সম্পাদকীয়

সম্পাদকীয়(সংস্কার: নভেম্বর-ডিসেম্বর 2021)মহামারী। প্যানডেমিক। করোনা কাল। করোনায় কেড়ে নিল প্রায় দু'টি বছরের চেয়েও বেশি সময়। ২০২০ সালে করোনাকালের লকডাউনের কথা স্মৃতি হয়ে আজও সমাজের প্রতিটি মানুষের মধ্যে.......

বিস্তারিত পড়ুন

আল-কুরআন

নভেম্বর-ডিসেম্বর2021(আয়াত নং: ১৯ থেকে ৩১)১৯. মহাকাশ এবং পৃথিবীতে যারাই আছে সবাই তাঁর। তাঁর কাছে যারা রয়েছে তারা তাঁর ইবাদতের ব্যাপারে অহংকার করে না এবং ক্লান্তিও বোধ করে না।২০. তারা তাঁর তসবিহ করে, রা.......

বিস্তারিত পড়ুন

আল-হাদীস

ওমর ইবনু খাত্তাব রা. হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমরা যদি আল্লাহ তায়ালার উপর এমনভাবে তাওয়াক্কুল করতে আরম্ভ কর যেমন তাওয়াক্কুলের হক রয়েছে তবে তোমাদেরকে.......

বিস্তারিত পড়ুন

গাজার পুনর্নিমাণে সহায়তার ঘোষণা চীন ও মিসরের

 

ইসরাইলি আগ্রাসনে বিধ্বস্ত গাজার পুনর্র্নিমাণে সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে চীন। চীনের ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সির (সিআইডিসিএ)  মুখপাত্র তিয়ান লিনের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায় চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিজিটিএন। তিনি বলেন, গাজায় বাস্তুচ্যুতদের আবাসন এবং আহতদের সাহায্যে চীন সহায়তা পাঠাবে। এছাড়া গাজায় পুনর্র্নিমাণ ও চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে ৫০ কোটি মার্কিন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। বিষয়টি দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে জানানো হয়। কাতার ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরার বরাতে জানা যায়, প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এক বিবৃতিতে বলেছেন, সা¤প্রতিক ঘটনার ফলস্বরূপ গাজা উপত্যকায় পুনর্র্নিমাণের জন্য মিশর ৫০ কোটি মার্কিন ডলার সরবরাহ করবে। এছাড়াও বিশেষজ্ঞ মিশরীয় নির্মাণ সংস্থাগুলি পুনর্র্নিমাণকে বাস্তবায়িত করবে। জাতিসঙ্ঘের মানবিক সহায়তা বিষয়ক সমন্বয় দফতরের (ওসিএইচএ) তথ্য অনুসারে, গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে অন্তত ৯০ হাজার ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। অধিকৃত জেরুসালেমের শেখ জাররাহ মহল্লা থেকে ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করে ইহুদি বসতি স্থাপনে ইসরাইলি আদালতের আদেশের জেরে ফিলিস্তিনিদের সাম্প্রতিক বিক্ষোভে পরপর কয়েক দফা মসজিদুল আকসায় হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী। ৭ মে থেকে ১০ মে পর্যন্ত এই সকল হামলায় এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসঙ্ঘের মানবিক সাহায্য বিষয়ক দফতর ইউএনওসিএইএ। মসজিদুল আকসা চত্ত্রে মুসল্লিদের ওপর ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর হামলার পরিপ্রেক্ষিতে মসজিদ থেকে সৈন্য সরিয়ে নিতে ইসরাইলকে আলটিমেটাম দেয় গাজা নিয়ন্ত্রণকারী ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। আলটিমেটাম শেষ হওয়ার পর গাজা থেকে ইসরাইলের বিভিন্ন লক্ষ্য বস্তুতে হামাস রকেট হামলা শুরু করে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গাজা থেকে ইসরাইলি ভূখন্ডে শত শত রকেট নিক্ষেপ করেছে হামাস। ইসরাইলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আয়রন ডোমে বেশিরভাগ রকেট ধ্বংস করা হলেও বেশ কিছু রকেট ইসরাইলের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানে। রকেট হামলায় ইসরাইলের ১২ অধিবাসী নিহত ও সাত শ’ ৯৬ জনের বেশি আহত হয়েছেন। ইসরাইল ভূখন্ডে হামাসের রকেট হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ১০ মে রাত থেকেই গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরাইল। ইসরাইলি বিমান হামলায় ৬৫ শিশু ও ৩৯ নারীসহ ২৩২ ফিলিস্তিনি নিহত হন। হামলায় আহত হয়েছেন আরো এক হাজার নয় শ’ গাজাবাসী। গাজায় ইসরাইলের টানা ১১ দিনের আগ্রাসনের পর  ইসরাইল ও হামাস যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার ঘোষণা দেয়। মিসরীয় উদ্যোগে এই যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টায় ইসরাইলি মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর শুক্রবার সকাল থেকে তা কার্যকর হয়। (সূত্র : আলজাজিরা)