আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৮ মার্চ ২০২৬: জুলাই জাতীয় সনদকে ঘিরে কোনো বিতর্ক তৈরি করা বা তা অস্বীকার করা বর্তমান সরকারের জন্য আত্মঘাতী হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, এই সনদ একটি রাজনৈতিক ঐকমত্যের দলিল এবং এ বিষয়ে আদালতের রুল জারি বা হস্তক্ষেপ করা আদালতের এখতিয়ার বহির্ভূত।
রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘জুলাইয়ের সাংবিধানিক স্বীকৃতি: সরকার ও নতুন সংসদের কাছে নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকটির আয়োজন করে গণভোট বাস্তবায়নে নাগরিক ফোরাম।
ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, জুলাই সনদ কোনো সাধারণ দলিল নয়; বরং হাজারো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত একটি রাজনৈতিক ঐকমত্য। দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্মতিতে এই সনদ তৈরি হয়েছে এবং তারা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করে এতে স্বাক্ষর করেছেন। এখন যদি কেউ এ থেকে সরে আসে বা নতুন জটিলতা তৈরি করে, তাহলে তা হবে চরম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে অনেকে সংবিধানের ভেতরেই সব সমাধান খুঁজতে চাইছেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, বর্তমান সরকার সংবিধানের ভিত্তিতে নয়, বরং গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তিতে গঠিত সরকারের অধীনে নির্বাচিত হয়েছে। তাই সমাধানও খুঁজতে হবে জনগণের সার্বভৌম অধিকারের জায়গা থেকে। যারা এখন সংবিধানের দোহাই দিয়ে বিতর্ক তুলছেন, তারা গণঅভ্যুত্থানকে অস্বীকার করছেন কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
আদালতের হস্তক্ষেপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইনশাস্ত্রে ‘ডকট্রিন অব পলিটিক্যাল কোশ্চেন’ নামে একটি নীতি রয়েছে, যার অনুযায়ী নীতিগত বা রাজনৈতিক সমঝোতার বিষয়ে আদালত সাধারণত হস্তক্ষেপ করে না। জুলাই সনদ যেহেতু একটি রাজনৈতিক ঐকমত্যের দলিল, তাই এ বিষয়ে আদালতের রুল জারি করাও এখতিয়ার বহির্ভূত। যারা এই সনদে স্বাক্ষর করেছেন, তাদের নৈতিক দায়িত্ব আদালতে গিয়ে এর সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
বদিউল আলম সতর্ক করে বলেন, অহেতুক বিতর্ক বা বিভক্তি তৈরি হলে রাজনৈতিক অনৈক্য বাড়তে পারে এবং এর সুযোগে অপশক্তি ফিরে আসার পথ খুঁজে পেতে পারে। তাই সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে শহীদের রক্তের ঋণ পরিশোধ করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, জনগণ সরাসরি গণভোটে তাদের মতামত দিয়েছে এবং সেটিই চূড়ান্ত। এর সঙ্গে অন্য কোনো বিষয় গুলিয়ে ফেলার সুযোগ নেই। নতুন জটিলতা সৃষ্টি না করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গোলটেবিল বৈঠকে আরও বক্তব্য দেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক সরোয়ার তুষার, মঞ্চ ২৪-এর আহ্বায়ক ফাহিম ফারুকী, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী, আমার বাংলাদেশ পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার ফুয়াদ হোসেন এবং উচ্চ আদালতের আইনজীবী ব্যারিস্টার শিশির মনিরসহ অন্যান্যরা।
সংস্কার/ইএমই
দীর্ঘ কূটনৈতিক নীরবতা ও ভূ-রাজনৈতিক জটিলতার মধ্যে ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে চীন থেকে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। চার দিনের প্রথম চীন সফরে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। সফরের শেষ দিনে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং
চীনের চার দিনের সরকারি সফরে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। এর আগে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তিয়েনআনমেন স্কয়ারে অবস্থিত বীর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে চীনের বিপ্লবী বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি। এ
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে দুই দেশের মধ্যে এসব সমঝোতা স্মারক সই হয় বলে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে। একই দিন বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ছয় জেলায় সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কমিশনড কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়েছে সরকার। সোমবার (২২ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের