আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১১ মার্চ ২০২৬: মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলমান সংঘাতের কারণে অঞ্চলজুড়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে নিজেদের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজারেরও বেশি মার্কিন নাগরিক ওই অঞ্চল ছেড়ে দেশে ফিরে গেছেন।
সংঘাতের সূত্রপাত হয় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, যখন ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ঠেকাতে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইরান ইসরায়েলের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি আরব দেশেও, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক বা কৌশলগত স্বার্থ রয়েছে, হামলার খবর বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া গেছে।
এই উত্তেজনার প্রভাব দ্রুত পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অন্তত ১৪টি দেশ কোনো না কোনোভাবে এই সংঘাতের প্রভাবে রয়েছে। ফলে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় বিদেশি নাগরিকদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ৪৩ হাজারের বেশি মার্কিন নাগরিক মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট জানান, নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফেরাতে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এই টাস্কফোর্সের মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার মার্কিন নাগরিককে সরাসরি সহায়তা দিয়ে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, নাগরিকদের সরিয়ে নিতে দুই ডজনের বেশি চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে। তবে এসব ফ্লাইটে যাত্রীসংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম ছিল গড়ে ৪০ শতাংশেরও কম আসন পূর্ণ হয়েছে। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, অনেক মার্কিন নাগরিক চার্টার্ড ফ্লাইটের পরিবর্তে নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট ব্যবহার করে দেশে ফিরতে আগ্রহ দেখিয়েছেন। ফলে সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগেও অনেকেই অঞ্চল ছেড়ে চলে গেছেন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে। চার্টার্ড ফ্লাইটের পাশাপাশি স্থলপথে বিভিন্ন দেশের সীমান্ত পেরিয়ে নিরাপদ স্থানে পৌঁছানোর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত যেকোনো মার্কিন নাগরিক চাইলে এই সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারেন। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন হলে উদ্ধার কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হলে বিদেশি নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে এই সংঘাত আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। (বিবিসি)
সংস্কার/ইএমই
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দেশটির সর্বোচ্চ আইনসভা ‘ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস’ (এনপিসি) থেকে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ৬ জন শীর্ষ জেনারেলসহ মোট ১৩ জন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া একজন সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার রাতে এনপিসির স্থায়ী কমিটির
লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়ে আছেন এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৫১ হাজার ছাড়িয়েছে। উদ্ধার অভিযান ধীরগতিতে চলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
ভারতের মধ্যপ্রদেশে ২০২২ সালের এক গণপিটুনি হত্যা মামলায় ১৪ জন তথাকথিত ‘গো-রক্ষক’কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান প্রাণনাশের হুমকি ও সাম্প্রদায়িক আক্রমণের মুখে পড়েছেন। ঘটনাটি দেশজুড়ে বিচারকদের নিরাপত্তা ও বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা
ভারতের রাজস্থান রাজ্যের বাড়মের ও জয়সলমীর জেলায় সরকারি উচ্ছেদ অভিযানের নামে মসজিদ ও মুসলিম ধর্মীয় উপাসনালয় ভাঙার অভিযোগে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে নেমেছেন। এই আন্দোলনের বিশেষ দিক হলো, স্থানীয় মুসলিমদের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাও একসঙ্গে উচ্ছেদ অভিযানের বিরোধিতা করছেন। বাড়মের জেলার বাড়বীর গ্রামসহ