আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
উপসাগরীয় মিত্রদের ঝুঁকিতে ফেলছে ট্রাম্প প্রশাসন
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৩ মার্চ ২০২৬: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কৌশল অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্য নীতি পরিচালনা করছে এবং এতে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে এক ধরনের ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করা হচ্ছে, এমন দাবি উঠেছে। ‘মিডল ইস্ট আই’এ প্রকাশিত সোমায়া ঘানুশির এক বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধে এ কথা বলা হয়েছে।
নিবন্ধে বলা হয়, নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্প প্রশাসনকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অবস্থান নিতে চাপ দিয়ে আসছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত এতে সফল হয়েছেন। ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারসহ ঘনিষ্ঠ মহলের মাধ্যমে এই চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে। ফলে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কার্যত একই লক্ষ্য নিয়ে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়েছে, যা আগে এতটা স্পষ্ট ছিল না।
এদিকে সউদী আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের মতো উপসাগরীয় দেশগুলো এতদিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা সহযোগিতার বিনিময়ে অর্থনৈতিক ও সামরিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলেছিল। তারা নিজেদের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে নিরাপত্তার গ্যারান্টি মনে করত। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এসব ঘাঁটিই উল্টো তাদের জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা বাড়ায় এসব দেশ এখন সম্ভাব্য হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।
নিবন্ধে আরও বলা হয়, এই যুদ্ধ শুরু করার আগে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা বা পরামর্শ করা হয়নি। অথচ তারা আগে থেকেই ওয়াশিংটনকে সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করেছিল। তাদের উদ্বেগ উপেক্ষা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এসব দেশ এখন অনিচ্ছা সত্ত্বেও যুদ্ধের প্রভাবের মুখে পড়ছে।
ট্রাম্পের সঙ্গে উপসাগরীয় দেশগুলোর বড় অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ট্রাম্পের বিভিন্ন উদ্যোগে এসব দেশ শত শত কোটি ডলার বিনিয়োগও করেছে। কিন্তু যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেই অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের কোনো প্রভাব দেখা যাচ্ছে না। বরং এখন মার্কিন সমর্থকদের একটি অংশ এসব দেশকেও সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে।
বিশ্লেষক সোমায়া ঘানুশির মতে, এই যুদ্ধের লক্ষ্য হতে পারে পুরো অঞ্চলকে অস্থিতিশীল ও রাজনৈতিকভাবে খণ্ডিত করা, যা ঐতিহাসিকভাবে ইসরায়েলের কৌশলের অংশ। এর মাধ্যমে ইসরায়েল নিজেদের শক্তি বাড়াতে চায়। তবে দীর্ঘমেয়াদে এতে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ও বিশ্বব্যাপী প্রভাব দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
নিবন্ধের উপসংহারে বলা হয়, উপসাগরীয় দেশগুলো এখন বুঝতে পারছে যে মার্কিন সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি অনেকটাই ‘মরীচিকা’। ইসরায়েলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টায় ওয়াশিংটন নিজেদের দীর্ঘদিনের নির্ভরযোগ্য মিত্রদেরই ঝুঁকির মুখে ফেলছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে, এই নীতি আদৌ যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করছে, নাকি ধীরে ধীরে তা ক্ষয় করছে।
সংস্কার/ইএমই
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দেশটির সর্বোচ্চ আইনসভা ‘ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস’ (এনপিসি) থেকে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ৬ জন শীর্ষ জেনারেলসহ মোট ১৩ জন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া একজন সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার রাতে এনপিসির স্থায়ী কমিটির
লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়ে আছেন এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৫১ হাজার ছাড়িয়েছে। উদ্ধার অভিযান ধীরগতিতে চলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
ভারতের মধ্যপ্রদেশে ২০২২ সালের এক গণপিটুনি হত্যা মামলায় ১৪ জন তথাকথিত ‘গো-রক্ষক’কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান প্রাণনাশের হুমকি ও সাম্প্রদায়িক আক্রমণের মুখে পড়েছেন। ঘটনাটি দেশজুড়ে বিচারকদের নিরাপত্তা ও বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা
ভারতের রাজস্থান রাজ্যের বাড়মের ও জয়সলমীর জেলায় সরকারি উচ্ছেদ অভিযানের নামে মসজিদ ও মুসলিম ধর্মীয় উপাসনালয় ভাঙার অভিযোগে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে নেমেছেন। এই আন্দোলনের বিশেষ দিক হলো, স্থানীয় মুসলিমদের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাও একসঙ্গে উচ্ছেদ অভিযানের বিরোধিতা করছেন। বাড়মের জেলার বাড়বীর গ্রামসহ