আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর নিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি প্রশ্ন তুলেছে, নতুন গভর্নর স্বার্থের দ্বন্দ্বের ঊর্ধ্বে থেকে কতটা স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
গতকাল এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নবনিযুক্ত গভর্নরের ব্যাংকিং খাতে অভিজ্ঞতা মূলত ঋণগ্রস্ত থেকে ঋণখেলাপি হওয়া এবং পরে বিশেষ বিবেচনায় ঋণ পুনঃতফসিলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এছাড়া তিনি তৈরি পোশাক শিল্প, আবাসন খাত, অ্যাটাব ও ঢাকা চেম্বারের মতো প্রভাবশালী ব্যবসায়ী লবির অংশ হিসেবেও ভূমিকা রেখেছেন।
বিবৃতিতে প্রশ্ন তোলা হয়, একজন তৈরি পোশাক শিল্প ও আবাসন ব্যবসায়ী, যিনি নিজ প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ বিবেচনায় ঋণ পুনঃতফসিল করেছেন, তিনি কি কর্পোরেট স্বার্থের প্রভাবমুক্ত থেকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা এবং ব্যাংকখাতের সুশাসন নিশ্চিত করতে পারবেন?
টিআইবির মতে, কর্তৃত্ববাদী চৌর্যতন্ত্রের সময়ে ব্যাংক খাত যে সংকটে পড়েছে, তা থেকে উত্তরণে নতুন গভর্নর কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবেন, সেটি বড় প্রশ্ন। বিশেষ করে, যেখানে সংসদ সদস্যদের প্রায় ৬০ শতাংশ এবং মন্ত্রিপরিষদের ৬২ শতাংশের মূল পেশা ব্যবসা। এছাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ সংসদ সদস্য ঋণগ্রস্ত এবং তাদের মোট আদায়যোগ্য ঋণের পরিমাণ অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে একজন ঋণগ্রস্ত ব্যবসায়ী, যিনি বিশেষ সুবিধায় ঋণ পুনঃতফসিলের অভিজ্ঞতা রাখেন এবং তৈরি পোশাক শিল্প ও রিহ্যাবের মতো খাতে নীতিগত সুবিধাভোগী, তাকে গভর্নর পদে নিয়োগ দেওয়া ব্যাংক খাতের জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে, তা সরকারকে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি।
কী বার্তা যাচ্ছে দেশ-বিদেশে? ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক আবারও জাতীয় স্বার্থের বদলে খেলাপি ঋণনির্ভর ও রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর প্রভাবাধীন হয়ে পড়তে পারে। তিনি আরও বলেন, সদ্য ক্ষমতাসীন দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির একজন সদস্যকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্ব দেওয়া কতটা যুক্তিসংগত, তা সরকারকে ভাবতে হবে।
নির্বাচনী অঙ্গীকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না! টিআইবি উল্লেখ করে, বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতিহারে ব্যাংক খাতের সুশাসন, আর্থিক প্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা, তদারকি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছিল। কিন্তু স্বার্থের দ্বন্দ্বে জড়িত এমন একজন ব্যক্তিকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া সেই অঙ্গীকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
সংস্থাটি আরও বলে, অতীতে বাংলাদেশ ব্যাংকের দলীয় বিবেচনা ও স্বার্থান্বেষী মহলকে সহায়তার কারণে ব্যাংক খাত ভঙ্গুর হয়ে পড়ে, অর্থপাচার ও খেলাপি ঋণ বেড়ে যায় এবং দেশের অর্থনীতি নাজুক পরিস্থিতিতে পড়ে, এ বিষয়গুলো বর্তমান সরকারের অজানা নয়।
বিদেশি বিনিয়োগ ও সুশাসন নিয়ে শঙ্কা! বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে বিদেশি বিনিয়োগসহ সার্বিকভাবে আর্থিক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই সময়ে এমন নিয়োগ কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে টিআইবি।
সংস্থাটি জানায়, ব্যাংক খাতের সুরক্ষা ও সুশাসন নিশ্চিতে ইতোমধ্যে নেওয়া পদক্ষেপগুলো কতটা বাস্তবায়িত হবে, সে বিষয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। কারণ ব্যবসায়িক স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দুর্বল ব্যাংকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে নতুন গভর্নর কতটা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, তা এখন বড় প্রশ্ন।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের যে জনআকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তার মধ্যে একটি ছিল স্বাধীন কেন্দ্রীয় ব্যাংক গঠন। এই প্রেক্ষাপটে নতুন গভর্নরের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকার ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ী স্বার্থের বাইরে থেকে কতটা নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবে, সেই প্রশ্নই তুলেছে টিআইবি।
সংস্কার/ইএমই
ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইএসডিবি) তাদের ৫ বছর মেয়াদি ১ বিলিয়ন ডলারের সুকুক বা ইসলামী বন্ডের আইনি মূল্য নির্ধারণ সম্পন্ন করেছে। বৃহস্পতিবার ৭ মে ২০২৬ এ মূল্য নির্ধারণ করা হয়। চূড়ান্ত বরাদ্দ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে সমমূল্যে (পার ভ্যালু) এবং নিশ্চিত রাতারাতি অর্থায়ন হার এসওএফআর
দেশের শেয়ারবাজারে স্বচ্ছতা, সুশাসন, তারল্য ব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের কাছে একগুচ্ছ প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার ৭ মে ২০২৬ গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ডিএসইর একটি প্রতিনিধিদল এসব প্রস্তাব তুলে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের ওপর করের বোঝা বাড়তে পারে। করমুক্ত আয়সীমা সীমিত বৃদ্ধি পেলেও করহার ও আয়ের স্ল্যাব পরিবর্তনের কারণে প্রায় সব করদাতাকেই বেশি কর দিতে হবে বলে জানা গেছে। দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরের জন্য করমুক্ত আয়সীমা
স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’র পরিচালনা পর্ষদের ৪২৬তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ঢাকায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বোর্ডরুমে এ সভা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল আজিজ। এতে উপস্থিত ছিলেন ভাইস