অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রকল্পে ৬ কোটি টাকার দুর্নীতি

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ৯ মার্চ ২০২৬: ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের সপ্তম ফেইজে প্রায় ৬ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ধরা পড়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, প্রকল্পের কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীর যোগসাজশে মোট ৬ কোটি ১১ লাখ ১২ হাজার ৫০৯ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, এ ধরনের বড় অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ কেবল কর্মচারীদের পক্ষে সম্ভব নয়; এর পেছনে আরও প্রভাবশালী ব্যক্তির সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। তবে প্রকল্প পরিচালকসহ অনেক কর্মকর্তা ক্যাডার হওয়ায় কেউ কেউ ইতোমধ্যে অবসরে গেছেন। কর্মরত কর্মকর্তাদের বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে তদন্তসংশ্লিষ্টরা অনীহা প্রকাশ করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত দায়ীদের রক্ষা করার চেষ্টা চলছে।

ধর্মীয় শিক্ষা ও নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন দেশজুড়ে শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্প পরিচালনা করে। বর্তমানে সব বিভাগে এ প্রকল্পের আওতায় ৪৫ হাজারের বেশি শিক্ষক মাসিক ৬ হাজার টাকা সম্মানিতে শিশুদের কুরআন শিক্ষা দেন। পুরোনো শিক্ষকদের ক্ষেত্রে বছরে ৫০০ টাকা করে বেতন বৃদ্ধি হয়।

তদন্তে জানা গেছে, প্রকল্পের পিডির পিও মো. রাশেদুল ইসলাম, ক্যাশিয়ার সুমন শিকদার ও লেজার কিপার মনিরুল ইসলাম প্রকল্পের কয়েকজন কর্মকর্তার সহযোগিতায় এই অর্থ আত্মসাৎ করেন। তারা ভুয়া শিক্ষক দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে টাকা পাঠাতেন। রাশেদুল ইসলাম রূপালী ব্যাংক ইফা উপ-শাখা, সোনালী ব্যাংক পিএসি শাখা ও সোনালী ব্যাংক পোস্তগোলা শাখায় নিজের স্ত্রী, মা, বোন ও পরিচিতদের নামে শিক্ষকদের সম্মানির টাকা পাঠান, যদিও তারা কেউ শিক্ষক ছিলেন না।

অভিযোগ রয়েছে, অনেক বৈধ শিক্ষকের বেতন আটকে রেখে ঘুষের বিনিময়ে তা ছাড় করতেন রাশেদুল ইসলাম। বিশেষ করে ঢাকার কদমতলী, শ্যামপুর, পোস্তগোলা, বংশাল, ডেমরা ও মাতুয়াইল এলাকার শিক্ষকরা এ বিষয়ে অভিযোগ করেছেন এবং তদন্তে এর সত্যতা পাওয়া গেছে।

ইফার গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও সহকারী পরিচালক (কার্যক্রম-১) মো. জামাল উদ্দিন বলেন, বিপুল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা সত্য। তবে শুধু কর্মচারীরা এককভাবে এটি করতে পারেন না, এর পেছনে আরও বড় ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। এ কারণে অধিকতর তদন্তের জন্য বিষয়টি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাশেদুল ইসলাম একটি সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। এতে শেরেবাংলা জোনের অবৈধ ভারপ্রাপ্ত মডেল কেয়ারটেকার ওমর ফারুক, আব্দুল আজিজ, কবির, হেলাল, গোলাম কাদর এবং মাদারীপুরের ফিল্ড সুপারভাইজার ইয়াসমিন আক্তারসহ কয়েকজন যুক্ত ছিলেন। তাদের কললিস্ট ও ব্যাংক হিসাব যাচাই করলে প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়া তদন্তে দেখা গেছে, ক্যাশিয়ার সুমন শিকদারের ব্যক্তিগত হিসাবে প্রায় ৯৯ লাখ টাকা এবং রাশেদুল ইসলামের হিসাবে প্রায় ৩২ লাখ টাকার স্থিতি পাওয়া গেছে। লেজার কিপার মনিরুল ইসলামের অ্যাকাউন্টেও বিপুল লেনদেনের তথ্য মিলেছে। মনিরুল ইসলাম জিজ্ঞাসাবাদে অর্থ আত্মসাতের কথা স্বীকার করে লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন এবং দাবি করেছেন, ক্যাশিয়ার সুমন শিকদারের প্ররোচনায় তিনি এ কাজ করেছেন।

ইফার বর্তমান প্রকল্প পরিচালক এসএম তরিকুল ইসলাম জানান, তদন্তে কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি এখন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত করছে। তিনি আরও বলেন, একাধিক প্রকল্প পরিচালকের সময় এ অনিয়ম হয়েছে, বিশেষ করে সাবেক যুগ্ম সচিব নায়েব আলী মন্ডল ও সফিউল আলম তালুকদারের সময় ঘটেছে বলে জানা গেছে।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বাজেট ও অনুদান) মো. ফজলুর রহমান জানান, তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিষয়টি অধিকতর তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। তবে এর বেশি মন্তব্য করতে তিনি অনীহা প্রকাশ করেন।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী : ১৭ সমঝোতা স্মারক

দীর্ঘ কূটনৈতিক নীরবতা ও ভূ-রাজনৈতিক জটিলতার মধ্যে ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে চীন থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চার দিনের প্রথম চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। সফরের শেষ দিনে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং

চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক : দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার উদ্যোগ

চীনের চার দিনের সরকারি সফরে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। এর আগে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তিয়েনআনমেন স্কয়ারে অবস্থিত বীর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে চীনের বিপ্লবী বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। এ

বাংলাদেশ-চীনের ১৩ সমঝোতা স্মারক : গণমাধ্যমে ব্যাপক সহযোগিতা

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে দুই দেশের মধ্যে এসব সমঝোতা স্মারক সই হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে। একই দিন বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের

৬ জেলায় সেনা কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ছয় জেলায় সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কমিশনড কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়েছে সরকার। সোমবার (২২ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের