আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৬ জুলাই ২০২৬ সোমবার: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির হত্যাকাণ্ডের পর তেহরানে তার রাষ্ট্রীয় দাফন ও জানাজার তৃতীয় দিনের প্রধান শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রিয় নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ভোর থেকেই রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে লাখো মানুষ জড়ো হন। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দেশটির শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তারাও শোকমিছিলে অংশ নেন।
ইরানি পতাকায় মোড়ানো খামেনি এবং তার পরিবারের সদস্যদের কফিন বহনকারী বিশেষ যানবাহন জনসমুদ্রের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করার সময় আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তীব্র গরম ও ভিড়ের মধ্যে উপস্থিত মানুষকে স্বস্তি দিতে নিয়মিত পানি স্প্রে করা হয়। শোকাহত মানুষ খামেনির ফুল দিয়ে সাজানো ছবি হাতে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
শোকমিছিলে বারবার ‘আমেরিকা ধ্বংস হোক’ এবং ‘ইসরাইল ধ্বংস হোক’ স্লোগান শোনা যায়। শিয়া মুসলিমদের ঐতিহ্য অনুযায়ী প্রতিশোধ ও শাহাদাতের প্রতীক হিসেবে লাল ও সাদা পতাকা ওড়ানো হয়। পাশাপাশি ইরান ও হিজবুল্লাহর পতাকায় ছেয়ে যায় তেহরানের রাজপথ।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরান হামলার সময় এক বিমান হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তার মৃত্যুর পর ছেলে ও উত্তরসূরি হিসেবে আলোচিত মোজতবা খামেনিকে এখনো প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে ধর্মীয় নগরী কোম এবং প্রতিবেশী ইরাকে আরও শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরে খামেনিকে তার জন্মস্থানে সমাহিত করা হবে।
সংস্কার/ইএমই
ইরানের ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কৌশল নতুন করে মূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর সাবেক প্রধান ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকেনজি। তার মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটির একটি অংশ ইসরাইল ও অন্যান্য নিরাপদ মিত্র দেশে
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ রাজধানী তেহরান থেকে পবিত্র শহর কওমে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২৬ সেখানে তাকে ঘিরে শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ফুটেজে হেলিকপ্টারে করে তার মরদেহ কওমে পৌঁছানোর দৃশ্য দেখানো হয়। এর আগে টানা তৃতীয় দিনের মতো
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলী খামেনির বিদায়ী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বিদেশি প্রতিনিধি ও অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিভিন্ন ধরনের চাপ ও হুমকি উপেক্ষা করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তারা সত্য, ন্যায় এবং ইতিহাসের সঠিক অবস্থানের প্রতি সমর্থন প্রকাশ
ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানের আগে ফিলিস্তিনের হামাস ও লেবাননের হিজবুল্লাহর পৃথক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। বৈঠকে খামেনির মৃত্যুতে শোক প্রকাশের পাশাপাশি গাজা, লেবানন এবং মধ্যপ্রাচ্যের সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।