আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯
আল কুরআন (আল— হজ্ব : ৩০ থেকে ৩৯) ৩০. এগুলো (হজ্বের বিধান)। এ ছাড়া যে, আল্লাহ এবং পবিত্র (স্থান ও অনুষ্ঠান) সমূহের প্রতি সম্মান দেখাবে, তার প্রভ...
বিস্তারিতনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন
সাঈদ ইবনু আবদুর রহমান মাখযূমী রা. আব্বাদ ইবনু তামীম তৎপিতৃব্য আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয...
বিস্তারিতবাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো
নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর নেতৃত্বে বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হলো। নিঃসন্দেহে এই সরকার একটি বিপ্লবোত্তর সরক...
বিস্তারিত
ছবি : সংগৃহীত
সংস্কার ৯ মে ২০২৬ শনিবার: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) বর্তমানে ভারতের রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় আদর্শে অন্যতম প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)-র ঐতিহাসিক সাফল্যের পেছনে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহর প্রচারণার পাশাপাশি বড় ভূমিকা রেখেছে আরএসএসের দীর্ঘদিনের নীরব সাংগঠনিক কার্যক্রম।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলায় বিজেপির রাজনৈতিক উপস্থিতি দুর্বল থাকাকালেই আরএসএসের কর্মীরা গ্রামাঞ্চলে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলেন। উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় হিন্দু ভোটব্যাংককে একীভূত করা এবং ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতে সংঘের শাখাগুলো সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে।
সংঘের নেতাদের মতে, বাংলায় হিন্দু জাতীয়তাবাদের শিকড় ১৯ শতক থেকেই রয়েছে। রামকৃষ্ণ মিশন, ভারত সেবাশ্রম সংঘ ও অনুশীলন সমিতির মতো সংগঠনের সামাজিক ও আধ্যাত্মিক কর্মকাণ্ডের ধারাকেই আধুনিকভাবে কাজে লাগিয়েছে আরএসএস। এছাড়া ‘সীমান্ত চেতনা মঞ্চ’-এর মতো সহযোগী সংগঠন অনুপ্রবেশ ও জাতীয় নিরাপত্তার মতো ইস্যুতে জনমত গঠনে কাজ করেছে।
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের আইনি সহায়তা ও পুনর্বাসনের মাধ্যমেও সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জনের চেষ্টা করেছে সংঘ। বিশ্লেষকদের মতে, বড় জনসভা জনমত তৈরি করলেও ভোট নিশ্চিত করতে তৃণমূল পর্যায়ের নেটওয়ার্কই বেশি কার্যকর হয়েছে।
এক বিশেষ প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম NPR জানিয়েছে, ১৯২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত আরএসএস বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর একটি, যার সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দীর্ঘদিন ধরে এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকায় এর আদর্শ এখন রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণেও প্রভাব ফেলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
আরএসএসের মূল লক্ষ্য ভারতকে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’ হিসেবে পুনর্গঠন করা। সংগঠনটির দাবি, ব্রিটিশ ও মুঘল শাসনের দীর্ঘ সময়ে ভারতীয়রা নিজেদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য থেকে দূরে সরে গেছে। তাদের শাখাগুলোতে শরীরচর্চা, ধ্যান ও সংস্কৃত মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে সদস্যদের হিন্দু জাতীয়তাবাদের শিক্ষা দেওয়া হয়।
তবে সংগঠনটির উত্থান নিয়ে বিতর্কও রয়েছে। সমালোচকদের অভিযোগ, আরএসএস ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোর পরিবর্তে উগ্র হিন্দুত্ববাদকে উৎসাহিত করছে। প্রতিবেদনে মহাত্মা গান্ধীর হত্যাকারী নাথুরাম গডসে-র সঙ্গে আরএসএসের ঐতিহাসিক সম্পর্কের প্রসঙ্গও উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও সংগঠনটি দাবি করে হত্যাকাণ্ডের সময় গডসে তাদের সদস্য ছিলেন না।
বর্তমানে ক্ষমতাসীন বিজেপিকে আরএসএসের রাজনৈতিক শাখা হিসেবে দেখা হয়। শিক্ষা ব্যবস্থা, সামাজিক নীতিমালা, শহরের নাম পরিবর্তন এবং অযোধ্যার রাম মন্দির আন্দোলনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংগঠনটির প্রভাব স্পষ্ট বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তাদের মতে, আরএসএস শুধু একটি সংগঠন নয়, বরং ভারতের সমাজ ও রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের একটি কৌশলগত শক্তি, যার প্রভাব এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আলোচিত।
সংস্কার/ইএমই
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা এখন গভীর সমুদ্রকে ঘিরে নতুন মাত্রা পেয়েছে। এমন সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়তি গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্কেও নতুন
যুক্তরাজ্য-এর ২০২৬ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের আঞ্চলিক নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি। কেইর স্টারমার-এর নেতৃত্বাধীন দলটি ইংল্যান্ডের শক্ত ঘাঁটির পাশাপাশি ওয়েলসেও দীর্ঘদিনের আধিপত্য হারিয়েছে। দ্য গার্ডিয়ান-এর বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ রাজনীতি
শুভেন্দু অধিকারী পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। শনিবার কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে রাজ্যপাল আর এন রবি তাকে শপথবাক্য পাঠ করান। এর মধ্য দিয়ে টানা ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেস শাসনের অবসান ঘটল এবং রাজ্যে বিজেপি সরকারের যাত্রা শুরু হলো।
চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক চাপ মোকাবিলায় অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা ব্যয় অনুমোদন করেছে তাইওয়ান। তবে সরকার যে পরিমাণ অর্থ চেয়েছিল, তার তুলনায় কম বরাদ্দ অনুমোদন পেয়েছে। ক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাইওয়ানের পার্লামেন্টে ২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিশেষ প্রতিরক্ষা বাজেট পাস