সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়(সংস্কার: নভেম্বর-ডিসেম্বর 2021)মহামারী। প্যানডেমিক। করোনা কাল। করোনায় কেড়ে নিল প্রায় দু'টি বছরের চেয়েও বেশি সময়। ২০২০ সালে করোনাকালের লকডাউনের কথা স্মৃতি হয়ে আজও সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে.......

বিস্তারিত পড়ুন

আল-কুরআন

নভেম্বর-ডিসেম্বর2021(আয়াত নং: ১৯ থেকে ৩১)১৯. মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যারাই আছে সবাই তাঁর। তাঁর কাছে যারা রয়েছে তারা তাঁর ইবাদতের ব্যাপারে অহংকার করে না এবং ক্লান্তিও বোধ করে না।২০. তারা তাঁর তসবিহ করে, রা.......

বিস্তারিত পড়ুন

আল-হাদীস

ওমর ইবনু খাত্তাব রা. হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমরা যদি আল্লাহ তায়ালার উপর এমনভাবে তাওয়াক্কুল করতে আরম্ভ কর যেমন তাওয়াক্কুলের হক রয়েছে তবে তোমাদেরকে.......

বিস্তারিত পড়ুন

সূরা: কাহফ

(আয়াত নং: ২৬-৩৬)       ২৬. তুমি বলো: এর পর তারা কতোকাল ছিলো তা আল্লাহই ভালো জানেন’। মহাকাশ আর পৃথিবীর গায়েব কেবল তাঁরই জানা আছে। দেখো, তিনি কতো সুন্দর দ্রষ্টা এবং শ্রোতা! তিনি ছাড়া তোমাদের আর কোনো অলি নেই। তিনি নিজ কর্তৃত্বে কাউকে শরীক করেন না।

২৭. তোমার প্রতি তোমার প্রভুর যে কিতাব অহী করা হয়েছে তুমি তা তিলাওয়াত করো। তাঁর বাণী পরিবর্তন করার কেউ নেই। তুমি কখনো তাঁকে ছাড়া আর কোনো আশ্রয় পাবেনা।

২৮. যারা সকাল ও সন্ধ্যায় তাদের প্রভুকে ডাকে তাঁর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে, তুমি নিজেকে তাদের সাথে অবিচলভাবে জুড়ে রাখো। পার্থিব জীবনের চাকচিক্যের উদ্দেশ্যে তুমি তাদের থেকে তোমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিয়োনা। তুমি এমন কারো আনুগত্য করোনা, যার অন্তরকে আমরা আমাদের যিকির থেকে গাফিল করে দিয়েছি এবং যে তার খেয়াল খুশির অনুসরণ করে, আর যার কর্মকাণ্ড সীমালংঘনমূলক।

২৯. বলো: সত্য (আল-কুরআন) তোমাদের প্রভুর নিকট থেকেই এসেছে। সুতরাং যার ইচ্ছা ঈমান আনুক আর যার ইচ্ছা সত্য প্রত্যাখ্যান করুক। আমরা যালিমদের জন্যে প্রস্তুত করে রেখেছি আগুন, তার বেষ্টনি তাদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখবে। তারা পানি পান করতে চাইলে তাদের দেয়া হবে গলিত ধাতুর মতো পানীয়, যা তাদের মুখমণ্ডলকে দগ্ধ করে ফেলবে। কী যে নিকৃষ্ট পানীয় আর কতো যে নিকৃষ্ট আশ্রয় তাদের!

৩০. তবে যারা ঈমান আনবে এবং আমলে সালেহ্ করবে, এমন উত্তম আমলকারীদের কর্মফল আমরা কখনো বিনষ্ট করিনা!

৩১. তাদের জন্যে থাকবে চিরস্থায়ী জান্নাতসমূহ, যেগুলোর নিচে দিয়ে বহমান থাকবে নদ-নদী-নহর। সেখানে তাদের অলংকার পরানো হবে সোনার কংকন। সেখানে তারা পরবে সূক্ষ্ম ও পুরু রেশমি সবুজ পরিচ্ছেদ। আর সেখানে তারা আসন গ্রহণ করবে সুসজ্জিত সোফায়। কতো যে উত্তম পুরস্কার! আর কতো যে উত্তম আশ্রয়স্থল।

৩২. তুমি তাদের জন্যে দুই ব্যক্তির উদাহরণ পেশ করো: তাদের একজনকে আমরা দিয়েছিলাম দু’টি আঙ্গুরের বাগান। দু’টি বাগানকেই আমরা খেজুর গাছ দিয়ে বেষ্টন করে দিয়েছিলাম। আর দু’টি বাগানের মাঝখানের জায়গাটাকে  আমরা বানিয়েছিাম শস্যক্ষেত।

৩৩.দু’টি বাগানই প্রচুর ফল দিচ্ছিল এবং এতে কোনো প্রকার ক্রটি করা হচ্ছিলনা। আর দু’টি বাগানের মাঝ দিয়ে আমরা জারি করে দিয়েছিলাম একটি নহর।

৩৪. লোকটির ছিলো প্রচুর সম্পদ। সে কথা প্রসঙ্গে তার সাথিকে বললো: ‘ধনে জনে আমি তোমার চাইতে শ্রেষ্ঠ এবং শক্তিশালী’।

৩৫. এভাবে সে নিজের প্রতি যুলুম করে একদিন বাগানে প্রবেশ করে। সে (বাগানের ফলন ও সৌন্দর্যে উৎফুল্ল হয়ে) বলে: ‘এ বাগান কখনো বিরান হয়ে যাবে বলে আমি মনে করিনা’।

৩৬. কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে বলেও আমি মনে করিনা। আর আমাকে যদি আমার প্রভুর কাছে ফিরিয়ে নেয়াই হয়, তবে অবশ্য অবশ্যি এখন আমার যা আছে তার চাইতে উত্তম সামগ্রী আমি ফেরত পাবো’। (ক্রমশ:)