আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ১৩ মার্চ ২০২৬: ইরানে হামলার আগে যুদ্ধের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টারা ভুল হিসাব করেছিলেন বলে বিশ্লেষণে জানিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানে হামলার পরিকল্পনা করার সময় ওয়াশিংটন প্রশাসনের মধ্যে বড় কোনো শঙ্কা ছিল না। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেন, যুদ্ধ হলেও মধ্যপ্রাচ্যের তেল সরবরাহ ব্যাহত হবে না এবং জ্বালানির বাজারে বড় সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই।
ট্রাম্পের অন্য উপদেষ্টারাও ব্যক্তিগতভাবে একই ধারণা পোষণ করতেন। তাদের ধারণায় ছিল না যে, ইরান বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল সরবরাহের পথ বন্ধ করে দিয়ে অর্থনৈতিকভাবে বড় আঘাত হানতে পারে।
তবে বাস্তবে পরিস্থিতি ভিন্ন হয়ে উঠেছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক তেল ট্যাঙ্কারে হামলার হুমকি দিয়েছে ইরান। পারস্য উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর তেল রপ্তানির প্রধান পথ এই কৌশলগত নৌপথ। ইরানের হুমকির কারণে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেলবাহী জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে। এই পরিস্থিতিতে সৃষ্ট অর্থনৈতিক চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন।
বিশ্লেষণে বলা হয়, আগ্রাসনের জবাবে ইরান যে এতটা কঠোরভাবে পাল্টা আঘাত হানবে, তা ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টারা অনুমান করতে পারেননি। গত বছরের জুনে ১২ দিনের যুদ্ধে ইরানের প্রতিক্রিয়ার তুলনায় এবার দেশটি অনেক বেশি আক্রমণাত্মকভাবে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। ইসরাইলে হামলার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি এবং বিভিন্ন আরব দেশের বড় শহরে মিসাইল ও ড্রোন হামলা চালানো হচ্ছে।
পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রকেও দ্রুত পরিকল্পনা বদলাতে হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত দূতাবাসগুলো থেকে লোকজন সরিয়ে নেওয়া এবং জ্বালানির দাম কমানোর সম্ভাব্য নীতিমালা তৈরির মতো পদক্ষেপ নিতে হয়েছে ওয়াশিংটনকে।
মঙ্গলবার ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্যদের একটি গোপন ব্রিফিং দেন। ব্রিফিং শেষে কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস্টোফার এস মার্ফি সামাজিক মাধ্যমে জানান, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি মোকাবিলায় ট্রাম্প প্রশাসনের কোনো সুস্পষ্ট পরিকল্পনা নেই। কীভাবে এই নৌপথ নিরাপদভাবে আবার খুলে দেওয়া হবে, তাও তারা নিশ্চিত নয়।
এদিকে প্রশাসনের ভেতরেও কিছু কর্মকর্তা যুদ্ধ শেষ করার স্পষ্ট কৌশলের অভাবে হতাশ হয়ে পড়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তারা সরাসরি প্রেসিডেন্টের কাছে সেই হতাশা প্রকাশ করতে সতর্ক থাকছেন, কারণ ট্রাম্প বারবার দাবি করছেন যে সামরিক অভিযান পুরোপুরি সফল।
ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে ট্রাম্পের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে এমন একজন নেতাকে ক্ষমতায় আনা, যিনি যুক্তরাষ্ট্রের নির্দেশনা মেনে চলবেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ তুলনামূলকভাবে সীমিত কৌশলগত লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন, যাতে দ্রুত যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, যুদ্ধ শুরুর আগে প্রশাসনের একটি দৃঢ় পরিকল্পনা ছিল এবং সংঘাত শেষ হলে তেলের দাম কমে যাবে বলে তারা আশা করছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, তেলের বাজারে ইরানি শাসকগোষ্ঠীর ইচ্ছাকৃত বিঘ্ন সাময়িক এবং যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের জন্য তারা যে সন্ত্রাসী হুমকি তৈরি করেছে তা নির্মূল করার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনের জন্য এই পদক্ষেপ প্রয়োজনীয়।
সংস্কার/ইএমই
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে দেশটির সর্বোচ্চ আইনসভা ‘ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস’ (এনপিসি) থেকে পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) ৬ জন শীর্ষ জেনারেলসহ মোট ১৩ জন সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া একজন সদস্য স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার রাতে এনপিসির স্থায়ী কমিটির
লাতিন আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯২০ জনে পৌঁছেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজার হাজার মানুষ আটকা পড়ে আছেন এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৫১ হাজার ছাড়িয়েছে। উদ্ধার অভিযান ধীরগতিতে চলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
ভারতের মধ্যপ্রদেশে ২০২২ সালের এক গণপিটুনি হত্যা মামলায় ১৪ জন তথাকথিত ‘গো-রক্ষক’কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়ার পর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাবাসসুম খান প্রাণনাশের হুমকি ও সাম্প্রদায়িক আক্রমণের মুখে পড়েছেন। ঘটনাটি দেশজুড়ে বিচারকদের নিরাপত্তা ও বিচারব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা
ভারতের রাজস্থান রাজ্যের বাড়মের ও জয়সলমীর জেলায় সরকারি উচ্ছেদ অভিযানের নামে মসজিদ ও মুসলিম ধর্মীয় উপাসনালয় ভাঙার অভিযোগে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে নেমেছেন। এই আন্দোলনের বিশেষ দিক হলো, স্থানীয় মুসলিমদের পাশাপাশি হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাও একসঙ্গে উচ্ছেদ অভিযানের বিরোধিতা করছেন। বাড়মের জেলার বাড়বীর গ্রামসহ