আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১ জুন ২০২৬ সোমবার: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়া ঠেকাতে নতুন বিধান আনতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ জন্য আচরণ বিধিমালায় ‘অঙ্গীকার’ নামে একটি নতুন ধারা যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইসি সচিবালয়ের প্রস্তুত করা খসড়া অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী প্রার্থীদের কমিশন নির্ধারিত একটি অঙ্গীকারনামায় সই করতে হবে। সেখানে উল্লেখ থাকবে যে, তারা কোনো নিষিদ্ধ বা নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের সঙ্গে জড়িত নন।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অঙ্গীকারনামায় ভুল বা গোপন তথ্য দিলে কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে। ফলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য নিষিদ্ধ দলের পদধারী নেতাকর্মীদের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ সীমিত হবে।
সম্প্রতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণ বিধিমালা ও পরিচালনা বিধিমালার সংশোধনী খসড়া তৈরি করা হয়েছে। ঈদের ছুটির আগে ২৪ মে খসড়াগুলো প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চার কমিশনারের কাছে উপস্থাপন করা হয়। শিগগিরই এ বিষয়ে কমিশনের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসির একাধিক কর্মকর্তা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালার খসড়াকে ‘মডেল’ হিসেবে ধরা হয়েছে। কমিশন যেসব সংশোধনী অনুমোদন করবে, সেগুলো সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ নির্বাচনের আচরণ বিধিমালায় যুক্ত করা হবে। আইন সংস্কার কমিটির আলোচনার পরই এসব খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। কমিশনারদের মতামতের ভিত্তিতে আরও পরিবর্তন আসতে পারে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে অঙ্গীকারনামা জমা দেওয়ার বিধান রাখা হবে। তিনি বলেন, “এটা আমাদের রাখতে হবে। ইনশাআল্লাহ আমরা এই বিধান রাখব।”
আওয়ামী লীগকে লক্ষ্য করে এ বিধান আনা হচ্ছে কি না—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, কোনো নির্দিষ্ট দলকে টার্গেট করে নয়; দেশে কয়েকটি দল নিষিদ্ধ আছে, বিদ্যমান আইন বিবেচনায় নিয়েই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গণহত্যার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়। পরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ও আচরণ বিধিমালায় সংশোধন আনা হয়। ফলে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। এবার একই ধরনের বিধান স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বিদ্যমান বিধান বাতিলের প্রস্তাবও করা হয়েছে। বর্তমানে দেশের বেশিরভাগ সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার মেয়র এবং জেলা ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ শূন্য। সেখানে প্রশাসকরা দায়িত্ব পালন করছেন।
ইসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষ দিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে। তবে কোন স্তরের নির্বাচন আগে হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
কর্মকর্তারা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগে হলে অন্য জনপ্রতিনিধিদের প্রভাব তুলনামূলক কম থাকবে। পরবর্তী পর্যায়ের নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রভাব ও বিতর্ক এড়াতেই নতুন অঙ্গীকারনামাসহ বিভিন্ন সংশোধনী আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংস্কার/ইএমই
দীর্ঘ ১১ বছর পর দুটি পে স্কেলের সমন্বয়ে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে সংগঠনটি প্রথম ধাপেই শতভাগ মূল বেতন (বেসিক) কার্যকরের দাবি জানিয়েছে। রোববার সংগঠনের আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব
দীর্ঘদিনের আলোচনার পর আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো কার্যকর হচ্ছে। নতুন এই পে স্কেলের আওতায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও সুবিধা পাবেন। সচিবালয়ে ২১ মে নবম পে স্কেল চূড়ান্ত করতে গঠিত সচিব কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক করতে আইন, বিধিমালা ও আচরণবিধিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সহজ ভাষায় নতুনভাবে পুনর্লিখনের সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হওয়ার পর নির্বাচন
জমির নামজারি, সনদ গ্রহণ, ভূমি জটিলতা ও বিভিন্ন নাগরিক সেবায় ভোগান্তি কমাতে আগামী ১৯ থেকে ২১ মে পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে শুরু হচ্ছে ‘ভূমিসেবা মেলা-২০২৬’। সহজ, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর ভূমিসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতেই এ আয়োজন করছে ভূমি মন্ত্রণালয়। আগামী ১৯ মে ২০২৬ সকাল ১০টায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে