আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৭ মে ২০২৬ বৃহস্পতিবার: যুক্তরাষ্ট্রের এক ফেডারেল বিচারক প্রয়াত জেফরি এপস্টেইনের একটি হাতে লেখা নথি প্রকাশ করেছেন, যেটিকে তার আত্মহত্যার চিরকুট বা ‘সুইসাইড নোট’ হিসেবে দাবি করা হচ্ছে। বুধবার (৬ মে) নথিটি প্রকাশ করা হয় বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
যৌন পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত কুখ্যাত অর্থলগ্নিকারী জেফরি এপস্টেইনকে ২০১৯ সালের আগস্টে নিউইয়র্কের ম্যানহাটন কারাগারে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তার মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে ঘোষণা করা হয়।
প্রকাশিত নোটে লেখা ছিল, “বিদায় জানানোর সময়টি নিজে বেছে নিতে পারা একটি আনন্দের বিষয়।”
জানা গেছে, হাতে লেখা এই নোটটি খুঁজে পান এপস্টেইনের সাবেক সেলমেট ও খুনের দায়ে দণ্ডিত সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা নিকোলাস টারটাগ্লিওন। সম্প্রতি নিউইয়র্ক টাইমস নোটটির অস্তিত্ব নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করলে টারটাগ্লিওনের মামলার বিচারক মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট জজ কেনেথ কারাস এটি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
বিচারক কারাস বলেন, নোটটি একটি “বিচার বিভাগীয় নথি” এবং জনগণের এটি দেখার অধিকার রয়েছে। কারণ এটি টারটাগ্লিওনের ফৌজদারি মামলার অংশ হিসেবে আদালতে জমা দেওয়া হয়েছিল। টারটাগ্লিওন বর্তমানে মাদক-সংক্রান্ত হত্যাকাণ্ডে চারটি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
তবে বিচারক নোটটির সত্যতা নিশ্চিত করেননি। এছাড়া এটি কার কার হাত ঘুরে আদালতে এসেছে, সেটিও যাচাই করা হয়নি। তার মতে, নথি প্রকাশের সিদ্ধান্তে এসব বিষয় গুরুত্বপূর্ণ নয়।
রায়ে বিচারক উল্লেখ করেন, “নোটটি গোপন রাখার পক্ষে কোনো শক্ত আইনি কারণ পাওয়া যায়নি।”
হলুদ রঙের লিগ্যাল প্যাডে লেখা নোটটি টারটাগ্লিওনের আইনজীবীরা আদালতে জমা দেন। টারটাগ্লিওন ২০১৯ সালের জুলাই মাসে প্রায় দুই সপ্তাহ এপস্টেইনের সঙ্গে একই সেলে ছিলেন।
আদালতে প্রকাশিত ছবির তথ্য অনুযায়ী, নোটে আরও লেখা ছিল, “তারা কয়েক মাস ধরে আমার বিরুদ্ধে তদন্ত করেছে, কিন্তু কিছুই পায়নি। শেষ পর্যন্ত ১৫ বছর আগের অভিযোগগুলোই সামনে আনা হয়েছে। আমি কি কান্নায় ভেঙে পড়ব? এতে কোনো আনন্দ নেই, এর কোনো মূল্যও নেই।”
এপস্টেইন ২০০৮ সালে ফ্লোরিডায় এক নাবালিকার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের প্রলোভন দেখানোর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। পরে বিতর্কিত সমঝোতার মাধ্যমে স্বল্প সময়ের কারাদণ্ড ভোগ করেন।
২০১৯ সালের জুলাইয়ে তাকে আবার গ্রেফতার করা হয়। নিউইয়র্ক ও ফ্লোরিডায় অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের সংগ্রহ ও নির্যাতনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে যৌন পাচারের মামলা করা হয়।
নোটটি প্রথম সামনে আসে ২০১৯ সালের জুলাইয়ে। এর কিছুদিন আগে এপস্টেইনকে জেলের কক্ষে গলায় দাগসহ জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল, যাকে আত্মহত্যার চেষ্টা বলে জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষ।
টারটাগ্লিওনের ভাষ্য অনুযায়ী, নোটটি তাদের সেলের একটি বইয়ের ভেতরে লুকানো ছিল। এর কয়েক সপ্তাহ পর, ২০১৯ সালের ১০ আগস্ট, এপস্টেইনকে আলাদা ঘটনায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় এবং পরে সেটিকে আত্মহত্যা হিসেবে নিশ্চিত করা হয়।
টারটাগ্লিওন গত বছর এক পডকাস্ট সাক্ষাৎকারেও নোটটির কথা উল্লেখ করেছিলেন। তবে নিউইয়র্ক টাইমসে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ফেডারেল তদন্তকারীরা আগে কখনও এই নোট দেখেননি। এমনকি বিচার বিভাগ থেকে প্রকাশিত এপস্টেইন-সংক্রান্ত বিপুল নথির মধ্যেও এটি ছিল না। বিচারক ব্যক্তিগত গোপনীয়তার যুক্তিও খারিজ করে দেন। তার মতে, এপস্টেইনের মৃত্যু ও কথিত সুইসাইড নোট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জনপরিসরে ব্যাপক আলোচনা চলছে।
সংস্কার/ইএমই
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দেশটির সর্বোচ্চ আইনসভা ‘ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস’ (এনপিসি) থেকে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ৬ জন শীর্ষ জেনারেলসহ মোট ১৩ জন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া একজন সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার রাতে এনপিসির স্থায়ী কমিটির
লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়ে আছেন এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৫১ হাজার ছাড়িয়েছে। উদ্ধার অভিযান ধীরগতিতে চলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
ভারতের মধ্যপ্রদেশে ২০২২ সালের এক গণপিটুনি হত্যা মামলায় ১৪ জন তথাকথিত ‘গো-রক্ষক’কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান প্রাণনাশের হুমকি ও সাম্প্রদায়িক আক্রমণের মুখে পড়েছেন। ঘটনাটি দেশজুড়ে বিচারকদের নিরাপত্তা ও বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা
ভারতের রাজস্থান রাজ্যের বাড়মের ও জয়সলমীর জেলায় সরকারি উচ্ছেদ অভিযানের নামে মসজিদ ও মুসলিম ধর্মীয় উপাসনালয় ভাঙার অভিযোগে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে নেমেছেন। এই আন্দোলনের বিশেষ দিক হলো, স্থানীয় মুসলিমদের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাও একসঙ্গে উচ্ছেদ অভিযানের বিরোধিতা করছেন। বাড়মের জেলার বাড়বীর গ্রামসহ