আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৩০ মে ২০২৬ শনিবার: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযানে অংশ নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), এমন দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ চলাকালীন এবং যুদ্ধবিরতির সময়েও ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে আবুধাবি। এতে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, সংঘাতে আমিরাতের সম্পৃক্ততা আগের ধারণার চেয়েও বেশি গভীর ছিল।
সূত্রের বরাতে জানানো হয়, যুদ্ধের শুরু থেকেই ইরানের ভেতরে হামলা চালানো হয় এবং এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পরও অভিযান অব্যাহত থাকে। এসব হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় এবং ইসরায়েলের গোয়েন্দা সহায়তা ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।
লক্ষ্যবস্তু হিসেবে কেশম ও আবু মুসা দ্বীপ, বন্দর আব্বাস, লাভান দ্বীপের তেল শোধনাগার এবং আসালুয়েহ পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সকে টার্গেট করা হয়। এতে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। আবুধাবি ও আশপাশের শহর, বিমানবন্দর এবং তেল স্থাপনাগুলো ছিল প্রধান লক্ষ্য। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, প্রায় ২ হাজার ৮০০ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয় আমিরাতের দিকে।
এই সংঘাতে আমিরাতের অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগে। বিমান চলাচল ব্যাহত হয়, পর্যটন কমে যায় এবং শেয়ারবাজারে প্রায় ১২০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়।
উপসাগরীয় অঞ্চলের রাজনৈতিক ভারসাম্যেও বিভাজন তৈরি হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি আরব গোপনে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে জানায়, আমিরাতের এই অভিযান পুরো অঞ্চলের জ্বালানি নিরাপত্তাকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।
পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে আমিরাত কূটনৈতিক সমাধানের দিকে ঝুঁকে পড়ে এবং ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দেয়। তবে একই সঙ্গে ইসরায়েলের সঙ্গে তাদের সামরিক সহযোগিতা আরও গভীর হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত উপসাগরীয় অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা তৈরি করতে পারে, যার প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
সংস্কার/ইএমই
কুয়েতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ‘আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি’ লক্ষ্য করে বড় ধরনের সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের এলিট বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তেহরান বলেছে, কুয়েতে থাকা মার্কিন সামরিক অবস্থান ধ্বংস করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। আইআরজিসির এক বিবৃতিতে
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে দেশজুড়ে অভিযান জোরদার করেছে কর্তৃপক্ষ। সর্বশেষ ১৮টি স্থানে একযোগে চালানো অভিযানে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২৯০ বাংলাদেশিসহ ৫০৩ বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ও প্রবাসীদের মালিকানাধীন অননুমোদিত ব্যবসা
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক হামলার জবাবে সোমবার (১৩ জুলাই, ২০২৬) ওমান, বাহরাইন, জর্ডান ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনায় রাতভর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্প
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এ হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩ হাজার ২৩১ জনে পৌঁছেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান