আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : ইন্টারনেট
সংগ্রহে : উসামা মোহাম্মদ
কিডনি হোক বা পিত্তথলি, দৈনন্দিন ভুলেই পাথর হয়, কী ভাবে এমন প্রবণতা আটকানো সম্ভব? কিডনিতে এক বার পাথর হলে, আবার তা হতে পারে। পিত্তথলিতেও পাথর হতে পারে দৈনন্দিন জীবনযাপনে নিয়ন্ত্রণ না আনলেই। কী ভাবে সেই ঝুঁকি এড়াবেন?
কিডনি হোক বা পিত্তথলি— পাথর হয় অনেকেরই। আগে যা মাঝেমধ্যে শোনা যেত, এখন তা শোনা যায় খুব বেশিই। চিকিৎসকেরা বলেন, অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া,পানি কম খাওয়ার অভ্যাসই রয়েছে এর নেপথ্যে। কিডনি হল শরীরের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যঙ্গ, যা ছাঁকনির কাজ করে। শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করে দেয় মূত্রের মাধ্যমে। মূত্রের বেশ কিছু অপ্রয়োজনীয় উপাদান ও খনিজ জমে পাথর তৈরি হয়। ক্যালশিয়াম অক্সালেট, ক্যালশিয়াম ফসফেট ও ইউরিক অ্যাসিড থেকেই তৈরি হয় পাথর। তবে পিত্তথলির পাথর তৈরি হয় কোলেস্টেরল, বিলিরুবিন জমে। অতিরিক্ত ফ্যাটযুক্ত খাবার নিয়মিত খেলে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
কিডনি হোক বা পিত্তথলি - পাথর হলে কষ্ট কম নয়। ব্যথা-যন্ত্রণা তো আছেই। কারও কারও বমি, অস্বস্তিও হয়। চিকিৎসকেরা বলেন, কিডনিতে এক বার পাথর হলে তাঁর বার বার পাথর হতে পারে। জীবনধারায় বদল না আনলে, এমন প্রবণতা ঠেকানো দুষ্কর। কী ভাবে কিডনি এবং পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি এড়াবেন?
পানি: কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা এড়ানোর প্রথম শর্তই হল পানি খাওয়া। পানি খেলে শরীরে দূষিত পদার্থ জমতে পারে না। প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা বলেন, দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার পানি খাওয়া দরকার।
ওজন: আচমকা ওজন বেড়ে যাওয়া আবার দ্রুত ওজন কমানোর ফলেও কখনও কখনও পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে। কারণ, দুই ক্ষেত্রেই শরীরে হঠাৎ করে হরমোনের হেরফের হতে পারে। তার ফলে গল ব্লাডারে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। সেই কারণে নিয়মিত শরীরচর্চা খুব জরুরি।
খাবার বাদ না দেওয়া: অনেকেই ঠিক করে প্রাতরাশ সারেন না। কেউ আবার খেলেও অস্বাস্থ্যকর, অতিরিক্ত ফ্যাট জাতীয় খাবার বেছে নেন। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে যকৃতে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে পারে। তার ফলে, পিত্তথলিতে পাথর জমার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
সঠিক খাদ্যাভ্যাস: কিডনিতে এক বার পাথর জমলে অক্সালেট রয়েছে এমন খাবার পরিমিত পরিমাণে খাওয়া দরকার। খাদ্যতালিকায় রাখা দরকার বিভিন্ন রকম ফল, সব্জি। লেবু জাতীয় ফল খুবই ভাল। টাটকা সব্জি খাওয়া উচিত। তবে বেশি নুন এবং চিনি জাতীয় খাবারে উচ্চ মাত্রায় অক্সালেট রয়েছে, এমন খাবার যেমন পালংশাক, বাদাম ইত্যাদি মাত্রাতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়।
পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা কমাতে ফ্যাট ছাড়া প্রোটিন, ফাইবার যুক্ত খাবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট পাতে রাখা দরকার। মাছ, গোশত, ডিম, টাটকা শাকসব্জি খেতে হবে। পাশাপাশি রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট (ময়দা, চিনি), প্রক্রিয়াজাত মাংস, অতিরিক্ত ফ্যাট জাতীয় খাবার বাদ না দিলেই বিপদ। (সংস্কার/ইএমই/স্বাস্থ্য)
বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস পরিস্থিতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এখন প্রকৃত অর্থেই বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকির বড় সতর্কবার্তা দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) প্রকাশিত সর্বশেষ অ্যাটলাসে উঠে এসেছে, পৃথিবীর প্রতি ৯ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে একজন এই রোগে ভুগছেন। ২০ থেকে ৭৯ বছর বয়সী জনগোষ্ঠীর
হঠাৎ হাসপাতালে কোনো রোগীকে ভেন্টিলেশনে নেওয়ার কথা জানলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু বাস্তবে ভেন্টিলেটর এমন একটি চিকিৎসা-সহায়ক যন্ত্র, যা বিপদে পড়া রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সহজ ভাষায় বোঝার জন্য বিষয়টি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হলো। ভেন্টিলেশন কী, কেন দিতে হয় এবং
আপনি কি জানেন আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো কিডনী যা,দেখতে শান্ত,কথা না বলা এই দুই ছোট্ট অঙ্গ কিন্তু শরীরের নেপথ্যের নায়ক। কিডনি চুপচাপ নিজের কাজ করে যায়, আর সমস্যায় পড়লেও খুব একটা শব্দ করে না। তবুও শরীরের বর্জ্য ফেলা,পানি নিয়ন্ত্রণ,রক্তচাপ সামলানো সবকিছুরই বড় দায়িত্ব
আমাদের ব্রেনে বিভিন্ন রকমের পানি ভর্তি থলি বা সিস্ট হতে পারে। এর মধ্যে কিছু সিস্ট আছে যেগুলো খুব বেশি সমস্যা করে না। এরাকনয়েড সিস্ট সেরকমই একটি সিস্ট। তবে খুব বড় হয়ে গেলে এটি সমস্যা তৈরী করতে পারে। ছেলেদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়।