান বলেছে, কুয়েতে থাকা মার্কিন সামরিক অবস্থান ধ্বংস করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। আইআরজিসির এক বিবৃতিতে
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে দেশজুড়ে অভিযান জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ ১৮টি স্থানে একযোগে চালানো অভিযানে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২৯০ বাংলাদেশিসহ ৫০৩ বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসীদের মালিকানাধীন অননুমোদিত ব্যবসা
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলার জবাবে সোমবার (১৩ জুলাই, ২০২৬) ওমান, বাহরাইন, জর্ডান ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্প
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ২৩১ জনে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান