আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৩ জুন ২০২৬ শনিবার: বিশ্বজুড়ে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, বিশেষ করে ৪০ বছরের কম বয়সি তরুণদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত রোগীদের প্রায় ১৫ শতাংশের বয়স ৪০ বছরের নিচে। অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত ব্যায়ামের অভাবকে এর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
করাচির বিভিন্ন হাসপাতালের পরিসংখ্যানও পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজেসে (এনআইসিভিডি) প্রতিদিন ৫০ থেকে ৬০ জন হার্ট অ্যাটাকের রোগী ভর্তি হচ্ছেন। এছাড়া সিভিল হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় পাঁচটি এবং বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ৩০টিরও বেশি হার্ট অ্যাটাকের ঘটনা নথিভুক্ত হচ্ছে।
এনআইসিভিডির প্রধান ডা. তাহির সগীর জানান, হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্তদের ১৫ থেকে ২০ শতাংশই ৪০ বছরের কম বয়সি। অনেক রোগী হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই মারা যান।
হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. সলিম বিরানি বলেন, হৃদরোগ প্রতিরোধে সুষম খাদ্য গ্রহণ, নিয়মিত শরীরচর্চা, তামাকজাত পণ্য বর্জন এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, তরুণরা যদি এখনই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন না করেন, তবে ভবিষ্যতে হার্ট অ্যাটাক বড় ধরনের সামাজিক সংকটে পরিণত হতে পারে। (সামা টিভি)
সংস্কার/ইএমই
বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এখন প্রকৃত অর্থেই বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকির বড় সতর্কবার্তা দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) প্রকাশিত সর্বশেষ অ্যাটলাসে উঠে এসেছে, পৃথিবীর প্রতি ৯ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন এই রোগে ভুগছেন। ২০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর
হঠাৎ হাসপাতালে কোনো রোগীকে ভেন্টিলেশনে নেওয়ার কথা জানলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু বাস্তবে ভেন্টিলেটর এমন একটি চিকিৎসা-সহায়ক যন্ত্র, যা বিপদে পড়া রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজ ভাষায় বোঝার জন্য বিষয়টি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হলো। ভেন্টিলেশন কী, কেন দিতে হয় এবং
আপনি কি জানেন আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো কিডনী যা,দেখতে শান্ত,কথা না বলা এই দুই ছোট্ট অঙ্গ কিন্তু শরীরের নেপথ্যের নায়ক। কিডনি চুপচাপ নিজের কাজ করে যায়, আর সমস্যায় পড়লেও খুব একটা শব্দ করে না। তবুও শরীরের বর্জ্য ফেলা,পানি নিয়ন্ত্রণ,রক্তচাপ সামলানো সবকিছুরই বড় দায়িত্ব
কিডনি হোক বা পিত্তথলি, দৈনন্দিন ভুলেই পাথর হয়, কী ভাবে এমন প্রবণতা আটকানো সম্ভব? কিডনিতে এক বার পাথর হলে, আবার তা হতে পারে। পিত্তথলিতেও পাথর হতে পারে দৈনন্দিন জীবনযাপনে নিয়ন্ত্রণ না আনলেই। কী ভাবে সেই ঝুঁকি এড়াবেন?