আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৬ জানুয়ারী ২০২৬: শহীদ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে শত-সহস্র কোটি টাকার বিনিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেন, এই হত্যাকাণ্ড শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, বরং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় পতাকা ও রাষ্ট্রকেই লক্ষ্য করে করা হয়েছে। শুক্রবার ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল শেষে টিএসসির সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে আব্দুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ করেন, হাদি হত্যাকাণ্ডের চার্জশিটে মূল আসামিদের কাউকেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। কারা আসামিদের আড়াল করছে, তা তাদের কাছে স্পষ্ট। তিনি বলেন, রাষ্ট্র চাইলে কাউকে লুকিয়ে রাখার সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছরে বিরোধী দলের নেতাদের মাটির নিচে লুকিয়েও খুঁজে বের করা হয়েছে। অথচ হাদির হত্যাকারীরা এখনো দেশেই রয়েছে এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের রক্ষা করার চেষ্টা চলছে। এ কারণেই বিচার দাবিতে জনগণ রাজপথে নেমেছে। ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব বলেন, একজন মানুষকে হত্যা করতে শত কোটি টাকার প্রয়োজন হয় না। অল্প টাকায়ও খুন করা সম্ভব। তাহলে প্রশ্ন হলো, এই বিপুল অর্থ কোথায় গেল, কারা বিনিয়োগ করেছে এবং কেন?
তিনি অভিযোগ করেন, ৫ তারিখে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে বসে ২১ জনের একটি দল হাদিকে গুলি করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু চার্জশিটে ফয়সাল, মাসুদ ও আলমগীর ছাড়া ওই ২১ জনের অন্য কাউকে রাখা হয় নি। এতে মামলার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সমাবেশ শেষে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, এই অন্যায়ের সঙ্গে রাষ্ট্রের প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও জড়িত থাকতে পারেন। শহীদ উসমান হাদির মৃত্যুর পরও এই আন্দোলন ও লড়াই চলবে বলে তিনি জানান।
সংস্কার/ইএমই
দীর্ঘ কূটনৈতিক নীরবতা ও ভূ-রাজনৈতিক জটিলতার মধ্যে ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে চীন থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চার দিনের প্রথম চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। সফরের শেষ দিনে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং
চীনের চার দিনের সরকারি সফরে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। এর আগে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তিয়েনআনমেন স্কয়ারে অবস্থিত বীর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে চীনের বিপ্লবী বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। এ
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে দুই দেশের মধ্যে এসব সমঝোতা স্মারক সই হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে। একই দিন বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ছয় জেলায় সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কমিশনড কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়েছে সরকার। সোমবার (২২ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের