আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬: জুলাই সনদের বাস্তবায়ন নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শুরুতেই সরকারি দল ও বিরোধী জোটের মধ্যে টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১২ দলীয় বিরোধী জোট জানিয়েছে, জুলাই সনদ কার্যকরে তারা সংসদের ভেতরে ও বাইরে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে। তাদের মতে, নৈতিক দায়িত্ব থেকেই সব দলের এ উদ্যোগ নেওয়া উচিত। যদিও সরকারি দল বিএনপি বলছে, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।
বিরোধী জোটের অভিযোগ, বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানকে অবজ্ঞা করেছে। এ প্রতিবাদে তারা মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি। তাদের মতে, গণভোট বৈধ না হলে অন্তর্বর্তী সরকার ও জাতীয় নির্বাচনও বৈধতা হারায়। তাই জুলাই সনদ অস্বীকার করে ক্ষমতায় থাকা যায় না।
মঙ্গলবার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়। সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিসভা শপথ নিলেও বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি। অন্যদিকে জামায়াতসহ ১১ দলীয় জোট সে শপথ নেয়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের অবস্থানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়।
বিতর্কের সূত্রপাত হয় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যে। তিনি জানান, বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবে না। এর প্রতিবাদে জামায়াত ও তাদের মিত্র জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রথমে ঘোষণা দেয়, বিএনপি অনড় থাকলে তারাও সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবে না। তবে পরে বৈঠক করে তারা শপথ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং সিইসি’র কাছে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ করে। বিকেলে বিএনপির মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠানে তাদের অনুপস্থিতি নজরে আসে।
জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, জুলাই সনদের ধারা-৮ ও ৯ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন ও একই অনুষ্ঠানে শপথ নেওয়ার কথা আছে। গণভোটে জনসমর্থন পাওয়া সনদ উপেক্ষা করা গণ-অভ্যুত্থানকে অবজ্ঞা করা।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, গণভোটের পক্ষে প্রচার চালিয়ে পরে বিপক্ষে অবস্থান নিলে তা প্রতারণা হবে। সংসদে ও রাজপথে এর জবাব দেওয়া হবে।
আমার বাংলাদেশ পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ম্যান্ডেট ও জুলাই সনদের অঙ্গীকার ভুলে গেলে ইতিহাস ক্ষমা করবে না। তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান বিচার অব্যাহত রাখা এবং আগের সংস্কার কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। আওয়ামী লীগকে ‘গণহত্যাকারী দল’ উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, নিষিদ্ধ সংগঠন হয়ে তারা কীভাবে কার্যালয় খুলছে।
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল কাইয়ুম বলেন, নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে শপথ নিলে রাষ্ট্রপতির আদেশে হওয়া গণভোটের ম্যান্ডেটও মানতে হবে। তা না হলে জুলাই সনদের লঙ্ঘন হবে এবং রাজপথ আবার উত্তপ্ত হতে পারে। সব মিলিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
সংস্কার/ইএমই
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (আইএবি) নতুন মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন গাজী মাওলানা আতাউর রহমান। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করা অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদকে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য করা হয়েছে। শনিবার ২৭ জুন ২০২৬ রাজধানীর বিজয়নগরের ফার্স হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে অনুষ্ঠিত
রংপুর-৪ আসনের এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র চার মাসের মধ্যেই দেশের মোট ঋণ প্রায় ২৩ লাখ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ২৪ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। ফলে এই সময়ে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা বহন করতে হয়েছে। বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের ১৫তম দিনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবি
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংঘটিত গুম, খুন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে রাজধানীর বিজয়নগরে সমাবেশ করেছে ঢাকা মহানগর এগারো দলীয় ঐক্য। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক ও বিরোধী দলের চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বিচার প্রক্রিয়ার ধীরগতির সমালোচনা করে দ্রুত
জামায়াতপন্থি হিসেবে পরিচিত ৭ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১০ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল একযোগে পদত্যাগ করেছেন। সোমবার ২২ জুন ২০২৬ তারা অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে নিজ নিজ পদত্যাগপত্র জমা দেন। মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২৬ পদত্যাগকারী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।