অনুসরন করুন :
আল-কুরআন

আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯

আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...

বিস্তারিত
আল-হাদীস

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন

সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...

বিস্তারিত
সম্পাদকীয়

বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো

নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...

বিস্তারিত

কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে শোকের ছায়া : জামায়াত আমীরের শোক

ছবি : সংগৃহীত

সংস্কার ১৯ জুন ২০২৬ শুক্রবার: একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও কবি ও কবিতা বাংলাদেশ-এর সভাপতি কবি আল মুজাহিদী ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। পৃথক শোকবার্তায় দলের আমির ও অন্যান্য নেতারা তাঁর রূহের মাগফিরাত কামনা এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং একই পরিষদের সদস্য ও মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ যৌথ শোকবার্তায় বলেন, কবি আল মুজাহিদী আজীবন ইসলামের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। তিনি তাঁর কবিতার মাধ্যমে দেশ, জাতি ও ইসলামের আদর্শ তুলে ধরেছেন। তাঁর জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

এদিকে, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানও এক শোকবার্তায় গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ১৯৪৩ সালের ১ জানুয়ারি জন্ম নেওয়া আল মুজাহিদী বিশ শতকের ষাটের দশকের অন্যতম প্রধান কবি ছিলেন। তিনি ১৯ জুন বিকেলে ইন্তেকাল করেন।

শোকবার্তায় ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কবি আল মুজাহিদী তিন দশকেরও বেশি সময় দৈনিক ইত্তেফাকের সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। কবিতার পাশাপাশি গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, সমালোচনা ও শিশু সাহিত্যে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বিশ্বাস ও মূল্যবোধভিত্তিক তাঁর সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে এবং জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তাঁর অবদান স্মরণ করবে।

তিনি মরহুমের নেক আমল কবুল, গুনাহ মাফ, কবরের প্রশস্ততা, জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব এবং শোকাহত পরিবার, স্বজন, সহকর্মী, ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ধৈর্য ধারণের তাওফিক কামনা করেন।

কবি আল মুজাহিদীর জানাজা শনিবার ২০ জুন ২০২৬ বাদ জোহর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে দুপুর ১২টায় তাঁর মরদেহ জাতীয় প্রেস ক্লাবে নেওয়া হবে। জানাজা শেষে ঢাকার মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

সংস্কার/ইএমই

সম্পর্কিত খবর

ইকবালের ৮৮তম মৃত্যুবার্ষিকী : খুদি ও ন্যায়ভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থার আহ্বান

মহাকবি, দার্শনিক ও রাষ্ট্রচিন্তক আল্লামা ইকবালের ৮৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) এক সেমিনারের আয়োজন করেছে। ‘সার্বভৌম উম্মাহ : আধিপত্যবাদ মোকাবিলায় আল্লামা ইকবালের চিন্তা ও দর্শন’ শীর্ষক এই সেমিনার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত

আজ মওলানা মুহাম্মদ আবদুর রহীম রহ.-এর ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী

আজ ০১ অক্টোবর, বুধবার উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ইসলামী চিন্তাবিদ, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদ, সাবেক সংসদ সদস্য, ইসলামী আন্দোলনের সিপাহসালার, নবুওতি ধারার আন্দোলনের দিক-নির্দেশক ও ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা মওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম রহ -এর ৩৮তম ওফাতবার্ষিকী। ১৯৮৭ সালের এই দিনে তিনি ইন্তেকাল করেন।

ড. আ জ ম ওবায়েদুল্লাহর ইন্তেকাল

ভোলা জেলার চরফ্যাসনের কৃতী সন্তান, ওসমানগঞ্জ ইউনিয়ন এর ঐতিহ্যবাহী দায়রা মৌলভী বাড়ীর গর্বিত জামাতা, ইসলামী আন্দোলন এর অন্যতম পথিকৃত, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির এর সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, ডক্টর আ.জ.ম ওবায়দুল্লাহ

সংস্কারের উপদেষ্টা মঞ্জুর হোসেন খান

এম. এইচ. খান। মঞ্জুর হোসেন খান। আমি তখন আন্তর্জাতিক একটি ত্রাণসংস্থায় কাজ করছি। ১৯৯৫ সালের জানুয়ারী থেকে ওই অফিসে মূলত আমার কাজ। তার আগে আরো প্রায় দু’মাস ওই অফিসের কাজ করেছি পরীক্ষামূলক। যা ছিল ১৯৯৪ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর। শুরুতে আমাদের অফিস ছিল বারিধারায়। এরপর অফিস স্থানান্তরিত হল উত্তরার সোনার গাঁ জনপথের ২০ নাম্বার বাড়ীতে। ৯৫ এর শেষ দিকে এম. এইচ. খান সাহেব আমাদের অফিসের কনস্ট্রাকশন প্রজেক্ট ডিপার্টমেন্টে এলেন এডভাইজার হিসেবে। তিনি এডভাইজার হলেও আমরা তাকে ওই ডিপার্টমেন্টের প্রধানের মতই জানতাম। পরবর্তীতে এই বিভাগের দু’জন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার এলেন। একজন আ: রাজ্জাক, অন্যজন আ: রহীম। আমরা বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণের জন্যে মহাপরিচালক ড. আহমদ মাহের এর নেতৃত্বে বৈঠকে বসতাম।