আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫: রাজধানীর গুলশান-২ থেকে প্রগতি সরণি পর্যন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নতুন নামকরণ করা হয়েছে - ফেলানী এভিনিউ। সড়কটি ভারতীয় দূতাবাসের পাশেই অবস্থিত। সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত কিশোরী ফেলানী খাতুনের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে এই নামকরণ করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ডিপ্লোমেটিক জোনের গুলশান-২ থেকে প্রগতি সরণি পর্যন্ত সড়কটির নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘ফেলানী এভিনিউ’, যা সীমান্তে নিহত কিশোরী ফেলানীর স্মরণে রাখা হয়েছে।
২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে ঘটে যায় আলোচিত ও হৃদয়বিদারক ফেলানী হত্যাকাণ্ড। ভারত থেকে বাবার সঙ্গে দেশে ফেরার পথে ১৫ বছরের কিশোরী ফেলানী খাতুন বিএসএফের গুলিতে নিহত হন। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তার মরদেহ কাঁটাতারে চার ঘণ্টারও বেশি সময় ঝুলে থাকে। এই দৃশ্য দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন তোলে এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র আলোচনা সৃষ্টি হয়।
ফেলানী হত্যার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট ভারতের কোচবিহারে বিএসএফের বিশেষ আদালতে। কিন্তু ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। পরে বিজিবির আপত্তির পর ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পুনরায় বিচার শুরু হলেও সেখানেও অমিয় ঘোষ খালাস পান।
এরপর ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই ভারতীয় মানবাধিকার সংস্থা – মাসুম -এর মাধ্যমে ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম ভারতের উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দাখিল করেন। পিটিশনের ভিত্তিতে কয়েক দফা শুনানির তারিখ পিছালেও মামলাটি এখনো আদালতেই ঝুলে আছে।
ফেলানী কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের দক্ষিণ কলোনিটারী গ্রামের বাসিন্দা নুর ইসলামের বড় মেয়ে। পরিবারের সঙ্গে ইটভাটার কাজে ভারতের বঙ্গাই-গাঁও এলাকায় থাকতেন তিনি। বিয়ে ঠিক হওয়ায় দেশে ফেরার সময় উত্তর অনন্তপুর সীমান্তের ৯৪৭/৩ নম্বর পিলারের পাশে বাবার সঙ্গে বাঁশের মই বেয়ে কাঁটাতার পার হওয়ার চেষ্টা করেন ফেলানী। এ সময় ভারতীয় চৌধুরীহাট ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষ তাকে গুলি করে হত্যা করেন।
ফেলানী হত্যার ১৫ বছর পার হলেও এখনো পরিবার ন্যায়বিচার পায়নি। তবে মেয়ের হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে এখনো আশা ছাড়েননি তারা। ফেলানীর ছোট ভাই জাহান উদ্দিন বলেন, ১৫ বছর হয়ে গেল, আজও আমার বড় বোনের হত্যার বিচার পেলাম না। বোন হারানোর কষ্ট যারা হারিয়েছে তারাই বোঝে। ঢাকার গুলশানে আমার বোনের নামে ‘ফেলানী এভিনিউ’ হওয়ায় আমরা খুশি। তবে হত্যাকারীর সঠিক বিচার চাই।
ফেলানীর মা জাহানারা বেগম বলেন, মেয়ের হত্যার বিচার চেয়ে বহু জায়গায় গেছি, কিন্তু ১৫ বছরেও ন্যায়বিচার পাইনি। ভারতীয় দূতাবাসের সামনের সড়কের নাম আমার মেয়ের নামে হওয়ায় আমি খুশি। আমি শুধু আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই।
ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম বলেন, দুইবার কোচবিহারে গিয়ে সাক্ষ্য দিয়েছি, অমিয় ঘোষের নৃশংসতার কথা বলেছি। তারপরও ন্যায্যবিচার পাইনি। ভারতের সুপ্রিম কোর্টে রিট করেছি, কিন্তু শুনানি হচ্ছে না। তবুও আশা ছাড়িনি। ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাব। স্থানীয় বাসিন্দা আফজাল ও আমিনুল ইসলাম বলেন, ফেলানী হত্যার বিচার পেতে নুর ইসলাম কয়েক দফা ভারতে গেছেন, কিন্তু বিচার না পাওয়াটা দুঃখজনক। আমরা ফেলানী হত্যার বিচারসহ সীমান্ত হত্যা বন্ধের দাবি জানাই।
সংস্কার/ইএমই
তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ চেয়েছে বাংলাদেশ। বেইজিংয়ে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এ বিষয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আলোচনা হয়। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর আমন্ত্রণে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ৫ থেকে ৭ মে চীন সফর করেন। সফরের অংশ
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রাথমিক পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। প্রথম ধাপে নিম্ন আয়ের কর্মচারী, স্বল্প পেনশনভোগী এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের অভিভাবকদের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় বেতন কমিশনের অভ্যন্তরীণ সূত্র জানায়
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে তিন ধাপে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে পুনর্গঠিত পে-স্কেল কমিটি ইতোমধ্যে সুপারিশ তৈরির কাজ শুরু করেছে। শিগগিরই তাদের প্রস্তাব সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অর্থনীতির ওপর চাপ কমাতে আগামী তিন বছরে ধাপে
সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের আরও ১৭ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রোববার প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৫ ধারার আওতায় জনস্বার্থে