আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৯ জুন ২০২৬ মঙ্গলবার: প্রায় এক দশক ধরে সিরিয়ার যুদ্ধকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা রাশিয়া-তুরস্কের কৌশলগত অংশীদারিত্ব এখন দুর্বল হয়ে পড়েছে। দুই দেশের মধ্যে একসময় সহযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা পাশাপাশি চললেও বর্তমানে তুরস্ক ক্রমশ ইউক্রেনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হচ্ছে এবং রাশিয়ার প্রভাব থাকা বিভিন্ন অঞ্চলে কিয়েভকে সহযোগিতা করছে।
সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের সময় তুরস্ক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বিরোধী বিদ্রোহীদের সমর্থন করলেও রাশিয়া সামরিকভাবে আসাদ সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছিল। মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও দুই দেশ সরাসরি সংঘাতে না গিয়ে পারস্পরিক স্বার্থে একটি বাস্তবসম্মত সমঝোতায় পৌঁছায়।
এই সম্পর্কের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন মধ্যপ্রাচ্যে রাশিয়ার প্রভাব বাড়ানোর সুযোগ পান এবং পশ্চিমা জোটগুলোর মধ্যে বিভক্তিও তুলে ধরতে সক্ষম হন। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়েব এরদোগান ন্যাটোর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের সময় একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক অংশীদারের সহযোগিতা পান।
শুরুর দিকে তুরস্ক তুলনামূলক দুর্বল অবস্থানে থাকলেও ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়া আন্তর্জাতিকভাবে চাপের মুখে পড়লে তুরস্ক নিষেধাজ্ঞায় যোগ না দিয়ে মস্কোর জন্য বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও জ্বালানির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠে। এতে আঙ্কারার কৌশলগত গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।
২০২৪ সালের শেষ দিকে বাশার আল-আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ইউক্রেন যুদ্ধের চাপের কারণে রাশিয়া তার দীর্ঘদিনের মিত্রকে রক্ষা করতে পারেনি। পরে মস্কো সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন নেতা আহমেদ আল-শারার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে এবং দেশটিতে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখে। অন্যদিকে আসাদবিরোধী পক্ষকে সমর্থনের ফলে যুদ্ধ-পরবর্তী সিরিয়ায় সবচেয়ে প্রভাবশালী বহিরাগত শক্তি হিসেবে তুরস্কের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়।
এরপর থেকে তুরস্ক ন্যাটোর গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে নিজের অবস্থান জোরদারের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে ইউক্রেনের উপস্থিতি বাড়াতেও ভূমিকা রাখছে। চলতি বছরের এপ্রিলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বিমানে সিরিয়া সফর করেন। ওই সফরে সামরিক ও জ্বালানি সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।
এদিকে তুরস্ক সিরিয়ার সশস্ত্র বাহিনী পুনর্গঠনে সহায়তা করছে। একই সঙ্গে ইউক্রেনকে ড্রোন প্রযুক্তি, সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে সহযোগিতা দিচ্ছে। ইউক্রেনও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়িয়েছে এবং শাহেদ-১৩৬ ড্রোন মোকাবিলার অভিজ্ঞতা বিনিময় করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এসব পরিবর্তন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে তুরস্ক এখন আর আগের মতো মস্কো ও ন্যাটোর মধ্যে সমান ভারসাম্য বজায় রাখতে পারছে না। রাশিয়ার আঞ্চলিক প্রভাব কমে যাওয়ায় আঙ্কারা নিজের কৌশলগত স্বার্থ বাস্তবায়নে আরও স্বাধীনভাবে এগোচ্ছে এবং এর বড় সুবিধাভোগী হিসেবে ইউক্রেন উঠে আসছে।
সংস্কার/ইএমই
ইরান ও ইসরাইলের পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে নতুন মোড় এসেছে। ইরান সাময়িকভাবে ইসরাইলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। একই সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কূটনৈতিক উদ্যোগে ইরানের মূল ভূখণ্ডে পরিকল্পিত বড় ধরনের বিমান হামলা শেষ মুহূর্তে স্থগিত
ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসন পঞ্চম বছরে পৌঁছানোর প্রেক্ষাপটে যুদ্ধ বন্ধে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপের তিন প্রধান দেশ, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও ফ্রান্স। তারা ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সরাসরি আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে।
ভারতের রাজস্থান রাজ্যের রাজধানী জয়পুরে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ৪৪ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক নূরানী মসজিদ উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। রোববার (৭ জুন) মালবীয় নগর এলাকায় পরিচালিত এ অভিযানে প্রায় ৩ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। গুজব ছড়ানো ঠেকানোর কারণ দেখিয়ে ২৪ ঘণ্টার জন্য ইন্টারনেট
ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর পুনর্গঠনে বাজেয়াপ্ত ইরানি সম্পদ ব্যবহারের নতুন পরিকল্পনা করছে ওয়াশিংটন। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টের উদ্যোগে নেওয়া এ পরিকল্পনাকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কৌশল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। রয়টার্স ও মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে