আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ২০ মে ২০২৬ বুধবার: ভারতের গ্রামীণ অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খাত গবাদিপশু ব্যবসা ও দুগ্ধ শিল্প এখন বড় সংকটের মুখে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্র ও বিভিন্ন রাজ্য সরকারের কঠোর গো-নীতি, সীমান্ত কড়াকড়ি এবং উগ্র গোরক্ষক গোষ্ঠীর তৎপরতায় হাজার কোটি টাকার এই খাত মারাত্মক চাপে পড়েছে। এতে ডেইরি খামারি, কৃষক ও চামড়া ব্যবসায়ীরা অস্তিত্ব সংকটে পড়েছেন।
গত এক দশকে সীমান্ত নজরদারি বাড়ানো এবং বিএসএফের কঠোর অবস্থানের কারণে ভারত থেকে বাংলাদেশে গরু পাঠানো প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। আগে উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব ও রাজস্থান থেকে উদ্বৃত্ত ও অনুৎপাদক গরু পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম সীমান্ত হয়ে বাংলাদেশে যেত। এই বাজার ভারতীয় কৃষকদের জন্য বড় আর্থিক সহায়তা ছিল। পুরোনো গরু বিক্রির অর্থ দিয়ে তারা নতুন দুগ্ধবতী গাভী কিনতেন। কিন্তু সেই বাজার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সীমান্তবর্তী এলাকার গবাদিপশুর হাটে এখন ক্রেতার সংকট দেখা দিয়েছে।
শুধু সীমান্ত নয়, ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারেও গবাদিপশু পরিবহন কঠিন হয়ে পড়েছে। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও মহারাষ্ট্রসহ বিভিন্ন বিজেপি শাসিত রাজ্যে কঠোর গো-সুরক্ষা আইনের কারণে ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রয়েছেন। বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও পশুবাহী ট্রাক চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন মহাসড়কে গোরক্ষক গোষ্ঠীর হামলা, ট্রাক ভাঙচুর এবং ব্যবসায়ী ও চালকদের ওপর সহিংসতার অভিযোগ বাড়ছে।
এই পরিস্থিতিতে পরিবহন শ্রমিকদের অনেকেই পশুবাহী গাড়ি চালানো বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে উন্নত জাতের গাভী সরবরাহের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।
খামারিদের অভিযোগ, দুধ দেওয়া বন্ধ হলে একটি গরুর পেছনে প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ টাকা খরচ বহন করা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে। বিক্রির সুযোগ না থাকায় অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে গরু ছেড়ে দিচ্ছেন। এতে উত্তর ও মধ্য ভারতে বিপুল সংখ্যক বেওয়ারিশ গরুর সৃষ্টি হয়েছে। এসব গরু ফসলের মাঠ নষ্ট করছে এবং সড়ক দুর্ঘটনার কারণও হচ্ছে।
গবাদিপশু সংকটের প্রভাব পড়েছে ভারতের চামড়া ও মাংস শিল্পেও। কাঁচামালের ঘাটতির কারণে উত্তরপ্রদেশের কানপুর ও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন ট্যানারি ও চামড়া কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে লাখ লাখ শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছেন, যাদের বড় অংশ দলিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের।
পরিস্থিতির কারণে অনেক খামারি এখন গরু পালনের বদলে মহিষ, ছাগল ও ভেড়া পালনের দিকে ঝুঁকছেন। কারণ এসব পশুর ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা ও হামলার ভয় কম। পাশাপাশি মহিষের দুধের দামও বেশি এবং বিক্রিতে তেমন বাধা নেই।
বিশ্লেষকদের মতে, ধর্মীয় আবেগ ও রাজনৈতিক কৌশলের ভিত্তিতে নেওয়া কঠোর নীতির প্রভাব এখন ভারতের গবাদিপশু অর্থনীতিতে স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এতে কৃষক, খামারি ও সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলো বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে।
সংস্কার/ইএমই
প্রায় ২,৫০০ মাইল বা ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ক্রমেই বিরোধপূর্ণ এলাকায় পরিণত হচ্ছে। ভারত ‘বাংলাদেশি’ নথিপত্রধারী কিংবা বাংলাদেশি সন্দেহে নথিহীন ব্যক্তিদের আটক করে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘটনা গভীর রাতেও
ভারতের গুজরাট পুলিশের স্টেট ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর (এসআইবি) একটি ‘গোপন’ নথি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক বিতর্ক ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। ফাঁস হওয়া ওই নথিতে মুসলিমদের নিয়মিত ধর্মীয় আচরণ, পোশাক ও সম্ভাষণের মতো সাধারণ বিষয়কে উগ্রবাদ বা র্যাডিকালাইজেশনের সম্ভাব্য লক্ষণ হিসেবে উল্লে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উচ্চ-নিরাপত্তা বলয়ের ভেতরে অবস্থিত ১৩৬ বছরের পুরোনো গৌরীপুর জামে মসজিদ (বাঁকড়া মসজিদ)-এ শনিবার থেকে তিন দিনের জন্য নামাজ আদায় সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক
আঙ্কারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন শেষে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধান ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের ব্যতিক্রমী উপহার দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান। তিনি প্রত্যেককে তুরস্কে তৈরি একটি আসল ‘গুমুশায় .৩৫৭ ম্যাগনাম’ রিভলভার, ৬টি তাজা গুলি এবং একটি ক্লিনিং কিট উপহার দেন। এই ব্যতিক্রমী উপহার বিশ্বনেতাদে