আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১০ মার্চ ২০২৬: নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য হ্রাস ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করতে সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি চালু করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। প্রথম ধাপে দেশের ৩৭ হাজার ৫৬৪ নারী ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছেন।
সোমবার সচিবালয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এই কর্মসূচি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। পাশাপাশি কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, মৎস্যজীবী ও প্রাণিসম্পদ খামারিদের জন্য পেশাভিত্তিক কার্ড চালুর উদ্যোগও রয়েছে।
প্রথম পর্যায়ে পাইলট কর্মসূচি হিসেবে ১৩টি জেলার ১৫টি ওয়ার্ডে এটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ পর্যায়ে হতদরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবার চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছে, যার মধ্যে প্রথম ধাপে ৩৭ হাজার ৫৬৪ নারী কার্ড পাচ্ছেন। প্রতিটি পরিবারকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
উপকারভোগী নির্বাচনের জন্য ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের সদস্যসংখ্যা, শিক্ষা, আয়-ব্যয়, বাসস্থান, ব্যবহৃত সামগ্রী, রেমিট্যান্সসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে ‘প্রক্সি মিনস টেস্ট’ বা দারিদ্র্য সূচকের ভিত্তিতে পরিবারগুলোকে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। ডাবল ডিপিং, সরকারি চাকরি, পেনশনসহ বিভিন্ন কারণে অনেককে বাদ দিয়ে চূড়ান্তভাবে উপকারভোগীদের তালিকা করা হয়েছে।
ফ্যামিলি কার্ড হবে স্পর্শবিহীন চিপ ও কিউআর কোড প্রযুক্তিসম্পন্ন আধুনিক কার্ড। সাধারণত পাঁচ সদস্যের জন্য একটি কার্ড দেওয়া হবে। তবে যৌথ পরিবারে সদস্য সংখ্যা বেশি হলে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয় বিবেচনা করা হবে। এই কার্ডের আওতায় নির্বাচিত নারীপ্রধান পরিবারগুলো জি-টু-পি পদ্ধতিতে সরাসরি তাদের মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাবেন। ফলে ঘরে বসেই তারা সরকারি সহায়তা গ্রহণ করতে পারবেন।
পাইলট পর্যায়ে জুন ২০২৬ পর্যন্ত কর্মসূচি বাস্তবায়নে মোট ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা সরাসরি নগদ সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে এবং বাকি অর্থ তথ্য সংগ্রহ, অনলাইন সিস্টেম, কার্ড প্রস্তুতসহ অন্যান্য কাজে ব্যয় হবে।
এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দলের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগান নিয়ে ঘোষিত ওই ইশতেহারে সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও প্রবাসী কার্ড চালুসহ বিভিন্ন কর্মসূচির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
ইশতেহারে আরও বলা হয়েছে, ভাতা বৃদ্ধি, বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য পেনশন ফান্ড, দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রতিবন্ধীদের জাতীয় সেবা নিশ্চিত করা এবং এতিম শিশুদের জন্য বিশেষ তহবিল গঠন করা হবে। এছাড়া কৃষকদের সুরক্ষা, ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ, বেকারভাতা, জনবহুল স্থানে বিনামূল্যে ইন্টারনেট, বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিএনপি জানিয়েছে, তাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল দর্শন ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সব দেশের সঙ্গে সমতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদার করা হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির ইশতেহারে ‘করব কাজ, গড়ব দেশ’ প্রত্যয়ে ৯টি মূল প্রতিশ্রুতি এবং পাঁচ ভাগে বিভক্ত ৫১টি কর্মসূচি তুলে ধরা হয়েছে। এতে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে ব্যাপক সংস্কার ও সহায়তার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বড় বিনিয়োগভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তোলা, জাতীয় পুনর্মিলন কমিশন গঠন এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে।
দলটি জানিয়েছে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা, বেগম খালেদা জিয়ার ভিশন-২০৩০, তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা এবং জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই তাদের লক্ষ্য।
সংস্কার/ইএমই
দীর্ঘ কূটনৈতিক নীরবতা ও ভূ-রাজনৈতিক জটিলতার মধ্যে ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে চীন থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চার দিনের প্রথম চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। সফরের শেষ দিনে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং
চীনের চার দিনের সরকারি সফরে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। এর আগে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তিয়েনআনমেন স্কয়ারে অবস্থিত বীর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে চীনের বিপ্লবী বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। এ
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে দুই দেশের মধ্যে এসব সমঝোতা স্মারক সই হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে। একই দিন বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ছয় জেলায় সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কমিশনড কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়েছে সরকার। সোমবার (২২ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের