আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৯ জানুয়ারী ২০২৬: নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে প্রায় সাড়ে ২৯ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে। গত বছরের সেপ্টেম্বর শেষে এ খাতে খেলাপি ঋণ মোট বিতরণ করা ঋণের ৩৭ শতাংশেরও বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের জুন শেষে এনবিএফআই খাতে মোট ঋণ স্থিতি ছিল ৭৭ হাজার ৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণ ছিল ২৭ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩৫ দশমিক ৭২ শতাংশ। তিন মাস পর সেপ্টেম্বর শেষে মোট ঋণ স্থিতি বেড়ে দাঁড়ায় ৭৯ হাজার ২৫১ কোটি টাকায় এবং খেলাপি ঋণ বেড়ে হয় ২৯ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৩৭ দশমিক ১১ শতাংশ। এ সময়ে ঋণ বেড়েছে ২ হাজার ১৫৯ কোটি টাকা এবং খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো গভীর সংকটে রয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে পিকে হালদারের মাধ্যমে সংঘটিত অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের প্রভাব এখনো পুরো খাতে বিরাজ করছে। পিকে হালদারের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় থাকা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে খেলাপি ঋণের হার সবচেয়ে বেশি। এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য এনবিএফআইতেও খেলাপি ঋণ বাড়ছে, ফলে সামগ্রিকভাবে খাতটির পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এ খাতে আমানত হিসাবের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে, যদিও আমানতের পরিমাণে ওঠানামা রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে আমানতকারীর সংখ্যা কমেছিল প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৬৮ জন। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ৫ লাখ ৭০ হাজার ১৯৪ জন, যা ২০২৪ সালের জুনে কমে দাঁড়ায় ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮৯১ জনে। পরে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলে আমানতকারী বাড়তে শুরু করে এবং গত বছরের সেপ্টেম্বর শেষে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৫ লাখ ৪০ হাজার ৮২৫ জনে। শুধু জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর তিন মাসে আমানতকারী বেড়েছে প্রায় ৬০ হাজার ৬৬২ জন এবং এক বছরে মোট বেড়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৩৭ জন।
বর্তমানে দেশে ৩৫টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। উচ্চ খেলাপি ঋণ ও আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ২০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে ‘কেন বন্ধ করা হবে না’ এ মর্মে নোটিশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে ৯টি প্রতিষ্ঠানের পুনরুদ্ধার বা ঘুরে দাঁড়ানোর কর্মপরিকল্পনা সন্তোষজনক না হওয়ায় সেগুলো বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা সরকারের পক্ষ থেকেও অনুমোদন পেয়েছে।
বন্ধ হতে যাওয়া ৯টি প্রতিষ্ঠান হলো, এফএএস ফাইন্যান্স, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি, প্রিমিয়ার লিজিং, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, এ খাতের মোট খেলাপি ঋণের প্রায় ৫৫ শতাংশই এই ৯টি প্রতিষ্ঠানের। এসব প্রতিষ্ঠানে মোট আমানতের পরিমাণ ১৫ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যক্তিপর্যায়ের আমানত ৩ হাজার ৫২৫ কোটি টাকা এবং ব্যাংক ও করপোরেট গ্রাহকদের আমানত ১১ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানান, অবসায়নের পথে থাকা ৯টি রুগ্ণ এনবিএফআই-এর ব্যক্তিপর্যায়ের আমানতকারীরা ফেব্রুয়ারিতে রমজানের আগেই তাদের মূল টাকা ফেরত পাবেন। তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের সম্পদ মূল্যায়ন করা হবে এবং সম্পদের অবস্থা অনুযায়ী শেয়ারহোল্ডাররা কিছু পাবেন কি না, সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে সরকার প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার মৌখিক অনুমোদন দিয়েছে। তবে আমানতকারীরা শুধু তাদের মূল টাকা ফেরত পাবেন, কোনো সুদ দেওয়া হবে না।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের সাবেক মহাপরিচালক তৌফিক আহমেদ চৌধুরী বলেন, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যে উদ্দেশ্যে লাইসেন্স পেয়েছিল, তা পূরণ হয়নি। বরং অব্যবস্থাপনা ও আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে এ খাত থেকেও বিপুল অর্থ তছরুপ হয়েছে। তাই অনিয়মে জড়িত ও অকার্যকর প্রতিষ্ঠানগুলোকে এক্সিট পলিসির আওতায় এনে দ্রুত বন্ধ করার পক্ষে মত দেন তিনি।
সংস্কার/ইএমই
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), অটোমেশন ও দ্রুত বদলে যাওয়া বৈশ্বিক উৎপাদন ব্যবস্থার কারণে বাংলাদেশের শ্রমবাজার বড় ধরনের পরিবর্তনের মুখে পড়েছে। দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক শিল্পে আগামী বছরগুলোতে কর্মসংস্থান সংকট তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।
আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের নতুন ১৪ সদস্যের পরিচালনা পরিষদ নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে ব্যাংকটির পুরনো উদ্যোক্তাদের আবারও পরিচালনা পর্ষদে ফেরার সুযোগ তৈরি হয়েছে। বুধবার ১৫ জুলাই ২০২৬ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
শেখ হাসিনা ও ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর দেশে-বিদেশে থাকা মোট ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ আদালতের মাধ্যমে জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান ইখতিয়ারউদ্দিন মো. মামুন। বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে বিএফআইইউর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ
বিশ্বের অন্যতম বড় গাড়ি নির্মাতা ফক্সওয়াগন ব্যয় কমাতে বিশ্বজুড়ে আরও প্রায় ৫০ হাজার কর্মী কমানোর পরিকল্পনা করছে। তবে পরিস্থিতি আরও কঠিন হলে এই সংখ্যা প্রায় ১ লাখে পৌঁছাতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী (সিইও) অলিভার ব্লুম। কর্মীদের পাঠানো এক বার্তায় ব্লুম বলেন, তীব্র বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা