আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২১ জানুয়ারী ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ার পর দেশের অন্তত অর্ধশতাধিক সংসদীয় আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীরা নির্বাচনের মাঠে রয়ে গেছেন। নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও এসব বিদ্রোহী প্রার্থী সরে দাঁড়ান নি। এতে দলীয় ঐক্য ও ভোটের হিসাব মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন রাজনীতিতে সক্রিয় অনেক ত্যাগী নেতা মনোনয়ন না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন, আবার কেউ প্রকাশ্যেই দলীয় সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে জনপ্রিয় এসব নেতার কারণে সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে বিএনপির ভোট বিভক্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এক সদস্য জানান, অনেক মনোনয়নপ্রত্যাশী দীর্ঘদিন মাঠে কাজ করলেও রাজনৈতিক বাস্তবতা ও কৌশলগত কারণে সবাইকে মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি। এতে অসন্তোষ তৈরি হয়। বিদ্রোহী প্রার্থীদের সরে দাঁড় করাতে চেষ্টা করা হলেও অনেকেই দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে রয়ে গেছেন। দলীয়ভাবে জানানো হয়েছে, যারা দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে কয়েকজন নেতাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছে।
বিভিন্ন জেলা থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, বরিশাল-১ আসনে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহান, ঝালকাঠি-১ আসনে ব্যারিস্টার মঈন আলম ফিরোজী, নওগাঁ-১ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সালেক চৌধুরী এবং নওগাঁ-৬ আসনে সাবেক এমপি আলমগীর কবির বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন।
চাঁদপুর-৪ আসনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক এমএ হান্নান বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে থাকায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বাগেরহাটের চারটি আসনেই বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে। এর মধ্যে বাগেরহাট-১, ২ ও ৩ আসনে সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম এবং বাগেরহাট-৪ আসনে কাজী খাইরুজ্জামান শিপন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা সাইফুল ইসলাম ফিরোজ প্রার্থী হয়েছেন এবং তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নীলফামারী-৪ আসনে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ আরফান সরকার রানা ও সাবেক ছাত্রদল নেতা এসএম মামুন অর রশিদ বিদ্রোহী প্রার্থী।
কুমিল্লা-২ আসনে খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস ইঞ্জিনিয়ার এমএ মতিন খান, কুমিল্লা-৭ এ আতিকুল আলম শাওন এবং কুমিল্লা-৯ আসনে সাবেক এমপি আনোয়ারুল আজিমের কন্যা সামিরা আজিম দোলা নির্বাচনে রয়েছেন।
রাজবাড়ী-২ আসনে সাবেক এমপি মো. নাসিরুল হক সাবু, হবিগঞ্জ-১ এ শেখ সুজাত মিয়া ও হবিগঞ্জ-৪ এ মিজানুর রহমান বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। কুষ্টিয়া-১ এ মো. নুরুজ্জামান, মানিকগঞ্জ-১ এ তোজাম্মেল হক তোজা এবং মানিকগঞ্জ-৩ এ আতাউর রহমান আতা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচন করছেন; আতা ও তোজাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সংস্কার/ইএমই
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবৈধ পুশইন, সীমান্ত হত্যা ও নির্যাতন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, সরকার যদি সীমান্তে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের পদত্যাগ করা উচিত। সোমবার রাজধানীর
দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা প্রায় এক হাজার বন্ধুর অংশগ্রহণে গাজীপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৯৯৪ সালের এসএসসি ব্যাচের ব্যতিক্রমধর্মী পুনর্মিলনী। দিনব্যাপী এ আয়োজনে আনন্দ-উৎসবের পাশাপাশি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মাওলানা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, ভারতকে প্রকাশ্য শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে দেশের ওপর তার প্রভাব থেকে মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। বুধবার রাতে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার কাশেমনগর আদর্শগ্রাম
রংপুরের পলাশবাড়ীতে বৃহৎ আকারের হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনা নির্মাণ এবং সেখানে বিদেশি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদের ধারাবাহিক সফর ও অংশগ্রহণের বিষয়টি নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হওয়া প্রশ্নের স্বচ্ছ তদন্তের দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। সংগঠনটির আমীর আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর