সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়(সংস্কার: নভেম্বর-ডিসেম্বর 2021)মহামারী। প্যানডেমিক। করোনা কাল। করোনায় কেড়ে নিল প্রায় দু'টি বছরের চেয়েও বেশি সময়। ২০২০ সালে করোনাকালের লকডাউনের কথা স্মৃতি হয়ে আজও সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে.......

বিস্তারিত পড়ুন

আল-কুরআন

নভেম্বর-ডিসেম্বর2021(আয়াত নং: ১৯ থেকে ৩১)১৯. মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যারাই আছে সবাই তাঁর। তাঁর কাছে যারা রয়েছে তারা তাঁর ইবাদতের ব্যাপারে অহংকার করে না এবং ক্লান্তিও বোধ করে না।২০. তারা তাঁর তসবিহ করে, রা.......

বিস্তারিত পড়ুন

আল-হাদীস

ওমর ইবনু খাত্তাব রা. হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমরা যদি আল্লাহ তায়ালার উপর এমনভাবে তাওয়াক্কুল করতে আরম্ভ কর যেমন তাওয়াক্কুলের হক রয়েছে তবে তোমাদেরকে.......

বিস্তারিত পড়ুন

৫ মাসেই পাথর শিশু!

বয়স মাত্র পাঁচ মাস। অসহায় বাবা-মায়ের চোখের সামনে পাথরে পরিণত হয়ে যাচ্ছে শিশু মেয়েটি। অতি বিরল জিনগত রোগের শিকার ব্রিটেনের লেক্সি রবিনস। ধীরে ধীরে তার শরীরের সমস্ত মাংসপেশী পরিণত হচ্ছে হাড়ে। ২০ লাখের মধ্যে একজনের শরীরে এই লক্ষণ দেখা যায়। জন্ম নেয় লেক্সি। জন্মের পর সেভাবে কোনও অস্বাভাবিকতা চোখে পড়ে না বাবা-মায়ের। তবে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পর তার বাবা-মা লক্ষ্য করেন শিশুটি পায়ের বুড়ো আঙুল নাড়াতে পারছে না। এমনকি পায়ের পাতার মাপ তার বয়সী আর পাঁচটা শিশুর থেকে অনেকটাই বড়। বিষয়টি অস্বাভাবিক থাকায় মেয়েকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতেই জীবনের সব থেকে শকিং খবরটি পান রিবনস দম্পতি। জানা গেছে, একটি অতি বিরল রোগে আক্রান্ত পাঁচ মাসের লেক্সি। এই রোগে কঙ্কালের উপর হাড় গজিয়ে যায়। পেশি ও টেন্ডন কিংবা লিগামেন্টের মতো সংযোগকারী টিস্যুর জায়গাতেও হাড় গজিয়ে যায়। অসার হয়ে যায় শরীর। এই রোগে আক্রান্তের নড়াচড়ার ক্ষমতা একেবারেই চলে যায়। শয্যাশায়ী হয়েও ৪০ বছরের বেশি বাঁচে না আক্রান্ত। পাঁচ মাসের শিশুর এত কঠিন রোগে আক্রান্ত তা মানতে পারেন না তার বাবা-মা। অন্যান্য বাচ্চাদের মতোই খিলখিলিয়ে সারাদিন হাসে লেক্সি। হাত-পা ছুঁড়ে খেলা করে। কান্নাকাটিও তেমন নেই। কিন্তু চিকিৎসকেরা বলেই দিয়েছেন তার অবশ্যম্ভাবী পরিণতি। বাকি সন্তানের বাবা-মায়েদের এই বিরল রোগ নিয়ে সচেতন করতে লেক্সির মা-বাবা সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু করেছেন ক্যাম্পেন। তাদের এক রত্তির মতো আরও কোনও দুধের শিশু এমন রোগে আক্রান্ত হলে যাতে সচেতন হওয়া যায়। (সূত্র : ইউকে মিরর।)