আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৫ মে ২০২৬ মঙ্গলবার: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধরনের রাজনৈতিক পালাবদলের ইঙ্গিত দিয়েছে ভোটের ফলাফল। দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনের পর বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে ভারতীয় জনতা পার্টি প্রথমবারের মতো একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে গেছে।
সারাদিনের ভোট গণনা শেষে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, রাজ্যের ভোটাররা পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিয়েছেন। কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুল-এ গণনার ১৭তম রাউন্ডের পর পরিষ্কার হয়ে যায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের আসনেই পিছিয়ে পড়েছেন। এই ফলাফলকে গোটা নির্বাচনের প্রতীকী চিত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ফল প্রকাশের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, বিজেপি ১০০টির বেশি আসন ‘লুট’ করেছে। তিনি নির্বাচন কমিশনকে ‘বিজেপির কমিশন’ বলেও মন্তব্য করেন। তার দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সহযোগিতায় নির্বাচন কমিশন অনৈতিকভাবে বিজেপিকে সুবিধা দিয়েছে। তবে তিনি গণতান্ত্রিক রায় সরাসরি অস্বীকার করেননি এবং ভবিষ্যতে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
সোমবার কলকাতায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, এই জয় নৈতিক নয়। তিনি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ও মনোজ আগরওয়ালের কাছেও অভিযোগ করেছিলেন বলে জানান। এছাড়া গণনা প্রক্রিয়ায় বিলম্ব এবং কিছু আসনে জয় নিশ্চিত হওয়ার পরও শংসাপত্র দিতে গড়িমসির অভিযোগ তোলে তৃণমূল কংগ্রেস। ডায়মন্ড হারবার, মগরাহাট পূর্ব-পশ্চিম, কুলপি, রায়দিঘি, পাথরপ্রতিমা, বাসন্তী, বর্ধমান উত্তর ও সীতাই কেন্দ্র নিয়ে অভিযোগ করা হয়।
অন্যদিকে দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ধুতি পরে বাঙালি সংস্কৃতির ছোঁয়ায় কর্মীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির এই জয় বহু বছরের সাংগঠনিক পরিশ্রমের ফল। কর্মীরাই দলের আসল শক্তি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নরেন্দ্র মোদি আরও বলেন, “গণতন্ত্রে জয়-পরাজয় স্বাভাবিক। এটা গণতন্ত্র ও সংবিধানের জয়।” একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক হিংসা বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “বদলা নয়, বদল চাই।”
এদিকে মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সংবাদ সম্মেলন করবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। সেখানে কীভাবে তৃণমূলকে ‘হারিয়ে দেওয়া হয়েছে’ তা বিস্তারিত তুলে ধরা হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূল কংগ্রেসের এই বিপর্যয়ের পেছনে কয়েকটি বড় কারণ কাজ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে নারী ভোটব্যাংকে ভাঙন, ভোটার তালিকা সংশোধনে বিপুলসংখ্যক নাম বাদ পড়া, দুর্নীতি ও অপশাসনের অভিযোগ, কর্মসংস্থানে ব্যর্থতা, হিন্দু ভোটের মেরুকরণ এবং নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর কঠোর ভূমিকা।
বিশেষ করে নারী সুরক্ষা ইস্যুতে তৃণমূলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। কলকাতার আরজিকর হাসপাতালের চিকিৎসক ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার পর গড়ে ওঠা আন্দোলন ভোটে প্রভাব ফেলেছে। এছাড়া ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’, ‘কন্যাশ্রী’ ও ‘সবুজ সাথী’র মতো প্রকল্প থাকা সত্ত্বেও নারী ভোটে আগের মতো প্রভাব ধরে রাখতে পারেনি তৃণমূল।
ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের কারণে প্রায় ৯০ লাখ নাম বাদ পড়ায় তৃণমূল বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে। বিজেপির দাবি ছিল, ভুয়া ও মৃত ভোটারের নাম বাদ পড়ায় এবার সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হয়েছে।
এছাড়া দীর্ঘদিনের শাসনে দুর্নীতি, কাটমানি, সিন্ডিকেট রাজ ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার অভিযোগও ভোটে প্রভাব ফেলেছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, মুসলিম ভোটে তৃণমূলের প্রভাব থাকলেও এবার হিন্দু ভোটের বড় অংশ বিজেপির দিকে ঝুঁকেছে।
সব মিলিয়ে ২০২৬ সালের এই নির্বাচন পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয় এবং বিজেপির উত্থান রাজ্যের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সংস্কার/ইএমই
২০২৫ সালের মর্যাদাপূর্ণ পুলিৎজার পুরস্কার-এ বড় সাফল্য অর্জন করেছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস, রয়টার্স এবং দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। পাবলিক সার্ভিস ক্যাটাগরিতে পুরস্কার জিতেছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিভিন্ন ফেডারেল সংস্থায় কাটছাঁট ও পরিবর্তন নিয়ে তাদের অনুসন্ধানী
দক্ষিণ চীন সাগর থেকে বাণিজ্য ও প্রযুক্তি, বিভিন্ন ইস্যুতে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ‘দাদাগিরি’ ও একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে চীন। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনা দূত ফু কোং যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডকে
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি প্রয়োগকে ভুল মনে করছেন দেশটির অধিকাংশ নাগরিক। সম্প্রতি ওয়াশিংটন পোস্ট, এবিসি নিউজ এবং ইপসোস-এর যৌথ জনমত জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। জরিপ অনুযায়ী, প্রতি ১০ জনের মধ্যে প্রায় ৬ জন (৬০ শতাংশ) মনে করেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া
মার্কিন-ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতের প্রভাবে উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট (ন্যাটো)-এর মধ্যে বড় ধরনের বিভাজন দেখা দিয়েছে। এই অভ্যন্তরীণ সংকটকে ‘বিপর্যয়কর’ হিসেবে উল্লেখ করে সতর্কবার্তা দিয়েছেন পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আটলান্টিক অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য সবচেয়ে