অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

শিখ জনসংখ্যা বাড়াতে আর্থিক প্রণোদনার প্রস্তাব বিজেপি নেতার

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ১৮ মে ২০২৬ সোমবার: পাঞ্জাবে শিখ জনসংখ্যা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থেকে প্রতিটি শিখ পরিবারের অন্তত চারটি সন্তান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পাঞ্জাব বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জগমোহন সিং রাজু। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তরুণ শিখ দম্পতিদের আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার জন্য তিনি মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের কাছে লিখিত আবেদনও করেছেন।

সম্প্রতি অন্ধ্রপ্রদেশ সরকার হ্রাসমান জন্মহার মোকাবিলায় নতুন জনসংখ্যা নীতি ঘোষণা করেছে। সেই নীতিতে তৃতীয় সন্তানের জন্য ৩০ হাজার এবং চতুর্থ সন্তানের জন্য ৪০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব রয়েছে। জগমোহন সিং রাজু পাঞ্জাবেও একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানকে পাঠানো চিঠিতে তিনি দাবি করেন, জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী ভারতের প্রধান ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে শিখ সম্প্রদায়ের প্রজনন হার সবচেয়ে কম।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৯৯১ সালের আদমশুমারিতে পাঞ্জাবে শিখ জনসংখ্যা ছিল ৬২ দশমিক ৯৫ শতাংশ, যা ২০১১ সালে কমে দাঁড়ায় ৫৭ দশমিক ৬৯ শতাংশে। তার মতে, এই ধারাবাহিক পতন শিখ সম্প্রদায়ের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ভবিষ্যৎ অস্তিত্বের জন্য উদ্বেগজনক।

জগমোহন সিং রাজু বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রাম, প্রতিরক্ষা, কৃষি ও জাতীয় উন্নয়নে শিখ সম্প্রদায়ের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের জনসংখ্যাগত শক্তি ধরে রাখা প্রয়োজন।

তবে এ প্রস্তাব ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হলে তিনি স্পষ্ট করেন, এটি বিজেপির আনুষ্ঠানিক নীতি নয়, বরং তার ব্যক্তিগত মতামত।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, পাঞ্জাবের জনসংখ্যাগত চিত্র দ্রুত বদলে যাচ্ছে। সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় শিখদের জনসংখ্যা বাড়ানো প্রয়োজন বলেই তিনি মনে করেন।

দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে জনসংখ্যাগত ভারসাম্য নিয়ে চলমান বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় এ ধরনের উদ্যোগ সময়ের দাবি।

তবে জগমোহন সিং রাজুর এই প্রস্তাবের বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাঞ্জাব সরকার বা আম আদমি পার্টির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

ট্রাম্পের পর এবার পুতিন :  বৈশ্বিক কূটনীতির কেন্দ্র হয়ে উঠছে বেইজিং

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফর শেষ হওয়ার মাত্র চার দিন পরই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে স্বাগত জানাতে যাচ্ছে চীন। এক সপ্তাহের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার শীর্ষ নেতাদের সফরকে ঘিরে বেইজিং এখন বৈশ্বিক কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নতুন গো-আইনে সংকটে খামারিরা : নবান্নে গরু নিয়ে অবস্থানের হুঁশিয়ারি

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার হাঙ্গড় থানার নারকেলবেড়িয়ার ঘোষপাড়ায় নতুন গো-আইনের কারণে চরম সংকটে পড়েছেন ডেইরি খামারিরা। কুরবানির ঈদের আগে গরু কেনাবেচায় কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করায় এলাকার শত শত খামারি পরিবার আর্থিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। স্থানীয় খামারিদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দুধ

বারাণসীতে উচ্ছেদ অভিযানে ঝুঁকিতে ৬ মসজিদ : আতঙ্কে মুসলিম পরিবারগুলো

ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের বারাণসী শহরের ঐতিহাসিক মুসলিম অধ্যুষিত ডালমন্ডি এলাকায় সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রশাসনের এই অভিযানে শত শত ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অন্তত ছয়টি ঐতিহাসিক মসজিদ ভাঙার তালিকায় পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রায় ২২৬

ভারতে বাবরি রায়ের পর উপাসনালয় আইন কার্যকরের দাবি মাহমুদ মাদানির

অযোধ্যার বাবরি মসজিদ মামলার রায় মুসলিম সমাজ শান্তির স্বার্থে মেনে নিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন জমিয়ত উলেমা-ই-হিন্দের সভাপতি মাওলানা মাহমুদ মাদানি। তবে এরপর একের পর এক ধর্মীয় স্থানকে ঘিরে নতুন মামলা ও বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, এসব ঘটনায় ১৯৯১ সালের ‘উপাসনালয় (বিশেষ বিধান)